1.রমাদানে হায়েজের দিনগুলোতে কেউ যদি সায়িমদের মত সাহরী, ইফতার করে এবং দিনের অন্যান্য সময়ও পানাহার করে তাহলে কি ফরজ রোজা পালনের মত সওয়াব পাবে? অথবা বলা যায় হায়েজের দিনগুলোতে রোজার সওয়াব পেতে হলে রোজাদারদের সাথে প্রতীকী সাহরী ও ইফতার করা কি জরুরি? সুস্থ অবস্থায় কাজা আদায় করলে তো সমান সওয়াব পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে রমাদানেও সিয়ামের সওয়াব পাবার জন্য কোনো আসবাব গ্রহণের উপায় বা প্রয়োজন আছে কি? নাকি সিয়ামে অভ্যস্ত ব্যক্তি কেবল হায়েজের জন্য সিয়াম না রাখলে এমনিতেই সওয়াব পাবে?
2. সিয়াম রাখলে ইফতার দ্রুত করা উচিত। তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ১/২ মিনিট দেরিতে ইফতার করলে কি গুনাহ হবে? অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন অ্যাপে যে সময় দেখায় আযান এর ২/১ মিনিট পরে দেয়, এক্ষেত্রে আযানের জন্য অপেক্ষা করা কি অনুচিত?
৩. ফজরের নামাজের পর হজ্জ বা উমরার সাওয়াব পাওয়ার জন্য ইশরাক পর্যন্ত সলাতের স্থানে বসে থাকার ব্যাপারে যে হাদিস টা এসেছে এক্ষেত্রে ঐ স্থানে বসা কি প্রতীকী অর্থে নাকি প্রকৃত বসাই? যেমন সলাতের স্থানে বসে কুরআন পড়া সম্ভব না হলে সেখান থেকে সরে অন্য জায়গায় বসে যদি কুরআন তিলাওয়াত করি বা ওয়াশরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হলে প্রয়োজন সেরে আবার ওযু করে আসি তাহলে কি উক্ত ফজিলত পাওয়া যাবে?