আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
31 views
in সাওম (Fasting) by (7 points)
edited by
1.রমাদানে হায়েজের দিনগুলোতে কেউ যদি সায়িমদের মত সাহরী, ইফতার করে এবং দিনের অন্যান্য সময়ও পানাহার করে তাহলে কি ফরজ রোজা পালনের মত সওয়াব পাবে?  অথবা বলা যায় হায়েজের দিনগুলোতে রোজার সওয়াব পেতে হলে রোজাদারদের সাথে প্রতীকী  সাহরী ও ইফতার করা কি জরুরি?  সুস্থ অবস্থায় কাজা আদায় করলে তো সমান সওয়াব পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে রমাদানেও সিয়ামের সওয়াব পাবার জন্য কোনো আসবাব গ্রহণের উপায় বা প্রয়োজন আছে কি? নাকি সিয়ামে অভ্যস্ত ব্যক্তি কেবল হায়েজের জন্য সিয়াম না রাখলে এমনিতেই সওয়াব পাবে?

2. সিয়াম রাখলে ইফতার দ্রুত করা উচিত।  তবে নিশ্চিত হওয়ার জন্য ১/২ মিনিট দেরিতে ইফতার করলে কি গুনাহ হবে? অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন অ্যাপে যে সময় দেখায় আযান এর ২/১ মিনিট পরে দেয়, এক্ষেত্রে আযানের জন্য অপেক্ষা করা কি অনুচিত?


৩. ফজরের নামাজের পর হজ্জ বা উমরার সাওয়াব পাওয়ার জন্য ইশরাক পর্যন্ত সলাতের স্থানে বসে থাকার ব্যাপারে যে হাদিস টা এসেছে  এক্ষেত্রে ঐ স্থানে বসা কি প্রতীকী অর্থে নাকি প্রকৃত বসাই? যেমন সলাতের স্থানে বসে কুরআন পড়া সম্ভব না হলে সেখান থেকে সরে অন্য জায়গায় বসে যদি কুরআন তিলাওয়াত করি বা ওয়াশরুমে যাওয়ার প্রয়োজন হলে প্রয়োজন সেরে আবার ওযু করে আসি তাহলে কি উক্ত ফজিলত পাওয়া যাবে?

1 Answer

0 votes
by (632,190 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
রোযা অবস্থায় দিনের বেলায় তথা ফজরের থেকে নিয়ে মাগরিবের পূর্বে যে কোনো মুহূর্তে হায়েয চলে আসলে, এদ্বারা রোযা ফাসিদ হয়ে যাবে। এবং পবিত্র হওয়ার পর ঐ রোযার কাযা করতে হবে। যেই মহিলার রোযা অবস্থায় হায়েয নেফাস শুরু হবে, সেই মহিলার একাকি খেতে পারবে। এমনকি একাকি ঐ সমস্ত মহিলাদের কিছু খাওয়া উচিৎ। তারা রোযাদারের সাদৃশ্য গ্রহণ করবে না। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/93994

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সিয়ামে অভ্যস্ত ব্যক্তি কেবল হায়েজের জন্য সিয়াম না রাখলে এমনিতেই সে সওয়াব পাবে। তাকে রোযাদারের সাদৃশ্য গ্রহণ করা লাগবেনা।

(২)
সূর্যাস্ত নিশ্চিত হওয়ার পর ইফতারিতে দেরী করাটা মাকরুহ। অবশ্য যখন মেঘ বা অন্যান্য কারণে সন্দেহ হয়, তখন দুই-চার মিনিটি অপেক্ষা করাটা ভাল। তবে সাবধানতার জন্য তিন মিনিট সবসময় অপেক্ষা করা উচিত।” [জাওয়াহিরুল ফিক্বহ ৩/৫২২ পৃ:]

মুফতী মুহাম্মাদ কিফায়াতুল্লাহ দেহলভী (রহ) লিখেছেন :
غروب آفتاب کے بعد وقت افطار شروع ہو جاتا ہے اور یہی نماز مغرب کا وقت ہے افطار میں دوچار منٹ تاخیر ہو جائے تو اس کی گنجائش ہے۔ مگر بہتر یہ کہ جیسے ہی افطار کا وقت ہے فورا افطار کری
“সূর্যাস্তের পরে ইফতারের ওয়াক্ত শুরু হয়ে যায়, আর এটাই মাগরিবের সালাতের ওয়াক্ত। ইফতারে দু-চার মিনিট দেরী হলে, সেটার অবকাশ আছে।”
অতঃপর টীকাতে লিখেছেন : “তবে উত্তম হল, যখনই ইফতারের ওয়াক্ত হয়, তৎক্ষণাৎ ইফতার করা।” [কিফায়াতুল মুফতী, ৪/২৪৮-২৪৯ পৃ:, উত্তর নং : ২৭১; আরো দ্র: উত্তর নং : ২৭৬]

সূর্যাস্তের সাথে সাথে ইফতার করা উত্তম । তবে সন্দেহের ক্ষেত্রে দু-তিন মিনিটি দেরী করার অবকাশের সুযোগটি রয়েছে।

(৩) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/14439


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

0 votes
1 answer 103 views
0 votes
1 answer 52 views
...