আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
41 views
in পবিত্রতা (Purity) by (1 point)
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ।
আমার প্রশ্নের উত্তরটি একটু তাড়াতাড়ি দিলে ভালো হয় ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা আপনাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন আমিন।
গত ডিসেম্বরের ১৩ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ আমার শেষ হায়েজ হয়েছিল।
এরপরে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারী হায়েজ বন্ধ ছিল, তখন আল্ট্রা করে জানতে পারি আমি ছয় সপ্তাহের গর্ভবতী।
ফেব্রুয়ারীর ২৩ তারিখ মাগরিবের পর থেকে অল্প অল্প ব্লিডিং শুরু হয়, তারপর চারদিন আমি  ইস্তেহাজা ধরে নিয়ে নামাজ পড়া অব্যাহত রাখি।

ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখ রাতে ডাক্তার দেখালে জানতে পারি আমার গর্ভে শুধু বাচ্চাদানি এসেছে,বাচ্চা আসেনাই, এটার আর উন্নতি হবেনা, তাই ফেলে দেয়ার জন্য ওষুধ দিলে আমি মার্চের ১তারিখ ওষুধ খাই, আর  ৩ তারিখ ডি এন সি করা হয়।

আই ফতোয়ায় এই সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্ন উত্তর দেখে বুঝতে পারি চার মাসের কম সময়ে গর্ভপাত হলে সেটা হায়েজ ধরতে হবে, তাই আমি হায়েজ ধরে নামাজ বন্ধ  রাখি।

ফেব্রুয়ারির ২৩ তারিখ শুরু হয়ে মার্চের ১৮ তারিখ পর্যন্ত ব্লিডিং হয়েছে।

তারপর ব্লিডিং বন্ধ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
এরমধ্যে মার্চের ৫ তারিখ পর্যন্ত দশদিন হায়েজ ধরেছি আর বাকিটা ইস্তেহাজা ধরে গোসল করে নামাজ পড়েছি।

এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে,
১.আমি যে এভাবে প্রথম ব্লিডিং দেখার দিন থেকে হায়েজ ধরে হিসাব করেছি,এটা কি ঠিক হয়েছে?
২. ফেব্রুয়ারীর ২০ তারিখ রাতে আমার পবিত্র থাকার ১৫ দিন পুরো হবে, তারপরে যদি আবার ব্লিডিং দেখা যায় তবে কি হায়েজ হিসাবে ধরব? ব্লিডিং হয়ে তিনদিনের কমে বন্ধ হয়ে গেলে কি ইস্তেহাজা ধরে নামাজ পড়ব?

৩. দুইদিন আগে ডাক্তার ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট দেখে বলেছেন "ফুলের কিছু অংশ এখনও বাকি আছে, এর জন্য ইঞ্জেকশন ও ওষুধ দিয়েছে, তো এই চিকিৎসার পরে যদি ব্লিডিং হয় তবে কি হিসাবে ধরব?


জাঝাকাল্লহু খইর।

1 Answer

0 votes
by (634,080 points)

ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
যদি চার মাস বা তার চেয়ে বেশী সময়ের পর গর্ভপাত হয় তাহলে গর্ভপাত পরবর্তী নেফাস হিসেবে গণ্য হবে।আর চার মাসের পূর্বে গর্ভপাত হলে সে রক্তকে হায়েয গণ্য করা হবে যদি তা তিনদিন বা তার চেয়ে বেশী সময় অতিবাহিত হয়।আর তিনদিনের কম বা দশদিনের বেশী সময় অতিবাহিত হলে সে রক্তকে ইস্তেহাযার রক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে।(আহসানুল ফাতাওয়া-২/৭১)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1570

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
যদি চার মাসে আগেই গর্ভপাত হয়, তাহলে ১০ দিনের কম রক্তস্রাব হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। কিন্তু যদি তিন দিনের কম বা ১০ দিনের বেশী হয়, তাহলে সেটা ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য হবে। আপনার পূর্বের যদ দিনের অভ্যাস ছিলো, ততদিন হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7474


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...