আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহ।
আমার প্রশ্নের উত্তরটি একটু তাড়াতাড়ি দিলে ভালো হয় ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহ তায়ালা আপনাদেরকে উত্তম প্রতিদান দান করুন আমিন।
গত ডিসেম্বরের ১৩ তারিখ থেকে ২৩ তারিখ আমার শেষ হায়েজ হয়েছিল।
এরপরে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারী হায়েজ বন্ধ ছিল, তখন আল্ট্রা করে জানতে পারি আমি ছয় সপ্তাহের গর্ভবতী।
ফেব্রুয়ারীর ২৩ তারিখ মাগরিবের পর থেকে অল্প অল্প ব্লিডিং শুরু হয়, তারপর চারদিন আমি ইস্তেহাজা ধরে নিয়ে নামাজ পড়া অব্যাহত রাখি।
ফেব্রুয়ারির ২৭ তারিখ রাতে ডাক্তার দেখালে জানতে পারি আমার গর্ভে শুধু বাচ্চাদানি এসেছে,বাচ্চা আসেনাই, এটার আর উন্নতি হবেনা, তাই ফেলে দেয়ার জন্য ওষুধ দিলে আমি মার্চের ১তারিখ ওষুধ খাই, আর ৩ তারিখ ডি এন সি করা হয়।
আই ফতোয়ায় এই সংক্রান্ত বেশ কিছু প্রশ্ন উত্তর দেখে বুঝতে পারি চার মাসের কম সময়ে গর্ভপাত হলে সেটা হায়েজ ধরতে হবে, তাই আমি হায়েজ ধরে নামাজ বন্ধ রাখি।
ফেব্রুয়ারির ২৩ তারিখ শুরু হয়ে মার্চের ১৮ তারিখ পর্যন্ত ব্লিডিং হয়েছে।
তারপর ব্লিডিং বন্ধ হয়েছে আলহামদুলিল্লাহ।
এরমধ্যে মার্চের ৫ তারিখ পর্যন্ত দশদিন হায়েজ ধরেছি আর বাকিটা ইস্তেহাজা ধরে গোসল করে নামাজ পড়েছি।
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে,
১.আমি যে এভাবে প্রথম ব্লিডিং দেখার দিন থেকে হায়েজ ধরে হিসাব করেছি,এটা কি ঠিক হয়েছে?
২. ফেব্রুয়ারীর ২০ তারিখ রাতে আমার পবিত্র থাকার ১৫ দিন পুরো হবে, তারপরে যদি আবার ব্লিডিং দেখা যায় তবে কি হায়েজ হিসাবে ধরব? ব্লিডিং হয়ে তিনদিনের কমে বন্ধ হয়ে গেলে কি ইস্তেহাজা ধরে নামাজ পড়ব?
৩. দুইদিন আগে ডাক্তার ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট দেখে বলেছেন "ফুলের কিছু অংশ এখনও বাকি আছে, এর জন্য ইঞ্জেকশন ও ওষুধ দিয়েছে, তো এই চিকিৎসার পরে যদি ব্লিডিং হয় তবে কি হিসাবে ধরব?
জাঝাকাল্লহু খইর।