ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কোনো অবিবাহিত ব্যক্তির নিকট যদি এই পরিমাণ টাকা থাকে যে, হজ্ব ফরয। এখন দেখতে হবে, বিয়ে না করলে কি যিনাতে লিপ্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে? না কি নাই? যদি যিনাতে লিপ্ত হওয়ার আশংকা থাকে, তাহলে ফরয হজ্বের পূর্বে তাৎক্ষণিক বিয়ে করা জরুরী। এক্ষেত্রে হজ্ব বিলম্ব হওয়াতে বা হজ্ব না করাতে কোনো গোনাহ হবে না। আর যদি গোনাহকে লিপ্ত হওয়ার কোনো আশংকা না থাকে, তাহলে তখন হজ্ব করাই জরুরী। হজ্ব ফরয হওয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/7288
وفي الأشباہ: معہ ألف وفاف العزوبة إن کان قبل خروج أہل بلدہ فلہ التزوّج ولو وقتہ لزمہ الحج (درمختار)․․․ ولذا اعترضہ ابن کمال باشا فی شرحہ علی الہدایة بأنہ حال التوقان مقدّم علی الحج اتفاقًا؛ لأن في ترکہ امرین: ترک الفرض والوقوع في الزنا، وجواب أبي حنیفة في غیر حال التوقان اھ أي في غیر حال تحققہ الزنا لأنہ لو تحققہ فرض التزوج أما لو خافہ فالتزوج واجب لا فرض فیقدم الحج الفرض علیہ فافھم․ (الدر مع الرد: ۳/۴۶۱، ط: زکریا) وانظر (أنوار مناسک، ص: ۱۵۸)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
বিয়ের সময় আপনি গয়না এবং যেই টাকা হাদিয়া পেয়েছেন, সেই টাকা এই পরিমাণের হয় যে, আপনি হজ্বে গিয়ে আবার বাড়ীতে ফিরে আসতে পারবেন, তাহলে আপনার উপর হজ্ব ফরয হয়ে যাবে। চায় সে টাকাগুলোকে আপনি ফার্ণিচার খরিদ করার জন্যই রাখেন না কেন? এখন এই টাকার যদি এক বৎসর আপনার নিকট অতিবাহিত হয়ে থাকে, তাহলে এই টাকার উপর যাকাতও আসবে।
(২) নারীদের জন্য শুধুমাত্র টাকা থাকলেই হজ্ব ফরয হয় না বরং মাহরাম কাউকে সঙ্গী হিসেবে নিয়ে যাওযার সামর্থ্য হওয়ার পর বা মাহরাম কাউকে সহযাত্রী পাওয়ার পরই নারীর উপর হজ্ব ফরয হয়। আপনি স্বামীর সামর্থ্য হওয়ার অপেক্ষা করতে পারবেন। অথবা স্বামীকে নিয়ে বা স্বামীর অনুমতি সাপেক্ষে মাহরাম কারো সাথে হজ্বে যেতে পারবেন।