ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
الصَّدَقَةُ عَلَى الْمِسْكِينِ صَدَقَةٌ، وَهِيَ عَلَى ذِي الرَّحِمِ اثْنَتَانِ: صِلَةٌ، وَصَدَقَةٌ-
‘সাধারণ মিসকিনকে সাদাকাহ দিলে তা শুধু সাদাকাহ; আর অভাবী-আত্মীয়কে দেওয়া একই সঙ্গে দুটি সৎকর্ম— সাদাকাহ ও আত্মীয়তার সম্পর্ক রক্ষা।’ (সুনান নাসায়ী, হাদীস নম্বর: ২৫৮২; মুসনাদে আহমাদ, হাদীস নম্বর: ১৬২৩৫; শায়খ আলবানি ও শু‘আইব আরনাউত এর গবেষণায় হাদিসটি ‘সহিহ’)
والأولى أن يفسر الفقير بمن له ما دون النصاب كما في النقاية أخذا من قولهم يجوز دفع الزكاة إلى من يملك ما دون النصاب أو قدر نصاب غير تام، وهو مستغرق في الحاجة،
ফকিরের উত্তম ব্যখা হলো,যার নেসাব পরিমাণ মাল নেই।সুতরাং যার নেসাব পরিমাণ মালে নামী(ক্রমবর্ধমান) নাই বা যার নেসাব পরিমাণ মালে গায়রে নামী(অক্রমবর্ধমান)আছে, তবে সে হাজতে লিপ্ত, এমন ব্যক্তিকে যাকাত দেয়া যাবে।(বাহরুর রায়েক্ব-২/২৫৮) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/699
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী ভাই/বোন!
যাদের উপর যাকাত ফরয হয়নি, তারা আত্মীয় হোক বা না হোক তাদেরকে যাকাত দেয়া যাবে।
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১)আপনার ঐ আত্মীয়র উপর যদি যাকাত ফরয না থাকে, তাহলে নিকটাত্মীয় ঐ ব্যক্তিকে যাকাত দিতে পারবেন।
(২) আপনার ঐ আত্মীয়র উপর যদি যাকাত ফরয না থাকে, তাহলে নিকটাত্মীয় ঐ ব্যক্তিকে তো যাকাত দিতে পারবেন। এখানে যেহেতু ঐ ব্যক্তির ব্যবসা রয়েছে, এখন যদি ঐ ব্যক্তির নিকট নেসাব পরবমাণ মাল না থাকে, তাহলে ঐ নিকটাত্মীয় ব্যক্তিকে যাকাত দিতে পারবেন, নতুবা পারবেন না।
(৩) যদি উনার উপর যাকাত ফরয না থাকে, তাহলে তাদেরকে যাকাত দিতে পারবেন।
(৪) যারা যাকাতের ফান্ড কালেকশন করে তাদের জন্য যাকাতের টাকা গ্রহন করার সুযোগ রয়েছে।
(৫) কর্মচারিকে বেতনের বাইরে উপহার হিসেবে যাকাত থেকে টাকা বা জিনিস কিনে দেয়া যাবে।
(৬) যদি কারো উপর যাকাত ফরয না হয়, তাহলে তাকে যাকাত দেয়া যাবে।