জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته
بسم الله الرحمن الرحيم
https://ifatwa.info/55464/ নং ফাতওয়াতে উল্লেখ রয়েছে যে,
একজন মানুষ দৈনিক যত টাকাই উপার্জন করুক না কেন বৎসর শেষে যদি যাকাতের নিসাব পরিমান সম্পদ তার নিকট না থাকে তাহলে তার উপর জাকাত ফরয হবে না।
عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ: سَمِعْتُ رَسُول اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «لَا زَكَاةَ فِي مَالٍ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ»
হযরত আয়েশা রা থেকে বর্ণিতঃনবী কারীম সাঃ বলেনঃ-সম্পত্তিতে কোনো যাকাত নেই যতক্ষণ না এক বৎসর পূর্ণ হবে। (সুনানে ইবনে মাজা-১৭৯২)
عَنْ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ اسْتَفَادَ مَالًا فَلَا زَكَاةَ عَلَيْهِ، حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الحَوْلُ عِنْدَ رَبِّهِ»
হযরত ইবনে উমর রাঃ থেকে বর্ণিত নবী কারীম সাঃ বলেনঃ- বৎসরের মধ্যখানে অর্জিত সম্পদে জাকাত আসবেনা যতক্ষণ না মালিকের পূর্ণ সম্পত্তির একবৎসর পূর্ণ হবে। (জামে তিরমিযি-৬৩১)
★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে সম্পদের মালিকানা আগে নির্দিষ্ট করতে হবে। উক্ত স্বর্ণ এবং টাকার মালিক আসলে কে? আপনি? নাকি আপনার স্ত্রী? সেটি নির্দিষ্ট করতে হবে।
যদি স্বর্ণের মালিকানা একজনের হয় টাকার মালিকানা আরেকজনের হয়, তাহলে তো এক্ষেত্রে কারো উপরে জাকাত আসবে না।
আর যদি স্বর্ণ এবং টাকা উভয়ের মালিক আপনি হন বা উভয়ের মালিক আপনার স্ত্রী হয়, সেক্ষেত্রে যাকাত ফরজ হবে।
এখন বিষয় হল যেদিন আপনি নেসাব পরিমান সম্পদের মালিক হয়েছিলেন, সেদিন কোন আরবি মাস ছিল আর সে আরবি মাসের কয় তারিখ ছিল? পরবর্তী বছর সেই আরবি মাসের সেই কয় তারিখে মূলত নেছাব পরিমাণ সম্পদ আপনার কাছে থাকলে আপনার উপর যাকাত ফরজ হবে।
যদিও ঈদের সময় সেই টাকা খরচ করার আবশ্যকীয়তা থাকে,তবুও আপনার উপর যাকাত ফরজ হবে। আপনাকে বছরের সেই নির্দিষ্ট দিনে যাকাত আদায় করতে হবে।