আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
25 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (8 points)
১) স্বর্নের নিসাব তো সাড়ে সাত ভরি। এখন, আমার কাছে যদি ৪ ভরি স্বর্ন থাকে আর কিছু নগদ অর্থ ৫ হাজারের মতন। আমি কি সেই টাকা সাদাকা করে দিয়ে যাকাত আদায় থেকে মুক্ত হতে পারব? তাহলে শুধু তখন স্বর্নের হিসাব প্রযোজ্য হচ্ছে যা নিসাব পরিমাণ নয়।

২) আমার বাবা হারাম উপার্জন করে, তার থেকে কি আমি পড়াশোনার জন্য টাকা নিতে পারব? আমার যেহেতু টাকার আর কোনো সোর্স নেই।


৩) আমি একজনকে হাওলাত দিয়েছি কিছু টাকা,সে এখন সেই টাকা ফেরত দিতে চাচ্ছে। কিন্তু আমি নিশ্চিত জানি তার রোজকার হারাম। তার থেকে কি আমার সেই পাওনা টাকা নিলে আমি গুনাহগার হবো?

1 Answer

0 votes
by (634,050 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
সোনা, রূপা,টাকা,এবং ব্যবসায়িক মালে যাকাত আসে, যদি তা নেসাব পরিমাণ হয়।
স্বর্ণের নেসাবঃ৭.৫ ভড়ি।
রূপার নেসাবঃ৫২.৫ ভড়ি।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, কারো কাছে শুধুমাত্র স্বর্ণ বা শুধুমাত্র রূপা থাকলে সেটার নেসাব পূর্ণ হলেই যাকাত আসবে, অন্যথায় যাকাত আসবে না। তবে হ্যাঁ, যদি কারো নিকট স্বর্ণ এবং রূপা অথবা টাকা এভাবে থাকে যে, কোনোটিরই নেসাব পূর্ণ হয়নি, তাহলে এক্ষেত্রে রূপার নেসাবকেই মানদন্ড ধরে নেয়া হবে। 
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/121

মালে নামীতে যাকাত আসে। বিস্তারিত দেখতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/1434

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!
(১) আপনার নিকট যেহেতু ৪ ভরি স্বর্ণ নগদ ৫ হাজারের মত টাকা ছিলো। এই টাকা যদি বৎসরের শুরু এবং শেষে প্রয়োজন অতিরিক্ত হিসেবে থাকে, তাহলে আপনাকে যাকাত দিতে হবে। নতুবা আপনাকে যাকাত দিতে হবে না। আপনি যদি ঐ প্রয়োজন অতিরিক্ত টাকা সদকাহ বা গিফট করে দেন, তাহলে আপনাকে যাকাত দিতে হবে না।

(২) যেহেতু আপনার বাবা হারাম উপার্জন করেন, তার থেকে আপনি পড়াশোনার জন্য টাকা নিতে পারবেন না। হ্যা, আপনার অন্য কোনো উপায় না থাকে, আপাতত ধার হিসেবে নিতে পারবেন, যা পরবর্তীতে সদকাহ করে দিবেন। বিস্তারিত জানুন- https://www.ifatwa.info/2362

(৩) ঐ ব্যক্তির রোজকার হারাম হলেও তার কাছ থেকে আপনি আপনার প্রাপ্য গ্রহণ করতে পারবেন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...