আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
36 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (21 points)
শায়েখ আসসালামু 'আলাইকুম,,, আমি ১নং প্রশ্নটি আগেও করেছিলাম, কিন্তু এখানে প্রশ্নটি আবার একটু ইডিট করে করা হয়েছে,,,শায়েখ প্লিজ আমার প্রশ্নটির সমাধান দিয়েন

 ১/শায়েখ আমি এক ব্যক্তিকে দিয়ে একটা কাজ করিয়েছিলাম,কিন্তু তাকে টাকা দেয়া হয়েছিল না, পরে অন্য দুজনকে টাকা দিই তাকে দেয়ার জন্য এবং তারাও টাকাটি পৌঁছে দেয়ার কথা বলে,, এখন আমি জানি না তারা ঐ ব্যক্তিকে টাকা দিয়েছে নাকি টাকা মেরে দিয়েছে,এখন সন্দেহ হচ্ছে তারা দুজন অর্ধেক অর্ধেক করে টাকাটি মেরে দিতে পারে কিন্তু আমি শিউর না, আমার কাছে কোনো প্রমাণও নেই,টাকা দেওয়ার আগেও সন্দেহ হয়েছিল এবং আমার  এমনও মনে হতে পারে টাকা দেওয়ার আগে  যে তারা যদি টাকা মেরে দেয় তাহলে এর দায় তাদের উপর বর্তাবে এবং পরকালে  তাদের থেকে সওয়াব নিয়ে যে ব্যক্তি টাকা পাবে তাকে দিয়ে দিব ( একদম শিউর না মনে মনে বলেছিলাম কিনা টাকা দেওয়ার আগে),,    এবং  তাদের ভালোভাবে জিজ্ঞেস  করে টাকাটা দিয়ে দিই এবং তারাও টাকা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে, এখন আমার করণীয় কি?শায়েখ খুব পেরেশানিতে আছি এটা নিয়ে

২/শায়েখ কোন ব্যক্তি যদি আল্লাহর রাস্তায় শহিদ হয় এবং তার যদি ঋণ থাকে, যা তার পূর্বে বা পরে পরিশোধ করা হয়নি তাহলে কি তার কবরে আযাব হতে থাকে?,,,, যেতেতু হাদিস আছে,,,  আবূ হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত মুমিনের রুহ ঋণের সঙ্গে লটকানো থাকে। (তিরমিজী, হাদিস: ১০৭৮; মেশকাত হাদিস: ২৯১৫) , এছাড়া একটি হাদিসে বলা হয়েছে যে,,,এক ব্যক্তির মৃত্যুর পর ঋণ পরিশোধ  করার দায়িত্ব নিয়েছিল অন্য এক ব্যক্তি ,, কিন্তু সেই সময়েই পরিশোধ না করার কারণে তার কবরে আযাব হয়েছে,,, এ সম্পর্কে একটু বিস্তারিতভাবে জানতে চাই শায়েখ

৩/ এছাড়া শায়েখ কারো থেকে ইহকালে  সুদ নিলে তাও কি পরকালে ঋণের অন্তর্ভুক্ত হবে?

1 Answer

0 votes
by (633,930 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত।
حَدَّثَنَا آدَمُ بْنُ أَبِي إِيَاسٍ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ الْمَقْبُرِيُّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَنْ كَانَتْ لَهُ مَظْلَمَةٌ لأَخِيهِ مِنْ عِرْضِهِ أَوْ شَيْءٍ فَلْيَتَحَلَّلْهُ مِنْهُ الْيَوْمَ قَبْلَ أَنْ لاَ يَكُونَ دِينَارٌ وَلاَ دِرْهَمٌ إِنْ كَانَ لَهُ عَمَلٌ صَالِحٌ أُخِذَ مِنْهُ بِقَدْرِ مَظْلَمَتِهِ وَإِنْ لَمْ تَكُنْ لَهُ حَسَنَاتٌ أُخِذَ مِنْ سَيِّئَاتِ صَاحِبِهِ فَحُمِلَ عَلَيْهِ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের সম্ভ্রমহানি বা অন্য কোন বিষয়ে যুলুমের জন্য দায়ী থাকে, সে যেন আজই তার কাছ হতে মাফ করিয়ে নেয়, সে দিন আসার পূর্বে যে দিন তার কোন দ্বীনার বা দিরহাম থাকবে না। সে দিন তার কোন সৎকর্ম না থাকলে তার যুলুমের পরিমাণ তা তার নিকট হতে নেয়া হবে আর তার কোন সৎকর্ম না থাকলে তার প্রতিপক্ষের পাপ হতে নিয়ে তা তার উপর চাপিয়ে দেয়া হবে।(বুখারী শরীফ ২৪৪৯.৬৫৩৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২২৭০, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ২২৮৭)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1364

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি যাকে দিয়ে কাজ করিয়েছেন, তাকে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবেন সে কি টাকা পেয়েছে? সে যদি টাকা না পায়, তাহলে আপনাকে তার মজুরি বাবৎ টাকা দিতে হবে। কোননা কাজের পর মজুরি পৌছিয়ে দেয়া আপনার দায়িত্ব।  হ্যা, যাদেরকে দিয়েছিলেন, তাদের কাছে আপনার প্রাপ্য থাকবে।

(২) স্থল যুদ্ধে যদি কোনো মুজাহিদ শহীদ হন,তাহলে ঋণ/মালের খেয়ানত ব্যতীত আল্লাহ উনার সকল প্রকার গোনাহকে মিটিয়ে দিবেন,ক্ষমা করে দিবেন।ঋণ পরিশোধের সুযোগ হয়নি বা অক্ষম, এমন হলে অবশ্যই আল্লাহ ঐ ঋণকেও ক্ষমা করে দিবেন।আর কোনো কোনো বর্ণনানুযায়ী সাগরের শহীদের সকল প্রকার গোনাহকে আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন।আল্লাহ-ই ভালো জানেন। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2270

(৩)হ্যা, কারো কাছ থেকে ইহকালে সুদ নিলে, তা পরকালে ঋণের অন্তর্ভুক্ত থাকবে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by (21 points)
তার সাথে যদি আমার দেখাই না হয় তাহলে কিভাবে জিঞ্জেস করবো?

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...