আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
48 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (19 points)
আমি ৪ সপ্তাহের প্র্যাগনেন্ট। অনার্স ২য় বর্ষে পড়ি বয়স ২১ বছর। বিয়ে হয়েছে প্রায় দপর বছর আগে। আমার হাজবেন্ড-ও ছাত্র। এমবিবিএস ৩য় বর্ষে অধ্যয়নরত।
বর্তমানে আমরা দুজনই ছাত্র এবং এখনো যার যার বাসায় থাকি। দুজনের জাস্ট আকদ হয়েছে এখনো কোনো স্যোশাল অনুষ্ঠান হয়নি। আমাদের দুজনের ফ্যামিলি-ই আমাদের মধ্যে এখনি কিছু হোক বা আমরা একত্রে থাকি এটা চায় না। আমাদের কথা এমনই ছিলো যে- স্টুডেন্ট লাইফটা এভাবে সেপারেটলি-ই থাকব এবং দুয়েক বছর পর ফ্যামিলি অনুষ্ঠান করবে। আমাদের দুজনের পরিবারই তেমন দ্বীনদার নয়। বর্তমান জামানায় আরলি ম্যারিজের গুরুত্ব আর আমার নিজের দ্বীন পালনের সুবিধার জন্যই দ্বীনদার পাত্র পাওয়ায় ফ্যামিলিকে অনেক বলে বুঝিয়ে রাজি করানো হয়েছিল। তখন উভয় ফ্যামিলি থেকে শর্ত এটাই ছিল যে আমরা এখন কিছু করব না। আমার ফ্যামিলি দ্বীনদার না হওয়ায় আরোও বেশি জরুরি ছিল বিয়েটা৷ তাই এই শর্তেই ফ্যামিলি রাজি হয়।
এখন যেহেতু অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে গর্ভধারণ হয়ে গেছে, এখন কী করা যায় হুজুর?
আমরা কেউই এটা এখন চাইনি। অনেক সতর্কও ছিলাম। কিন্তু আল্লাহর ইচ্ছা।
আমরা চাই না আমাদের ফ্যামিলি এখন এটা জানুক। আমাদের ফ্যামিলি এটা মানবে না। প্রচন্ড অশান্তি হবে। আমাদের পৃথকভাবে থাকার কথা ছিল আরও কয়েক বছর। চলছিলেও ভালোভাবে, সতর্ক ছিলাম আমরা।  কিন্তু এখন এটা হয়ে যাওয়ায় কিভাবে কী করব বুঝতে পারছি না।

তাদের অনেক বোঝানোর পর তারা এই বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিলেন। দুজনের ফ্যামিলিই স্টুডেন্ট লাইফে বিয়ে করায় "সমাজ কী বলবে" এটা নিয়ে  চিন্তিত। এই মুহূর্তে যদি তারা এই বিষয়টি জানেন তাহলে ফ্যামিলিগত ভাবে অনেক সমস্যা হবে। আমাদের জন্যও খুব সমস্যা হবে।
তাই এখন বেবি নেয়ার পরিস্থিতি নেই। কী করব হুজুর? গর্ভপাত করা যাবে কিনা? সাথে আমরা চাচ্ছি এই বিষয়টা ফ্যামিলিতে একনলেজ না হোক।

1 Answer

0 votes
by (616,950 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
আল্লাহর নেযামের বিরোধীতা করে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা কখনো উচিৎ হবে এবং জায়েয হবে না।(শেষ)
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1907

গর্ভপাত সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/446

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সমাজ ও সামাজিকতার ভয়ে গর্ভপাত করানো জায়েয হবে না। আপনারা অতিদ্রুত সবাইকে জানিয়ে বিয়ের প্রচার প্রসার করে দিন। 

 لما في فتاوی الشامیة:
"وقالوا: يباح إسقاط الولد قبل أربعة أشهر ولو بلا إذن الزوج.
(قوله: وقالوا إلخ) قال في النهر: بقي هل يباح الإسقاط بعد الحمل؟ نعم! يباح ما لم يتخلق منه شيء ولن يكون ذلك إلا بعد مائة وعشرين يوماً، وهذا يقتضي أنهم أرادوا بالتخليق نفخ الروح وإلا فهو غلط؛ لأن التخليق يتحقق بالمشاهدة قبل هذه المدة، كذا في الفتح. وإطلاقهم يفيد عدم توقف جواز إسقاطها قبل المدة المذكورة على إذن الزوج. وفي كراهة الخانية: ولا أقول بالحل إذ المحرم لو كسر بيض الصيد ضمنه؛ لأنه أصل الصيد، فلما كان يؤاخذ بالجزاء فلا أقل من أن يلحقها إثم هنا إذا سقط بغير عذرها اهـ قال ابن وهبان: ومن الأعذار أن ينقطع لبنها بعد ظهور الحمل وليس لأبي الصبي ما يستأجر به الظئر ويخاف هلاكه. ونقل عن الذخيرة لو أرادت الإلقاء قبل مضي زمن ينفخ فيه الروح هل يباح لها ذلك أم لا؟ اختلفوا فيه، وكان الفقيه علي بن موسى يقول: إنه يكره، فإن الماء بعدما وقع في الرحم مآله الحياة فيكون له حكم الحياة كما في بيضة صيد الحرم، ونحوه في الظهيرية قال ابن وهبان: فإباحة الإسقاط محمولة على حالة العذر، أو أنها لاتأثم إثم القتل اهـ. وبما في الذخيرة تبين أنهم ما أرادوا بالتحقيق إلا نفخ الروح، وأن قاضي خان مسبوق بما مر من التفقه، والله تعالى الموفق اهـ كلام النهر ح." (3 / 176، مطلب فی اسقاط الحمل، باب نکاح الرقیق، ط؛ سعید)


وفي الموسوعة الفقهیة الکویتیة (۳۰/ ۲۸۵)
"وذهب الحنفیة إلی إباحة إسقاط العلقة حیث أنهم یقولون بإباحة إسقاط الحمل ما لم یتخلق منه شيء ولم یتم التخلق إلا بعد مائة وعشرین یوماً، قال ابن عابدین: وإطلاقهم یفید عدم توقف جواز إسقاطها قبل المدة المذکورة علی إذن الزوج، وکان الفقیه علي بن موسی الحنفي یقول: إنه یکره فإن الماء بعد ما وقع في الرحم مآله الحیاة، فیکون له حکم الحیاة کما في بیضة صید الحرم، قال ابن وهبان: فإباحة الإسقاط محمولة علی حالة العذر أو أنها لا تأثم إثم القتل."


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...