<?xml version="1.0" encoding="utf-8"?>
<rss version="2.0">
<channel>
<title>Islamic Fatwa - Recent questions and answers</title>
<link>https://ifatwa.info/qa</link>
<description>Powered by Question2Answer</description>
<item>
<title>একটিভ ইনকাম না থাকলে স্বর্ণ বিক্রি করে কুরবানি দিতে হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/144172/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ &amp;nbsp;উস্তায&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এক বোনের কাছে ১৮ ভরি স্বর্ণ আছে। বাবা মা নেই এবং সম্পত্তি ভাইবোনেদের মাঝে ভাগ হয়নি। উনার একটিভ ইনকাম নেই। ঘর ভাড়া থেকে মাসে ১০/১২ হাজার টাকার মত আসে যেটা উনার মেয়ের পিছনে এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে খরচ হয়ে যায়। উনার এ বছর যাকাত এসেছিল ৯৮০০০ টাকা যা থেকে এখন পর্যন্ত ১০০০০ দেয়া হয়েছে। এখন কি উনার স্বর্ণ বিক্রি করে কুরবানি দিতে হবে?&lt;br /&gt;
[উনার হাজব্যান্ড এবং ভাই কুরবানী দেন]&lt;br /&gt;
যদি প্রতিবার স্বর্ণ বিক্রি করে যাকাত এবং কুরবানি দিতে হয়, তাহলে তো একটা পর্যায়ে গিয়ে উনিই যাকাতের হক্বদার হয়ে যাবেন।</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144172/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 15:00:14 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>এতে কি ঈমানে সমস্যা হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/144171/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। আমার স্বামী মনে করে ইসলামি ব্যাংক ব্যবসা করে ওখান থেকে মুনাফা দেয়।সবসময় বলে সব ব্যাংক বলে দেয় এত পার্সেন্ট মুনাফা দিবে কিন্তু ইসলামি ব্যাংক বলে না।আমি যদি বলি অনেক হুজুররা বলে এটা হালাল না।সে তখন বলে এটা নিয়ে জানি না তবে অন্য &amp;nbsp;গুলো সরাসরি সুদ দেয় ইসলামি ব্যাংক বলে এরা ব্যবসায় কাজে লাগিয়ে দেয়।হয়ত সে হালাল ভাবতে পারে।এতে কি ঈমানে সমস্যা হবে তার? সে এটা নিয়ে বিস্তারিত জানে না আমি বুঝাতেও পারি না।আমি ব্যাংক এ চাকরী করার কোন ইচ্ছে নাই বললেও এটা বলত।মানে ইসলামি ব্যাংক এর এসব।আমি তবু করব না বললে কোন জোরাজোরি করত না এমনিতে বলত।</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144171/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 14:26:58 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>আগের প্রশ্ন নিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144169/</link>
<description>&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/143726/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/143726/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এভাবে গালি দিলে ঈমানে না বৈবাহিক কোন সমস্যা হয় কিনা ওটা জিজ্ঞেস করা হয়েছিল হুজুর।আর এমন স্বামী ধরেন জানেও না যিহার কি।কোনদিন তালাকের নিয়তে কিছু বলেছে কিনা জিজ্ঞেস করলেও না না বললে। আর কি কিছু জিজ্ঞেস করা উচিত নাকি এতটুকুতে থাকা উচিত? যিহার কি এসব জানেও না কোনদিন বলাও হয় নি।বেশি বলতে গেলে সমস্যা ও হতে পারে মানে রাগার।আল্লাহ ভালো জানে রাগতে পারে কিনা ওটা।সে ভয়ে ধরেন স্ত্রী কিছু বলতে চায় না। এতে কি সমস্যা হয়?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144169/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 13:27:27 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কুরবানী করা কি ওয়াজিব হবে আমাদের জন্য</title>
<link>https://ifatwa.info/144168/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম। আমার হাজবেন্ড এর চাকরি চলে গেছে। &amp;nbsp;আমরা ঢাকা শহরে ভাড়া বাসায় থাকি। আমার হাজবেন্ড এর অনেক ধার, ঋণ করা আছে।আমার হাজবেন্ড এর কাছে কিছু টাকা জমা করা আছে তা দিয়ে কোনমত ৪ মাস চলা যাবে আমাদের। &amp;nbsp;এমতাবস্থায় আমাদের কুরবানি করা কি ওয়াজিব?</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144168/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 11:46:46 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের এই আমলটি সত্যিই কার্যকরী কিনা</title>
<link>https://ifatwa.info/144167/</link>
<description>আসসালামুয়ালাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু,, আমার প্রশ্ন হচ্ছে নিচের এই আমল কি সত্যিই কার্যকরী কিনা? এই আমল কি করা যাবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতের দুআ কবুলের আমল।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
১১ বার ইস্তেগফার, ১১ বার দুরুদ শরীফ, ১১ বার আয়াতুল কুরসি ও পুনরায় ১১ বার দুরুদ শরীফ পাঠ করে, ১০০০ হাজার বার ইয়া-সামীউ আল্লাহর এই পবিত্র গুণবাচক নামটি পাঠ করতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরপর ফজরের আজান দেওয়ার সাথে সাথেই ফজরের দু রাকাআত সুন্নত আদায় করে ১১ বার দুরুদ শরীফ, ১১ বার আয়াতুল কুরসি ও পুনরায় ১১ বার দুরুদ শরীফ পাঠ করে ফজরের দু রাকাআত ফরজ নামাজ আদায় করে মুনাজাতে সবকিছু আল্লাহকে বলতে হবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে এভাবে টানা ১১ দিন করবেন। যে কোনো হাজত এর জন্য আমলটি করতে পারবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
শর্ত হলো এই ১১ দিন তাহাজ্জুদ নামাজ বাধ্যতামুলক আদায় করা অপরিহার্য। অবশ্যই দু'চার রাকাআত তাহাজ্জুদ নামাজ আদায় করতে হবে। তাহলে অতি দ্রুত ফল পাবেন আল্লাহ আপনার দোয়া কবুল করবেন।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
খুবই পরিক্ষিত একটি আমল আলহামদুলিল্লাহ এই পর্যন্ত অনেকেই আমলটি করে ১১ দিনের আগেই ফল পেয়েছেন।</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144167/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 10:08:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>নিয়ত ছাড়া বললে কি কোন তালাক হয়??.....</title>
<link>https://ifatwa.info/144166/</link>
<description>&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/144134/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/144134/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কোন মানুষ যদি ঝগড়ার সময় রাগে বলে তুর সাথে আমি কেন কোন মানুষ ওই থাকতে পারবে না।আমিও পারব না।চলে যা আজ থেকে আমি আর তুই আলাদা বা আমাদের রাস্তা আলাদা। এভাবে নিয়ত ছাড়া শুধু রাগে বললে কি তালাক হয়?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144166/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 08:16:08 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: সমতল জায়গা না থাকলে নামাজ হবে কীনা</title>
<link>https://ifatwa.info/144103/?show=144164#a144164</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/6442/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/6442/&lt;/a&gt; নং ফাতওয়ায় উল্লেখ রয়েছে যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান অনুযায়ী তোষকের ওপর নামাজ শুদ্ধ হওয়ার জন্য শর্ত হলো, কপালকে শক্ত জায়গা পর্যন্ত চাপিয়ে নিতে হবে। যাতে চাপ দিলে আর নিচে না যায়, অন্যথায় নামাজ শুদ্ধ হবে না। (রদ্দুল মুহতার: ১/৪৫৪, মাজমাউল আনহুর: ১/১৪৮, আহসানুল ফাতাওয়া: ৩/৪৩২, ফাতাওয়ায়ে ফকীহুল মিল্লাত: ৩/৩৫৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কপাল দ্বারা যখন সিজদা দেয়া হবে, তখন যমিনের শক্ততা অনুভব করতে হবে। যদি যমিনের শক্ততা অনুভব করা না যায়, তাহলে সিজদা হবে না এবং নামাযও হবে না। যমিনের শক্ততা অনুভব করা গেলে নামায বিশুদ্ধ হবে। হযরত আনাস রাযি. থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حديث أنس رضي الله عنه قال : ( كنا نصلي مع رسول الله صلى الله عليه وسلم في شدة الحر ، فإذا لم يستطع أحدنا أن يمكن جبهته من الأرض يبسط ثوبه فيسجد عليه ) رواه البخاري ومسلم ،&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আমরা রাসূলুল্লাহ সা. এর সাথে প্রচন্ড গরমের সময় নামায পড়তাম। যখন গরমের কারণে যমিনে সিজদা দেওয়া সম্ভব হত না। তখন আমরা নিজ কাপড় বিছিয়ে, তার উপর সিজদা দিতাম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/6411/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/6411/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★সুতরাং প্রশ্নে উল্লেখিত ছুরতে আমাদের মসজিদ গুলোতে শীতের সময় কার্পেট বিছানো হয়। এগুলো সাধারণত যথেষ্ট মোটা হয়ে থাকে, যেন ঠান্ডা না লাগে। এটা সাধারণত অনেক শক্তই হয়ে থাকে, তেমন তোষকের মতো নরম নয়, তাই এইরকম কার্পেটের উপর কি নামায হবে, কোনো সমস্যায় নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হ্যাঁ যদি খুব নরম হয়, আর খুব মোটা হয়, তাহলে সেজদার কপাল যথেষ্ট চাপ দিয়ে রাখতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে যদি সেজদার সময় কপাল যথেষ্ট চাপ দিয়ে সেজদা দিয়ে থাকেন তাহলে নামাজ হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। &lt;/div&gt;</description>
<category>সালাত(Prayer)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144103/?show=144164#a144164</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 07:42:22 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>আমার উপর কুরবানী ওয়াজিব কিনা? এবং বর্তমানে কতটাকা থাকলে কুরবানী ওয়াজিব হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144163/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।&lt;br /&gt;
আমার কাছে ১০.৫ আনা স্বর্ণ(২১ক্যারেট) এবং ২ভরি রূপা (কত ক্যারেট জানা নেই) এবং নগদ ২৫ হাজার টাকা আছে।সেক্ষেত্রে আমার উপর কি কুরবানী ওয়াজিব? এ বছর কুরবানীর নিসাব কত টাকা, যা থাকলে কুরবানী ওয়াজিব হয়?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
জাযাকাল্লাহু খইরন</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144163/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 07:38:52 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: পিরিয়ডের শেষ</title>
<link>https://ifatwa.info/144096/?show=144162#a144162</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/43176/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/43176/&lt;/a&gt;  নং ফাতাওয়াতে আমরা বলেছি যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রথমেই কিছু মাসয়ালা জেনে নেইঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;শরীয়তের বিধান অনুযায়ী হায়েযের সর্বনিম্ন সময়সীমা ৩ তিন, আর সর্বোচ্চ সময়সীমা ১০দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ১০দিনের ভিতর লাল, হলুদ, সবুজ, লাল মিশ্রিত কালো বা নিখুত কালো যে কালারের-ই পানি বের হোক না কেন তা হায়েয হিসেবেই গণ্য হবে। যতক্ষণ না নেপকিন সাদা নজরে আসবে। (বেহেশতী জেওর-১/২০৬) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হায়েজের দিন গুলোতে যেই কালারেরই রক্ত হোক, সেটি হায়েজের রক্ত বলেই গন্য হবে। উক্ত সময় নামাজ রোযা ইত্যাদি আদায় করা যাবেনা। (কিতাবুল ফাতওয়া ২/৭৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তবে স্পষ্ট সাদা কালারের কিছু বের হলে সেটাকে হায়েজ বলা যাবেনা। (ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়াহ ২/৮৩৩)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/9904/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/9904/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★শরীয়তের বিধান অনুযায়ী তুহর তথা দুই হায়েজের মাঝে পবিত্রতার সর্বনিম্ন সীমা পনেরো দিন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই পনেরো দিনের মধ্যে কোনো রক্ত আসলে সেটি হায়েজ নয়, বরং সেটি ইস্তেহাজা তথা অসুস্থতা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই সময়ে নামাজ রোযা আদায় করতে হবে।   &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উম্মে আলক্বামাহ তথা মার্জনা (مَوْلاَةِ عَائِشَةَ) হইতে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أم علقمة أَنَّهَا قَالَتْ : &quot; كَانَ النِّسَاءُ يَبْعَثْنَ إِلَى عَائِشَةَ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ بِالدُّرْجَةِ فِيهَا الْكُرْسُفُ فِيهِ الصُّفْرَةُ مِنْ دَمِ الْحَيْضَةِ يَسْأَلْنَهَا عَنْ الصَّلَاةِ فَتَقُولُ لَهُنَّ لَا تَعْجَلْنَ حَتَّى تَرَيْنَ الْقَصَّةَ الْبَيْضَاءَ تُرِيدُ بِذَلِكَ الطُّهْرَ مِنْ الْحَيْضَةِ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেনঃ (ঋতুমতী) স্ত্রীলোকেরা আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট ঝোলা বা ডিবা (دُرْجَة) পাঠাইতেন, যাহাতে নেকড়া বা তুলা (كُرْسُفْ) থাকিত। উহাতে পাণ্ডুবৰ্ণ ঋতুর রক্ত লাগিয়া থাকিত। তাহারা এই অবস্থায় নামায পড়া সম্পর্কে তাহার নিকট জানিতে চাহিতেন। তিনি [আয়েশা (রাঃ)] তাহাদিগকে বলিতেনঃ তাড়াহুড়া করিও না, যতক্ষণ পর্যন্ত পূর্ণ সাদা (বর্ণ) দেখিতে না পাও। তিনি ইহা দ্বারা ঋতু হইতে পবিত্রতা (طُهْر) বুঝাইতেন। (মুয়াত্তা মালিক-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;فَإِنْ لَمْ يُجَاوِزْ الْعَشَرَةَ فَالطُّهْرُ وَالدَّمُ كِلَاهُمَا حَيْضٌ سَوَاءٌ كَانَتْ مُبْتَدَأَةً أَوْ مُعْتَادَةً&lt;/div&gt;&lt;div&gt;মাঝেমধ্যে হায়েয হওয়া আবার মাঝেমধ্যে বন্ধ হওয়া, দশ দিনের ভিতর সবকিছুই হায়েয হিসেবে গণ্য হবে। চায় এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন ঐ মহিলা প্রথমবার হোক বা এ ব্যাপারে অভ্যস্ত থাকুক। (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৭, কিতাবুল-ফাতাওয়া-২/১০৮, কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/১৭২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ উভয় হায়েজের মাঝে কমপক্ষে পনেরো দিন পবিত্রতা ধরতে হবে। হায়েজ শেষ হওয়ার পরদিন থেকে পনেরো দিন গণনা করা হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এই পনেরো দিনের মধ্যে কোনো রক্ত আসলে সেটাকে ইস্তেহাজা তথা অসুস্থতা ধরতে হবে। নামাজ রোযা আদায় করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১-২. আপনি প্যাড ব্যবহার করে সেটার প্রতি লক্ষ্য করবেন, যদি স্পষ্ট সাদা আসে, তাহলে তো এটি হায়েজ নয়। নামাজ আদায় করতে হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর যদি প্যাডে হালকা বাদামি রঙ মনে হয়, সেক্ষেত্রে সেটিকে হায়েজ ধরবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি প্যাড দেখার পরেও আপনি সন্দিহান হোন যে সাদা কিনা? সেক্ষেত্রে প্রশ্নের বিবরন মতে আপনার গত মাসে যে অভ্যাস ভাবে ৮ দিন ব্লিডিং থাকে, সেই হিসাবে এই মাসে আপনি ৮ দিন হায়েজ ধরবেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো বিস্তারিত জানুন - &lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/110155/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/110155/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;</description>
<category>পবিত্রতা (Purity)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144096/?show=144162#a144162</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 07:34:55 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>শুধু মেয়ে কাজিনরা মিলে বিয়ের আগের দিন আনন্দ করা নিয়ে</title>
<link>https://ifatwa.info/144161/</link>
<description>বিয়ের আগের রাতে শুধু মেয়েরা&amp;amp;mdash;কাজিন বোনেরা মিলে, কোনো ধরনের ফ্রি-মিক্সিং ছাড়া, কোনো গায়ে হলুদ বা হলুদ লাগানো ছাড়াই, শুধু হলুদ শাড়ি পরে একসাথে কেক কাটা, খাবার খাওয়া, &amp;amp;ldquo;মেহেদী নাইট&amp;amp;rdquo; বা এ ধরনের লেখা দিয়ে ছোট আয়োজন করা এবং আয়োজনের স্মৃতি হিসেবে ছবি তোলা&amp;amp;mdash;এসব কি ইসলামে জায়েজ?&lt;br /&gt;
এক্ষেত্রে অনুষ্ঠানটি যদি সম্পূর্ণ মেয়েদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং সেখানে ইসলামবিরোধী কোনো কাজ না থাকে, তাহলে এটি কি বৈধ হবে, নাকি এতে গুনাহগার হব?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144161/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 07:06:11 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>বিয়ের বৈধতা সম্পর্কে</title>
<link>https://ifatwa.info/144160/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ&lt;br /&gt;
আমাদের বিয়ের আগে নিজেরদের মধ্যে ৩_৪ মাস কথা হয়েছে,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তখন থেকে আমার মধ্যে দ্বীনের প্রভাব আসতে শুরু করেছে,তখন একেবারে নতুন পর্যায়ে, দ্বীন জানতে পারবো এমন কেউ ছিলো না,ফ্যামিলি ও দ্বীনি নয়, ৩_৪ মাস পর আমরা বিয়ের স্বীদ্ধান্ত নি,কথাবার্তা ছাড়া অন্য কোন হারাম কাজ আমাদের মধ্যে হই নি, আমার স্বামী তার পরিবার কে জানানোর পর তারা আমার পরিবারের আর্থিক অবস্থা শুনে নিষেধ করে দেয়,তারা চাইছে মেয়ের আর্থিক অবস্থা ভালো এরকম মেয়ে&lt;br /&gt;
এদিকে আমার পরিবারকে সব বুঝিয়ে বলি আমার বিয়ের ও যথেষ্ট বয়স হয়ে গেছে,গোনাহের দিকে পা বাড়াতে &amp;nbsp;চাচ্ছি না,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আমার বাবা _ মা রাজি ছিলো,বাবা অনুমতি দিয়েছে কিন্তু উপস্থিত ছিলো না,,আমার স্বামীর বাবা রাজি ছিলো না বিধায় সে পরিবার ছাড়া বিয়ে করে,সাক্ষী দুইজন ছিলো,মোহর ও ধার্য হয়েছে,ইজাব- &amp;nbsp;কবুল ও &amp;nbsp;হয়েছে,সাক্ষী দুইজন পুরুষ ছিলো,&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের বিয়েটা বৈধ কিনা?</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144160/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 06:43:19 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কুরবানির সময় পশুদের বিধর্মীদের নামে নাম করণ করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। যেমন ট্রাম্প , নেতানিয়াহু। এগুলো কতটুকু শরীয়ত সম্মত ?</title>
<link>https://ifatwa.info/144157/</link>
<description>আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ , প্রিয় শায়েখ , আশা করি আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। এখন বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে হযরতের কাছে একটা প্রশ্ন হচ্ছে , আমরা এখন দেখতে পায় কুরবানির সময় পশুদের বিধর্মীদের নামে নাম করণ করে বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। যেমন ট্রাম্প , নেতানিয়াহু।&lt;br /&gt;
১. এগুলো কতটুকু শরীয়ত সম্মত ?&lt;br /&gt;
২. আর কুরবানির সমস্ত শর্ত পশুর মধ্যে থাকার পরেও নামের কারণে কুরবানী হবে কিনা ?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
কুরআন হাদিস থেকে একটু বিস্তারিত জানানোর জন্য হযরতের কাছে সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি। হযরতের কাছে আমার জন্য দোয়ার দরখাস্ত। &amp;nbsp;আচ্ছালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ।</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144157/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 05:11:57 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পর্কিত কিছু প্রশ্ন</title>
<link>https://ifatwa.info/144156/</link>
<description>1. কনে শাড়ি পরে মাথায় হিজাব করে হালকা সাজগোজ করে মুখ খোলা রাখতে পারবে?উল্লেখ্য শুধু মেয়েরা দেখতে পারবে +কেউ ছবি ও তুলবে না....আর কনের বাবা ভাই এরা দেখতে পারবে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
2.স্বামীর বাড়িতে যাওয়ার সময় কালো বোরকার +খিমার এর ওপরে সারির সাথে যে বউ উড়না থাকে ঐটা পরে যাওয়া যাবে নাকি?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
3. বিয়েতে ছেলের বাড়ি থেকে কিছু চাই নি।এখন আম্মু বলছে সে নাকি কোথায় শুনেছে যে বালিশ তোষক এসব দেওয়া নাকি সুন্নত।এটা সম্পর্কে জানতে চাচ্ছি।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যদি সুন্নত না হয় বাবা মা খুশি মনে এগুলো দিলে কি না জায়েজ হবে??&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
4. বরপক্ষ কে মেয়েরা খাওয়ায় এই নিয়ম আমাদের দেশে আছে সাথে কিছু টাকা দাবি করে মজা করে। এটা যদি ছেলেরা খাওয়ায় তাহলে কোনো সমস্যার কারণ আছে? এই অবস্থায় টাকা লেন দেন ব্যাপার যদি আগে থেকে সমযথা করা থাকে।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এরূপ গেট এ টাকা নেওয়া বাসর ঘরে টাকা নেওয়া এগুলো সব এ আগে থেকে যদি ঠিক করা থাকে+সাথে বরপক্ষ ও এটা খুশি মনে দেয় এবং কোন পক্ষ ও খুশি মনে দেয়।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এগুলো কি জায়েজ হবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
5. অনুষ্ঠান এ যদি ছেলে মেয়ে খাওয়ার আলাদা ব্যবস্থা করা হয় কিন্তু সবাই এগুলো মানবে না।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
তারা একে অন্যে কথা বললে বা ফ্রী মিক্সিং বা বেপর্দা ভাবে আসলে তাহলে কি আমদের এ গুনা হবে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
যেহেতু সবাই পর্দা করে না ।</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144156/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 05:11:39 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>হুজুর এটা পুরোটা পরে একটু বলবেন কোন সমস্যা হয় কিনা বৈবাহিক</title>
<link>https://ifatwa.info/144155/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। কোন মহিলাকে তার মা যদি বলে স্বামীকে ছেড়ে চলে আসতে বা সংসার না করতে।মেয়েও যদি বলে আচ্ছা। এরপর মেয়ে যদি বলে এবার বিয়ে দিলে কোন মওলানা দেখে দিয়েন মানে যদি ডিভোর্স হয় এরপর আরকি।কিন্তু পরে সব ঠিক হয়ে গেলে মানে ডিভোর্স না হলে স্ত্রীর কথার দ্বারা কি কোন সমস্যা হয়? মানে তালাকের পাওয়ার দিলে স্ত্রী এমনিতে &amp;nbsp;এভাবে বললে?এর আগে এটাও বলেছে মাকে আর খালাকে যে ওর অনেক ছবি আছে স্বামীর কাছে।যেসব নেটেও দিতে পারে।কিন্তু মা বাবা যেমব বলে করবে কিন্তু পরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নেয় স্বামীর সাথে থাকবে।এরপর কিছুক্ষণ পরে বা একটু পরে গিয়ে স্বামীকে কল দেয়,&lt;br /&gt;
স্ত্রী যদি বলে আমাকে ভুলে থাকতে পারবা?তহ এরপর স্বামী যদি বলে না।কিন্তু স্ত্রী তালাক চায় নি।কিন্তু কথার পরিবেশ এমন ছিল সিদ্ধান্ত নেওয়া তালাক দিবে কিনা নাকি থাকবে।কিন্তু একবার ও স্ত্রী তালাক চায় নি।এটা বলতেছিল যে স্বামীর সাথে থাকলে মা বাবার সংসার ভেঙে যাবে তাই থাকতে পারবে না কিন্তু পরে সিদ্ধান্ত নিয়ে মানে বাবার সাথে কথা বলে জানাবে কিন্তু তালাক চায় নি একবার ও।কারণ তালাক চায়লে স্বামী নিয়ত ছাড়া বললেও তালাক হয়ে যাবে ভেবে।স্বামী ধরেন বারবার বুঝাচ্ছিল সে স্ত্রীকে চায়।আর স্ত্রী ও কি করবে বুঝতে পারিতেছিল না।কি স্বামীর সাথে থাকবে নাকি মা বাবার কথা শুনবে।তারপর স্বামী যদি বলে তুমার ভালোর জন্য যদি তুমাকে ছেড়ে দিতে হয় তাহলে দিব।এরপর যদি বলে দেখ কি বলে তুমার বাবা যেটা বলে সেটা কর মানে ভবিষ্যতে কথা বলবে আর তখন করতে বললে এতে কি কোন সমস্যা হয়???...? পরে আবার সবকিছু ঠিক হয়ে একে অপরের সাথে থাকলে মানে সে সিদ্ধান্ত নিলে ঠিকি? মূলত ধরেন কেউ চায় না তালাক হোক।আর ধরেন স্বামী এটাও বলেছিল কি বলে দেখ তুমার বাবা বাসায় পরে জানাবে মানে ডিভোর্স হয়ে গেলে অনেক বছর পর গিয়ে তার বাসায় জানাবে এমনটা।এর কিছুদিন কেনায়া শব্দ নিয়ে জানার পর ভয়ে এমন হলে স্ত্রীর মানে তাদের সম্পর্ক ঠিক আছে কিনা তারউপর বাবা মায়েট এমন আচরণ তাহলে কি কোন সমস্যা হয়?স্বামী ধরেন এটার পর বারবার বলত তুমি কিভাবে আমাকে ছেড়ে দিতে চায়ছ?মূলত ফোনে কথা হয়েছিল।মেয়ে বলতেছিল বাবার সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিবে তবু তালাক চায় নি তার মনে হচ্ছিল হয়ত যদি সবকিছু ভাল হয়ে যায়।তার বাবা মা চাচ্ছিল সংসার না করাতে কিন্তু তবু স্ত্রী বাবার সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নিবে এমনটা বলতেছিল তার বারবার মনে হচ্ছিল যদি সবকিছু ভালো হয়ে যায় ।স্বামী বুঝতেছিল স্ত্রী তাকে ছেড়ে দিতে চাচ্ছে কিন্তু স্বামী এটাও বুঝাচ্ছিল সে ছেড়ে দিতে চায় না তবু যদি দিতে হয় দিবে।বাসায় বলবে মানে তার বাসায় পরে বলবে।তারপর বলে তুমার বাবা কি বলে সেটা কর।কথা শেষে স্বামী বলে বান্ধবীর সাথে কথা বলতে মেয়েটা বলে আর সবকিছু বলে আর এটাও বলে স্বামী বলেছে যদি তালাক দিতে হয় দিবে, বান্ধবী সাহস যোগায় আর বলে যা হবে হোক সংসার করতে।এটা নিয়ে সাহস পায় আর স্বামীকেও বলে সে সংসার করবে আর বাবাকে এটাই বলবে।এসব ফোনে সবকিছু।স্বামী আবার বলে দেখ কি বলে তুমার বাবা যেটা বলে কর।স্ত্রী বাবাকে বলে আমি আমার স্বামীর সাথে থাকতে চায়।&lt;br /&gt;
মূলত পরে সিদ্ধান্ত হয় ঐদিন যে স্ত্রী স্বামীকে চায়।উপরের গুলো এমনিতে আলোচনা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া।কেউ কাউকে ছাড়তে চায় না।কথার মাঝে এটাও বললে স্ত্রী যে সব ছবি আছে সব ডিলেট করে দিতে স্ত্রীর।স্বামী যদি বলে তুমার ছবি দিয়ে কিছু করব না ছবি দিয়ে তুমাকে ব্ল্যাকমেইল করার ইচ্ছে নাই অনেকে বলেছিল করতে কিন্তু না করব না।এসব উপরের কথা গুলো বলার মাঝে বললে কি কোন সমস্যা হয়?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144155/</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 03:46:04 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ডিভোর্স লেটার ও মেসেজে তালাক দিলে তালাক হয় কিনা?</title>
<link>https://ifatwa.info/144127/?show=144154#a144154</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم  &quot; ثَلاَثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ النِّكَاحُ وَالطَّلاَقُ وَالرَّجْعَةُ &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তিনটি বিষয় এমন যেগুলির যথার্থ তো যথার্থই এমনকি সেগুলোর কৌতুকের ব্যবহারও যথার্থ: বিবাহ, তালাক, রাজআত। - ইবনু মাজাহ ২০৩৯, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ১১৮৪ [আল মাদানী প্রকাশনী]&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) স্বামী যদি তার স্ত্রীর নিকট তালাক নামা প্রেরণ করে, তাহলে স্ত্রীর দস্তখতের কোনো প্রয়োজনীয়তা নাই, বরং অটোমেটিক তালাক পতিত হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২) যদি কোনো আপুকে তার হাজবেন্ড মেসেজে তিনবার &quot;তালাক&quot; লিখে। তাহলে এদ্বারাও তিন পতিত হয়ে যাবে।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144127/?show=144154#a144154</guid>
<pubDate>Thu, 14 May 2026 00:56:21 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: Sura mulk ar sura bakara</title>
<link>https://ifatwa.info/144136/?show=144153#a144153</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু-হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أبي هريرة رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال : ( إِنَّ سُورَةً مِنْ الْقُرْآنِ ثَلَاثُونَ آيَةً ، شَفَعَتْ لِرَجُلٍ حَتَّى غُفِرَ لَهُ ، وَهِيَ سُورَةُ تَبَارَكَ الَّذِي بِيَدِهِ الْمُلْكُ )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,কুরআনের একটি সূরা যার ত্রিশটি আয়াত রয়েছে,ঐ সূরাটি তার তেলাওয়াতকারীর জন্য মাগফিরাতের দু'আ করবে।এই সূরাটি হল,সূরা মূলক।(সুনানু তিরমিযি-২৮৯১,মসনদে আহমদ-৭৯১৫) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/1830&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1830&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;দিনের বেলায় সূরা মূলক পড়লেও হবে। সওয়াবে কোনো তারতম্য হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144136/?show=144153#a144153</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 23:39:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: doya kore jobab diben hujur?</title>
<link>https://ifatwa.info/144132/?show=144152#a144152</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144132/?show=144152#a144152</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 23:35:19 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এসবের  কারণে কি করে সমস্যা হয়?আলোচনাটা একটু লম্বা এটার জন্য দুঃখিত</title>
<link>https://ifatwa.info/144133/?show=144151#a144151</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা হল এমন এক মানসিক রোগ যা একজন মুসলমানকে বিভ্রান্ত করার জন্য শয়তানের পক্ষ থেকে মনের মধ্যে আসা কুমন্ত্রনার ফাঁদ। এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা এখন কম নয়।  কিন্তু এই রোগ সম্পর্কে ধারনা বা ইলম-জ্ঞান না থাকার ফলে একজন সাধারন ব্যক্তি ধীরে ধীরে মানসিক রোগীতে পরিণত করতে পারে। কারণ শুরুতেই যদি এর চিকিৎসা করা না হয়, তাহলে এটি বাড়তে থাকে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;আমরা আমাদের বিগত সহস্রাধিক প্রশ্ন রিসার্চ করে দেখেছি যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি বিভিন্ন মাস'আলা মাসায়েল বা ফাতাওয়া অধ্যায়ের প্রশ্ন-উত্তর ঘাটাঘাটি করে আরও বেশি ওয়াসওয়াসাতে আক্রান্ত হয়ে যায়। এবং প্রশ্নের উত্তর হল একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের রোগ বৃদ্ধির খোরাক। এবং একটা প্রশ্ন উত্তর পাওয়ার পর একজন ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত ব্যক্তি ক্রমাগত একই প্রশ্ন বারবার ঘুরিয়ে পেচিয়ে শতাধিকবার করতে থাকেন।  যেটা উনাকে বরং ক্রমাগত অধিকতরও খারাপের দিকে নিয়ে যেতে থাকে। &lt;br&gt;
বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, ওয়াসওয়াসা আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে নিচের দেওয়া বাধ্যতামূলক সুস্থ হওয়ার কোর্সটি কমপ্লিট না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে না । &lt;br&gt;
এবং আমরা আশা করছি এবং আল্লাহর উপর ভরসা রেখে বলছি, যারা নিচের এই কোর্সটি করবেন ইনশাআল্লাহ সুস্থ হয়ে যাবেন। &lt;br&gt;
আর কোর্সের ভিতরে একটা অংশে আমাদের মুফতি সাহেবদের সাথে সরাসরি জুম মিটিংয়ের মাধ্যমে প্রশ্ন-উত্তরের ব্যবস্থা থাকবে। আল্লাহ তা'আলা  আমাদেরকে সমস্ত শারীরিক ও মানসিক রোগ থেকে হেফাজত করুক।আমীন।চুম্মা আমীন।&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://idaars.com/courses/waswasa&quot;&gt;https://idaars.com/courses/waswasa&lt;/a&gt;/&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিঃদ্র&lt;br&gt;
ওয়াসওয়াসা কোর্স সম্পন্ন করার পর অফিস থেকে একটি কোড দেয়া হবে, সেই কোড উল্লেখ পূর্বক পোষ্ট করতে হবে।নতুবা ওয়াসওয়াসা রোগীদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেয়া হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;⤵⤵⤵⤵⤵&lt;br&gt;
রুকইয়াহ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রশ্ন এবং ফ্রি সেশনের জন্য নিচের গ্রুপে জয়েন করুন &lt;br&gt;
⤵ গ্রুপ লিংক:&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র ভাইয়েরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&quot;&gt;https://t.me/+a3SPcX3nsSpkYmY1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র ভাইদের জন্য। মেয়ে আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;br&gt;
✅ শুধুমাত্র বোনেরা এই গ্রুপে জয়েন করবেন:&lt;br&gt;
&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&quot;&gt;https://t.me/+iOj_6aT9_7k2OGI1&lt;/a&gt;&lt;br&gt;
(এই গ্রুপটি শুধুমাত্র বোনদের জন্য। পুরুষ আইডি দিয়ে কেউ জয়েন করলে তাকে রিমুভ করা হবে।)&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144133/?show=144151#a144151</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 23:33:56 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>পিরিয়ডের পর পবিত্রতা নিয়ে সন্দেহ</title>
<link>https://ifatwa.info/144150/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম উস্তাদ।&lt;br /&gt;
পিরিয়ড ভালো হয়ে যায় ৫-৬দিনেই।এরপরে কোনো ফ্লো থাকে না।কোনো স্রাব আসে না।১০-১২ ঘন্টা অপেক্ষা করার পর স্রাব দেখা যায় হালকা,কিন্তু ঐটাতে কোনো রং থাকে না,স্বচ্ছ থাকে।কোনো রঙিন স্রাব না দেখায় গোসল করে পবিত্র হওয়ার পর ২-৩ ওয়াক্ত নামায পড়ে ফেললে,যোনিমুখে রাখা টিস্যুতে শুধু একটা ব্রাউন বিন্দুর মতো দেখা যায়।বাইরে নিজে থেকে কোনো স্রাব আসেনা,শুষ্ক থাকে।কিন্তু জরায়ুর একটু ভিতরে টিস্যু নিলে বা আংগুল দিয়ে জরায়ুর গভীরে প্রবেশ করালে সেটাতে ঘিয়া বা হালকা স্বচ্ছ ছায় কালার সুতার মতো দেখা যায়।যেহেতু এটা নিজে থেকে ভেসে বাইরের দিকে আসেনা পিরিয়ডের স্রাবের মতো,সেহেতু এটাকে কি পিরিয়ড ধরা যাবে?আর ৩-৪ দিন এমন শুষ্ক থাকে যোনিপথ।পরিপূর্ণ সাদাস্রাব আসা শুরু হয় পিরিয়ড ভালো হওয়ার আরও ৩-৪ দিন পর।এই ৩-৪ দিন কি তাহলে নামায-রোযা ছাড়া থাকব?&lt;br /&gt;
(২)সাদাস্রাব দেখে পবিত্র হয়ে গোসলের পর অনেক সময়ই আবার ৩-৬ ঘন্টা পর ঘিয়া বা ফ্যাসকা হালকা হলুদ স্রাব দেখা যায় ১-২টা সুতার মতো।এরপরে আর কিছু দেখা যায় না।তখন কি আবার গোসল করতে হবে।&lt;br /&gt;
বিদ্র:পিরিয়ডের সব মাসআলা আমি জানি,পড়েছি অন্বকবার।কিন্তু আমার পবিত্রতা নির্ণয় করতে প্রত্যেক মাসেই দ্বিধায় পরে যাই।</description>
<category>পবিত্রতা (Purity)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144150/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 23:26:26 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ব্যাখ্যা জানার দরকার ছিল</title>
<link>https://ifatwa.info/144098/?show=144149#a144149</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;خير لنا و شر علي أعدائنا والحمدلله رب العالمين&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(ভালো আমাদের জন্য,খারাপ আমাদের শত্রুদের জন্য,সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال: (الرُّؤْيَا ثَلاثٌ : فَبُشْرَى مِنَ اللَّهِ ، وَحَدِيثُ النَّفْسِ ، وَتَخْوِيفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِنْ رَأَى أَحَدُكُمْ رُؤْيَا تُعْجِبُهُ فَلْيَقُصَّ إِنْ شَاءَ وَإِنْ رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ فَلا يَقُصَّهُ عَلَى أَحَدٍ وَلْيَقُمْ يُصَلِّي ) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ স্বপ্ন তিনি প্রকার। (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) বান্দার মনের খেয়াল এবং (৩)শয়তানের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শনমূলক কিছু। অতএব তোমাদের কেউ পছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে তা ইচ্ছা করলে অপরের কাছে ব্যক্ত করতে পারে। আর সে অপছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে যেন তা ব্যক্ত না করে এবং উঠে নামায পড়ে।( সহীহ বুখারী-৭০১৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/734&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/734&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) কোনো বিবাহিত নারী যদি স্বপ্নে দেখে যে, সে স্বপ্নের ব্যাখ্যা করছে, ভালো ভালো ব্যাখ্যা করছে, এটা ভালো ও কল্যাণকর।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২) কোনো অবিবাহিত নারী যদি ৪ জন ব্যক্তিকে স্বপ্নে দেখে এর মাঝে বাস্তব জীবনে ২ জন মৃত। অর্থাৎ মৃত ব্যক্তিকেই স্বপ্নে দেখেছে মারা গেছে। আর বাকি ২ জন বাস্তব জীবনে জীবিত কিন্তু স্বপ্নে এই জীবিত দুজনের একজন মারা গেছে আরেকজনের অবস্থাও খুবই সংকটাপন্ন। এর অর্থ হল, মৃতরা ভালো আছেন। এবং জীবিতরা নতুন জীবন পাবেন।&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144098/?show=144149#a144149</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 23:25:18 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>এতে কি হুরমতে মুসাহারাত হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144148/</link>
<description>বাবার পাশে বসা বা শোয়া অবস্হায় &amp;nbsp;মানে স্পর্শ লাগা অবস্থায় কোন মহিলা যদি স্বামীর কথা ভাবে &amp;nbsp;আর বুক কেপে উঠলে মানে কামভাব নিয়ে এতে কি হুরমতে মুসাহারাত হয়?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর কোন পুরুষ মায়ের পাশে শুয়া/স্পর্শ &amp;nbsp;অবস্হায় অন্য মহিলার কথা চিন্তা করে হস্তুুমৈথুন করলে এবং কামভাব অন্য মহিলার প্রতি থাকলে কি হুরমতে মুসাহারাত হয়?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144148/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 18:22:04 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>বাবা মার অবাধ্য সন্তান হবো কি?</title>
<link>https://ifatwa.info/144147/</link>
<description>১।আমার বাবা মারা গেছেন উনি যেহেতু মারা গেছেন উনার নিষেধ করা কিছু করলে। ওসিঅত না এমনিতেই নিষেধ করছেন। এখন ওনার নিষেধ করা কিছু বললে করলে &amp;nbsp;বাবা মার অবাধ্য সন্তান হবো?&lt;br /&gt;
২।আমার মার কাছে এভাবে বলি যে আপনার যদি আগে যত হক নষ্ট করছি বর্তমান &amp;nbsp;ভবিষ্যতে যত হক নষ্ট করবো মাফ করে দিয়েন কি হক উল্লেখ না করে । সে যদি বলে কোনো দায় দাবি নাই তাহলে তার আদেশ নিষেধ পালন না করলে বা সে যদি না জানে তার নিষেধ পালন না করলে বাবা মার অবাধ্য সন্তান হবো?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144147/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 17:19:16 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>ইমান চলে যাবে কিনা জানিনা  জানতে চাই</title>
<link>https://ifatwa.info/144146/</link>
<description>১।মনে বা ভিতরে আসে আমি আমার বউ বাচ্চা &amp;nbsp;আমার পরিবার আত্মীয় স্বজনরা ইমান নিয়ে বাচতে এবং &amp;nbsp;মরতে পারবো না কাফের হয়ে যাবো &amp;nbsp;মরবো শাতিমে রাসুল সাঃ মুরতাদ মোট কথা ইমান নিয়ে থাকতে এবং &amp;nbsp;মরতে পারবো না কি কারনে হয়। এই বিষয় গুলো যে ভাবেই যে কারনেই &amp;nbsp;মনে আসুক ওসওয়াসার কারনে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২।মনে বা ভিতরে আসে যে জাহান্নামে গেলে আল্লাহ পাক রাসুল সাঃ ইসলাম নিয়ে গালি গালাজ করার কথা কি কারনে আসে?&lt;br /&gt;
৩।মনে বা ভিতরে আল্লাহ পাক নিয়ে, &amp;nbsp;রাসুলুল্লাহ সাঃ &amp;nbsp;নিয়ে যে কোনো ধরনের যৌনতার কথা বা কাজ &amp;nbsp;এবং অশ্লীল কথা বা কাজ &amp;nbsp;আসে কি কারনে&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
৪।মনে বা ভিতরে আসে আমার বাচ্চা মারা যাবে আল্লাহ পাক কে গালি দিবি বা দিতে হবে এবং ইমান চলে যাবে এবং ইসলামের বিরুদ্ধে এমন কিছু আসে কি কারনে?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
★আমি সব বিষয়ে জানিনা কোনটা ইমান যাবে কোনটা ইসলামের বিরুদ্ধে &amp;nbsp;তবে ভিতরে লাগে ধারনা হয় মনে হয়</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144146/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 17:06:36 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কোন সমস্যা হয়????</title>
<link>https://ifatwa.info/144145/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। স্ত্রী যদি বলে যদি ওই কাজ কর তাহলে সম্পর্ক শেষ,আমাকে হারাবা, তুমাকে ছেড়ে দিব।স্বামী যদি এরপর নিয়ত ছাড়া কেনায়া শব্দ বলে তাহলে কি তালাক হয়? &amp;nbsp;আর স্ত্রীকে পাওয়ার দিলে স্ত্রী নিয়ত ছাড়া বা স্বামীর দিকে ইঙ্গিত করে এসব বললে কি কোন শর্ত যুক্ত তালাকের পর্যায়ে পরে?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144145/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 17:03:13 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>দ্বীনের উপর ইস্তিকামাত</title>
<link>https://ifatwa.info/144143/</link>
<description>আসসালামু আ'লাইকুম। আমি একজন মেয়ে।&lt;br /&gt;
আমি একটা জিনিস খেয়াল করেছি। সেটা হল, আমি যখন ইলম অর্জন বা যিকির, দরুদ, দুয়া, তিলাওয়াত এগুলো অনেক দীর্ঘ সময় ধরে করি তখন কেমন যেন মনে হয় শরীর মন আর নিতে পারছেনা, অতিষ্ঠ হয়ে গেছে।&lt;br /&gt;
পরে দেখা যায় লম্বা সময়ের জন্য সব ছেড়ে দেই পরে আবার ট্র্যাকে ফিরতে সময় লাগে।&lt;br /&gt;
আমার প্রশ্ন হল, এটা কি স্বাভাবিক? নাকী নজর লাগার জন্য হতে পারে?&lt;br /&gt;
এমনকি যখন সব ছেড়ে দেই তখন এমন হয় যে দুয়া করার অবস্থায়ও থাকিনা। ইচ্ছাই হয়না, নিজেকে জোর করেও বসাতে পারিনা।&lt;br /&gt;
এক্ষেত্রে আমার কী করণীয়?&lt;br /&gt;
আমার কি দুনিয়া আর দ্বীনের পড়াশোনা দুটোই করা উচিত?&lt;br /&gt;
আমি ঘরের কাজ করি। আমার বাসায় সেরকম দ্বীনি কেউ নেই যাকে দেখে অনুপ্রেরণা পাওয়া যায়, মেয়ে বলে বাইরে কমিউনিটি বানানোরও সুযোগ নাই। অনলাইনে আমি খুবই বিরক্তি বোধ করি।&lt;br /&gt;
এক্ষেত্রে একটানা ইস্তিকামাত থাকতে কী করা উচিত?&lt;br /&gt;
পরিবারের সবাই আমার পড়াশোনার পরে চাকরি না করাকে অপছন্দ করে, আমার বারবার তাদের থেকে ইসলামের কোর্স বা বই কেনা বা বিভিন্ন দরকারে টাকা চাইতে খারাপ লাগে। তারা নানারকম খোঁচা দেয়।&lt;br /&gt;
আমার কি অল্প অল্প করে শুরু করা উচিত?&lt;br /&gt;
নাকী দুনিয়াবি কিছুও শুরু করা উচিত, যেমন স্কুলের চাকরি বা টিউশন?&lt;br /&gt;
টিউশনের সমস্যা হল বছরের মাঝে ছাত্র পাওয়া যায়না।&lt;br /&gt;
আর ইসলামের স্বর্ণযুগের নারীরা কি শুধু ঘরের কাজ আর ইলম অর্জনে সীমাবদ্ধ থাকেননি? আমার কেন তাহলে এরকম লাগে?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144143/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 14:24:19 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কোরবানী দিতে হবে কি না</title>
<link>https://ifatwa.info/144142/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ্।&lt;br /&gt;
একজন বোনের প্রশ্ন-&lt;br /&gt;
আমার ভাতিজা বলছিলো এইবার আমরা নিজেরা(ছোটরা) মিলে একটা কুরবানী দিবো।মানে আমি আর আমার দুই ভাতিজা।তখন বলছিলাম ঠিক আছে আল্লাহ তৌফিক দিলে দিবো।তো কোনো এক সমস্যার জন্য আমরা ছোটরা মিলে এক গরু কিনতে পারবো নাহহ মনে হচ্ছে। সবাই ইদের আগে স্যালরিই পাবো নাহহ সব গুলো। আমার ভাতিজা বলতেছে যেহেতু এবার যেটা চেয়েছিলাম সেটা হলো না তাই শেয়ার এ দিবে।আমি না আমার ভাতিজা।&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
এখন আমার প্রশ্ন হলো তখন যে ভাতিজার সাথে বলছিলাম আল্লাহ চাইলে আমরাই এক গরু কোরবানি দিবো তার জন্য কি এখন দিতেই হবে??</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144142/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 14:19:00 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কি করা উচিত? আবার করা উচিত প্রশ্ন?</title>
<link>https://ifatwa.info/144140/</link>
<description>আসসালামু আলাইকুম ওরাহমাতুল্লাহ। আমি হয়ত এক দের মাস আগে কয়েকটা যিহার নিয়ে প্রশ্ন করেছিলাম।সেখান থেকে একটা তখন বলা হয়েছিল যিহার হবে না কিন্তু পরে আবার করায় তখন বলেছে তুলনা করলে যিহার হবে শাশুড়ীর কোন অন্গের সাথে ।কিন্তু আর দুটা প্রশ্ন ওইগুলো অন্য রকম ছিল ওইগুলোতেও হবে না বলেছিল।কিন্তু প্রশ্ন গুলো খুজে পাচ্ছি না।জানিও না উত্তর চেন্জ হয়েছে বা হবে কিনা।এখন প্রশ্নগুলো আবার করা উচিত নাকি আগের ফতোয়া নিয়ে চলা উচিত?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144140/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 12:40:56 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ইস্তিঞ্জায় জায়িয নাজায়িয</title>
<link>https://ifatwa.info/144097/?show=144139#a144139</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
রোযা অবস্থায় লজ্জাস্থানে আঙ্গুল দিলে রোযা ভঙ্গ হবে কি না? সেটা নির্ভর করে দু'টি জিনিষের উপর&lt;br&gt;
(১) রোযার কথা স্বরণে থাকা।&lt;br&gt;
(২) ভিজা আঙ্গুল লজ্জস্থানের ভিতরে পৌছানো।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
রোজাবস্থায় কোন মেয়ে যদি তার লজ্জাস্থান তথা যোনীতে শুকনো আঙুল প্রবেশ করায়, তাহলে এদ্বারা রোজা ফাসিদ হবে না। অতিতে রোযা রেখে ভিজা আঙ্গুল যতবার লজ্জস্থানে প্রবেশ করা হয়েছে, সেই রোযাগুলোকে কাযা আদায় করতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/95879&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/95879&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
হায়িযের সময় ব্যথায় আরাম অনুভবের জন্য হ্যান্ড ওয়াশ দ্বারা লজ্জাস্থানে পানি স্প্রে করে ধরে রাখা যাবে। তবে রোযা অবস্থায় এভাবে স্প্রে করলে রোযা ফাসিদ হয়ে যাবে।&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144097/?show=144139#a144139</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 12:08:59 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: নিয়ত ছাড়া বললে কি তালাক হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144134/?show=144138#a144138</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻋَﻦْ ﺃَﺑِﻲ ﻫُﺮَﻳْﺮَﺓَ ﺭَﺿِﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ ﻗَﺎﻝَ : ﻗَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢ : َ ( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﺗَﺠَﺎﻭَﺯَ ﻟِﻲ ﻋَﻦْ ﺃُﻣَّﺘِﻲ ﻣَﺎ ﻭَﺳْﻮَﺳَﺖْ ﺑِﻪِ ﺻُﺪُﻭﺭُﻫَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻌْﻤَﻞْ ﺃَﻭْ ﺗَﻜَﻠَّﻢ )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন,নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা আমার খাতিরে আমার উম্মতের অন্তরে চলে আসা ওয়াসওয়াসা(শয়তানি প্ররোচনা) বিষয়ে কোনো প্রকার হস্তক্ষেপ/শাস্তি প্রদাণ করবেন না।যতক্ষণ না সে কথা বা কাজের মাধ্যমে সেটাকে বাস্তব রূপ দিচ্ছে। (সহীহ বোখারী-২৩৬১,সহীহ মুসলিম-১২৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/3318&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3318&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণমতে কোনো সমস্যা হবে না। তালাক হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144134/?show=144138#a144138</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 12:00:57 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কৌশল খাটিয়ে সংগৃহীত ডিজিটাল প্রডাক্টের ব্যবসা কি জায়েজ?</title>
<link>https://ifatwa.info/144079/?show=144137#a144137</link>
<description>&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ধোকা এবং প্রতারণা সম্পর্কে হাদীসে ধমকি বর্ণিত হয়েছে,হযরত আবু-হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال : ( مَنْ حَمَلَ عَلَيْنَا السِّلَاحَ ، فَلَيْسَ مِنَّا ، وَمَنْ غَشَّنَا ، فَلَيْسَ مِنَّا ) &lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যে ব্যক্তি আমরা মুসলমানদের বিরুদ্ধে অস্র ধরলো, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।এবং যে কাউকে ধোকা দিলো সেও আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।(সহীহ মুসলিম-১৪৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ভিন্ন এক সুত্রে বর্ণিত আছে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হযরত আবু-হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن أبي هريرة رضي الله عنه – أيضاً - ، وفيه : مَنْ غَشَّ ، فَلَيْسَ مِنِّي&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ভাবার্থঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যে কাউকে ধোকা দিলো সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।(সহীহ মুসলিম-১৪৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(১) এসব অ্যাকাউন্ট পাইকারি কিনে ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে দেশের বাজারে বিক্রি করা জায়েয হবে না।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(২) যদি ঐ সকল সাইট থেকে নিজে কিনে শুধু ব্যক্তিগত কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়, সেটা রুখসতযোগ্য হবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৩) আমার পরিচিত/বন্ধু-বান্ধবকে আমার কার্ড দিয়ে ঐসব সাইট থেকে সাবস্ক্রিপশন কিনে দেই, বিনিময়ে লাভ ছাড়া শুধু ক্রয়মূল্য নিয়ে নেই, সেটাও রুখসতযোগ্য হবে যদি দেশে ক্রয়মূল্য বেশী হয়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;(৪) কাফিরদের মালও অন্যায়ভাবে ভক্ষণ করা বা ব্যবহার করা জায়েয হবে না। &lt;/div&gt;</description>
<category>ব্যবসা ও চাকুরী (Business &amp; Job)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144079/?show=144137#a144137</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 11:50:26 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: নাপাক কাপড় পবিত্র করা প্রসঙ্গে</title>
<link>https://ifatwa.info/144115/?show=144130#a144130</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/20603/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/20603/&lt;/a&gt; নং ফাতওয়াতে উল্লেখ রয়েছে যে, &lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে  এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;يَا عَمَّارُ إِنَّمَا يُغْسَلُ الثَّوْبُ مِنْ خَمْسٍ: مِنَ الْغَائِطِ وَالْبَوْلِ وَالْقَيْءِ وَالدَّمِ وَالْمَنِيِّ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আম্মার বিন ইয়াসার রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-নিশ্চয় ৫টি কারণে কাপড় ধৌত করতে হয়, যথা-১-পায়খানা, ২-প্রশ্রাব, ৩-বমি, ৪-রক্ত, ৫-বীর্য। {সুনানে দারা কুতনী, হাদীস নং-৪৫৮}&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সুতরাং বীর্য নাপাক। তাই বীর্য লেগে থাকা কাপড় পবিত্র করতেন হবে।  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;বীর্য শুকিয়ে যাওয়ার পর যদি পরিস্কার কাপড়ের সাথে স্পর্শ লাগে, এক্ষেত্রে সেই  পবিত্র কাপড় যদি শুকনো হয়, তাহলে কোনো সমস্যা নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;পবিত্র কাপড় নাপাক  হবেনা, পাক থাকবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর যদি সেই পবিত্র কাপড় ভেজা হয়, সেক্ষেত্রে বিধানঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt; وَكَذَا لَوْ لَفَّ الثَّوْبَ النَّجَسَ فِي ثَوْبٍ طَاهِرٍ وَالنَّجَسُ رَطْبٌ مُبْتَلٌّ وَظَهَرَتْ نَدْوَتُهُ فِي الثَّوْبِ الطَّاهِرِ لَكِنْ لَمْ يَصِرْ بِحَالٍ لَوْ عُصِرَ يَسِيلُ مِنْهُ شَيْءٌ مُتَقَاطِرٌ لَا يَصِيرُ نَجَسًا. اهـ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি ভিজা নাজাসত সম্ভলিত কাপড়কে পবিত্র কাপড়ের সাথে লেপ্টিয়ে দেয়া হয় বা ভাজ করা হয়, এবং শুকনা কাপড়ে নাজাসতের চিহ্ন পরিলক্ষিত হয়, যদি শুকনো কাপড় এমন পর্যায়ে পৌছে না যে, তাকে চিপানো হলে, তা থেকে কিছু বের হবে, তাহলে এমতাবস্থায় উক্ত কাপড় নাপাক হবে না। (আল-বাহরুর রায়েক-১/২৪৪)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লামা হাসক্বাফী রাহ লিখেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;لُفَّ طَاهِرٌ فِي نَجِسٍ مُبْتَلٍّ بِمَاءٍ إنْ بِحَيْثُ لَوْ عُصِرَ قَطَرَ تَنَجَّسَ وَإِلَّا لَا. وَلَوْ لُفَّ فِي مُبْتَلٍّ بِنَحْوِ بَوْلٍ، إنْ ظَهَرَ نَدَاوَتُهُ أَوْ أَثَرُهُ تَنَجَّسَ وَإِلَّا لَا.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যদি পবিত্র কাপড়কে -অপবিত্র এমন কাপড় যা পানি দ্বারা ভিজা থাকে- এর সাথে ভাজ করা হয়ে থাকে, যদি পবিত্র শুকনো কাপড় এমনভাবে ভিজে যে, তা তাকে চিপানো হলে তা থেকে কিছু বের হবে, তাহলে সেই শুকনো পবিত্র কাপড়ও অপবিত্র হয়ে যাবে। নতুবা অপবিত্র হবে না। আর যদি শুকনো কাপড়কে প্রস্রাব ইত্যাদি দ্বারা ভিজা কাপড়ের সাথে ভাজ করা হয় বা লেপ্টানো হয়, যদি পবিত্র কাপড়ে নাজাসতের কোনে চিহ্ন পরিলক্ষণ করা যায়, তাহলে উক্ত পবিত্র কাপড়ও অপবিত্র হবে, নতুবা অপবিত্র হবে না। (রদ্দুল মুহতার-১/৩৪৭)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুনঃ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/7947/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/7947/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;১. প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে যদি আপনি উক্ত কাপড়টির নাপাকি আগেই দূর করে থাকেন তাহলে সকল কাপড় পাক থাকবে। আর যদি নাপাকি অবশিষ্ট থাকে তাহলে সকল কাপড়ও নাপাক হয়ে যাবে একসাথে ভেজানোর কারণে। সুতরাং সকল কাপড় তিনবার ধৌত করতে হবে। আর যদি আপনার মা সকল কাপড় ভালোভাবে ধৌত করে থাকেন তাহলে সকল কাপড় পাক হয়ে গিয়েছে।  &lt;/div&gt;</description>
<category>পবিত্রতা (Purity)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144115/?show=144130#a144130</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 06:11:45 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>কথা না বলে থাকা এবং বিদআতির দের সাথে চলাফেরা করা</title>
<link>https://ifatwa.info/144129/</link>
<description>১।আমার বাবা মারা গেছে এখন আমার বোন &amp;nbsp;দুলাভাই আহলে হাদিস পন্থী তারা মৃত্যু উপলক্ষে খাবারের আয়োজন করা মিলাদ পড়ানোর পক্ষে নাই এমনিতে ইসালে সওয়াব এর &amp;nbsp;উদ্দেশ্য দান করার পক্ষে &amp;nbsp;। আমার জানা মতে কওমী আলেমগন ও &amp;nbsp;এটার পক্ষে নাই। একথা শুনে কেনো করবেনা আমার দুলাভাইকে অকথ্য ভাষায় গালি গালাজ করছে সমাজ থেকে বের করে দিবে জুতাপিটা করবে, আমি বলছি ফরজ &amp;nbsp;নাকি যে করতে হবে &amp;nbsp;&amp;nbsp;এইসব বেপার নিয়ে কিছু কথা কাটাকাটি হয় সে আমাকে লাটি নিয়ে মারতে আসছে চিল্লাচিল্লি করছে । এ বেপার নিয়ে কয়েকটি &amp;nbsp;প্রশ্ন আছে&lt;br /&gt;
(ক)সে যেভাবে বলছে যে কাজ করছে এটাকে জরুরি মনে করছে কিনা বিদআত হবে কিনা?&lt;br /&gt;
(খ)সে সহ বিদআত পন্থিদের সাথে কথা না বললে তাদের সাথে &amp;nbsp;না চললে গোনাহ হবে কি?&lt;br /&gt;
(গ)আমাদের সমাজের প্রায় সবাই এক বংশের &amp;nbsp;হিসেবে সেও আমাদের বংশের আমাদের বংশ দুইভাই থেকে &amp;nbsp;অনেক পরিবার হইছে তারা পাকিস্তান আমলে আমাদের এলাকাতে যায়গা কিনে আসছে &amp;nbsp;আমার ধারনা হয়। তার দাদার বাপের না হয় তার দাদার দাদা আমার দাদার বাপের ভাই নাহয় আমার দাদার দাদা তার ভাই হবে । সে আমার নিকট আত্মীয় কিনা তার সাথে কথা না বললে আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা হবে কিনা। শুধু কথা না বলে থাকা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা উদ্দেশ্য নয়?&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
২।কারও সাথে কথা না বলা আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা কোন ধরনের গুনাহ সগিরা গোনাহ না-কি কবিরা গুনাহ নাকি ইমান চলে যায় এরকম গোনাহ?&lt;br /&gt;
৩।যার সাথে ঝামেলা হইছে আমার জানামতে ভন্ড কবিরাজ কয়েকজনের টাকা মেরে দিছে তার বেপারে পুলিশকে তথ্য দিলে দড়িয়ে দিলে গোনাহ হবে কি?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144129/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 06:10:37 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বট ফলোয়ার কেনা জায়েজ কিনা</title>
<link>https://ifatwa.info/144120/?show=144128#a144128</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াবিসা ইবনে মা'বাদ রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭﻋﻦ ﻭﺍﺑﺼﺔَ ﺑﻦِ ﻣَﻌْﺒِﺪٍ  ﻗَﺎﻝَ : ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺭﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪ ﷺ ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺟِﺌْﺖَ ﺗﺴﺄَﻝُ ﻋﻦِ ﺍﻟﺒِﺮِّ؟ » ﻗُﻠْﺖُ : ﻧَﻌَﻢْ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺍﺳْﺘَﻔْﺖِ ﻗَﻠْﺒَﻚَ، ﺍﻟﺒِﺮُّ : ﻣَﺎ ﺍﻃْﻤَﺄَﻧَّﺖْ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲُ، ﻭﺍﻃْﻤَﺄَﻥَّ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻘَﻠْﺐُ، ﻭﺍﻹِﺛﻢُ : ﻣَﺎ ﺣﺎﻙَ ﻓﻲ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲِ، ﻭﺗَﺮَﺩَّﺩَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﺪْﺭِ، ﻭﺇِﻥْ ﺃَﻓْﺘَﺎﻙَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻭَﺃَﻓْﺘَﻮﻙَ » ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ، ﺭﻭﺍﻩُ ﺃﺣﻤﺪُ ﻭﺍﻟﺪَّﺍﺭﻣِﻲُّ ﻓﻲ &quot; ﻣُﺴْﻨَﺪَﻳْﻬِﻤﺎ .&quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট গেলাম। রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে বললেন,তুমি কি নেকীর কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য এসেছ? আমি বললাম জ্বী হ্যা, ইয়া রাসূলাল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমি তোমার অন্তরের নিকট ফাতওয়া জিজ্ঞাসা করো। নেকি হল সেটা যার উপর অন্তর প্রশান্তিবোধ করে এবং যে জিনিষের উপর অন্তর শান্ত থাকে। আর গোনাহ হল সেটা, যা অন্তরে অশান্তি সৃষ্টি করে নাড়িয়ে দেয় এবং অন্তরকে দ্বিধান্বিত করে ফেলে। যদিও উক্ত কাজ সম্পর্কে মুফতিগণ বৈধতার ফাতাওয়া প্রদাণ করুক না কেন। (মুসনাদে আহমদ-১৭৫৪৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাসান ইবনে আলী রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ﻭﻋﻦ ﺍﻟﺤَﺴَﻦِ ﺑﻦ ﻋَﻠﻲٍّ ﺭﺿﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﺣَﻔِﻈْﺖُ ﻣِﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﷺ : « ﺩَﻉْ ﻣَﺎ ﻳَﺮِﻳﺒُﻚَ ﺇِﻟﻰ ﻣَﺎ ﻻ ﻳﺮِﻳﺒُﻚ » ﺭﻭﺍﻩُ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻭﻗﺎﻝ : ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ ﺻﺤﻴﺢٌ &lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা. কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, সন্দেহ যুক্ত জিনিষকে পরিহার করে সন্দেহমুক্ত জিনিষকে গ্রহণ করো। (সুনানু তিরমিযি-২৪৪২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;নু'মান ইবনে বশির বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;عن عامر، قال: سمعت النعمان بن بشير، يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: &quot;الحلال بين، والحرام بين، وبينهما مشبهات لا يعلمها كثير من الناس، فمن اتقى المشبهات استبرأ لدينه وعرضه، ومن وقع في الشبهات: كراع يرعى حول الحمى، يوشك أن يواقعه، ألا وإن لكل ملك حمى، ألا إن حمى الله في أرضه محارمه، ألا وإن في الجسد مضغة: إذا صلحت صلح الجسد كله، وإذا فسدت فسد الجسد كله، ألا وهي القلب &quot;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, (কোনো জিনিষ) হালাল (হওয়া) পরিস্কার। (এবং কোনো জিনিষ) হারাম(হওয়া) ও পরিস্কার। হ্যা এ দুয়ের মধ্যে কিছু বিধান রয়েছে সাদৃশ্যপূর্ণ। যার সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষই জানেনা। যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ জিনিষ থেকে বেঁছে থাকল, সে যেন তার দ্বীন এবং ইজ্জতকে হেফাজত করে নিল। আর যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ জিনিষে পতিত হল, সে যেন হারামে পতিত হল। যেমন রাখাল ক্ষেতের দেয়াল ঘেষে পশু চড়ালো। এখানে সম্ভাবনা রয়েছে যে, পশু ক্ষেতে নেমে যাবে। &lt;/div&gt;&lt;div&gt; ,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জেনে রাখ! প্রত্যেক বাদশারই একটি সীমান্তরেখা রয়েছে এবং আল্লাহ যমীনে তার সীমারেখা হল, তার হারাম বিধি-বিধান। জেনে রাখ! শরীরে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে। যখন সেই মাংসপিণ্ড ভাল থাকে তখন সারা শরীর-ই ভাল থাকে। আর যখন সেই মাংসপিণ্ড নষ্ট হয়ে যায়, তখন সমস্ত শরীরই নষ্ট হয়ে যায়। সেই বস্তু হল, ক্বলব বা অন্তর। (সহীহ বুখারী-৫২)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কোন ব্যক্তি আপনার ফেইসবুক পেইজ পছন্দ করলে সে যদি লাইক বা ফলো দেয় একাই মূলত অন্তর থেকে লাইক বা ফলো দেওয়া হবে। আর যদি সে টাকার জন্য লাইক বা ফলো দেয় তাহলে তা অন্তর থেকে লাইক বা ফলো দেওয়া হবে না, বরং টাকার বিনিময়ে লাইক বা ফলো দেওয়া হবে। তাই এর থেকে বিরত থাকাই উত্তম। তবে আপনি টাকা দিয়ে আপনার ফেইসবুক পেইজের বুস্ট করাতে পারবেন। এতে কোন সমস্যা নেই।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;উল্লেখ্য যে, আপনার পেইজটা জায়েজ তরীকার হওয়া শর্ত।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;.&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবার বড় কারোর মাধ্যমে তার ফেইসবুক পেইজ থেকে আপনার পেইজকে মেনশন করে পোস্ট করাতে পারেন। &lt;/div&gt;</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144120/?show=144128#a144128</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 06:05:50 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হালাল হারাম মিশ্রিত কুরবানির গোস্ত খাওয়া</title>
<link>https://ifatwa.info/144123/?show=144126#a144126</link>
<description>&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;জবাবঃ&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;ওয়াবিসা ইবনে মা'বাদ রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;ﻭﻋﻦ ﻭﺍﺑﺼﺔَ ﺑﻦِ ﻣَﻌْﺒِﺪٍ  ﻗَﺎﻝَ : ﺃَﺗَﻴْﺖُ ﺭﺳﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪ ﷺ ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺟِﺌْﺖَ ﺗﺴﺄَﻝُ ﻋﻦِ ﺍﻟﺒِﺮِّ؟ » ﻗُﻠْﺖُ : ﻧَﻌَﻢْ، ﻓَﻘَﺎﻝَ : « ﺍﺳْﺘَﻔْﺖِ ﻗَﻠْﺒَﻚَ، ﺍﻟﺒِﺮُّ : ﻣَﺎ ﺍﻃْﻤَﺄَﻧَّﺖْ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲُ، ﻭﺍﻃْﻤَﺄَﻥَّ ﺇِﻟَﻴْﻪِ ﺍﻟﻘَﻠْﺐُ، ﻭﺍﻹِﺛﻢُ : ﻣَﺎ ﺣﺎﻙَ ﻓﻲ ﺍﻟﻨَّﻔْﺲِ، ﻭﺗَﺮَﺩَّﺩَ ﻓِﻲ ﺍﻟﺼَّﺪْﺭِ، ﻭﺇِﻥْ ﺃَﻓْﺘَﺎﻙَ ﺍﻟﻨَّﺎﺱُ ﻭَﺃَﻓْﺘَﻮﻙَ » ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ، ﺭﻭﺍﻩُ ﺃﺣﻤﺪُ ﻭﺍﻟﺪَّﺍﺭﻣِﻲُّ ﻓﻲ &quot; ﻣُﺴْﻨَﺪَﻳْﻬِﻤﺎ .&quot;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;তিনি বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ এর নিকট গেলাম। রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাকে বললেন,তুমি কি নেকীর কাজ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করার জন্য এসেছ? আমি বললাম জ্বী হ্যা, ইয়া রাসূলাল্লাহ!&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;তখন তিনি আমাকে বললেন, তুমি তোমার অন্তরের নিকট ফাতওয়া জিজ্ঞাসা করো। নেকি হল সেটা যার উপর অন্তর প্রশান্তিবোধ করে এবং যে জিনিষের উপর অন্তর শান্ত থাকে। আর গোনাহ হল সেটা, যা অন্তরে অশান্তি সৃষ্টি করে নাড়িয়ে দেয় এবং অন্তরকে দ্বিধান্বিত করে ফেলে। যদিও উক্ত কাজ সম্পর্কে মুফতিগণ বৈধতার ফাতাওয়া প্রদাণ করুক না কেন। (মুসনাদে আহমদ-১৭৫৪৫)&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;হাসান ইবনে আলী রাযি থেকে বর্ণিত রয়েছে।&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;ﻭﻋﻦ ﺍﻟﺤَﺴَﻦِ ﺑﻦ ﻋَﻠﻲٍّ ﺭﺿﻲَ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﺣَﻔِﻈْﺖُ ﻣِﻦْ ﺭَﺳُﻮﻝ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﷺ : « ﺩَﻉْ ﻣَﺎ ﻳَﺮِﻳﺒُﻚَ ﺇِﻟﻰ ﻣَﺎ ﻻ ﻳﺮِﻳﺒُﻚ » ﺭﻭﺍﻩُ ﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻱ ﻭﻗﺎﻝ : ﺣﺪﻳﺚٌ ﺣﺴﻦٌ ﺻﺤﻴﺢٌ &lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সা. কে বলতে শুনেছি। তিনি বলেন, সন্দেহ যুক্ত জিনিষকে পরিহার করে সন্দেহমুক্ত জিনিষকে গ্রহণ করো। (সুনানু তিরমিযি-২৪৪২)&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt; ,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;নু'মান ইবনে বশির বলেন,আমি রাসূলুল্লাহ সাঃ কে বলতে শুনেছি-&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;عن عامر، قال: سمعت النعمان بن بشير، يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: &quot;الحلال بين، والحرام بين، وبينهما مشبهات لا يعلمها كثير من الناس، فمن اتقى المشبهات استبرأ لدينه وعرضه، ومن وقع في الشبهات: كراع يرعى حول الحمى، يوشك أن يواقعه، ألا وإن لكل ملك حمى، ألا إن حمى الله في أرضه محارمه، ألا وإن في الجسد مضغة: إذا صلحت صلح الجسد كله، وإذا فسدت فسد الجسد كله، ألا وهي القلب &quot;&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, (কোনো জিনিষ) হালাল (হওয়া) পরিস্কার। (এবং কোনো জিনিষ) হারাম(হওয়া) ও পরিস্কার। হ্যা এ দুয়ের মধ্যে কিছু বিধান রয়েছে সাদৃশ্যপূর্ণ। যার সম্পর্কে অধিকাংশ মানুষই জানেনা। যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ জিনিষ থেকে বেঁছে থাকল, সে যেন তার দ্বীন এবং ইজ্জতকে হেফাজত করে নিল। আর যে ব্যক্তি সন্দেহপূর্ণ জিনিষে পতিত হল, সে যেন হারামে পতিত হল। যেমন রাখাল ক্ষেতের দেয়াল ঘেষে পশু চড়ালো। এখানে সম্ভাবনা রয়েছে যে, পশু ক্ষেতে নেমে যাবে। &lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt; ,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;জেনে রাখ! প্রত্যেক বাদশারই একটি সীমান্তরেখা রয়েছে এবং আল্লাহ যমীনে তার সীমারেখা হল, তার হারাম বিধি-বিধান। জেনে রাখ! শরীরে একটি মাংসপিণ্ড রয়েছে। যখন সেই মাংসপিণ্ড ভাল থাকে তখন সারা শরীর-ই ভাল থাকে। আর যখন সেই মাংসপিণ্ড নষ্ট হয়ে যায়, তখন সমস্ত শরীরই নষ্ট হয়ে যায়। সেই বস্তু হল, ক্বলব বা অন্তর। (সহীহ বুখারী-৫২)&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;,&lt;/p&gt;&lt;p class=&quot;MsoNormal&quot; style=&quot;margin-bottom:0in;margin-bottom:.0001pt;line-height: normal&quot;&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে সতর্কতা মূলক উক্ত গোশত গরীব মানুষদের মাঝে সাদকাহ করে দিবেন ইনশাআল্লাহ। &lt;/p&gt;</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144123/?show=144126#a144126</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 05:57:50 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আগের প্রশ্নের জবাব থেকে একটু জানার ছিল</title>
<link>https://ifatwa.info/144087/?show=144124#a144124</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচার আমলঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনে হাজার আল-হাইছামি তাঁর ‘আল-ফাতাওয়া আল-ফিকহিয়্যা আল-কুবরা’ গ্রন্থে (১/১৪৯) এসেছে, তাঁকে এর প্রতিকার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;له دواء نافع وهو الإعراض عنها جملة كافية ، وإن كان في النفس من التردد ما كان – فإنه متى لم يلتفت لذلك لم يثبت بل يذهب بعد زمن قليل كما جرب ذلك الموفقون , وأما من أصغى إليها وعمل بقضيتها فإنها لا تزال تزداد به حتى تُخرجه إلى حيز المجانين بل وأقبح منهم&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অর্থাৎ, এর ঔষধ একটাই সেটা হচ্ছে– ওয়াসওয়াসাকে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া; এমনকি মনের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও। কেননা কেউ যদি সেটাকে ভ্রুক্ষেপ না করে তাহলে সেটা স্থির হবে না। কিছু সময় পর চলে যাবে; যেমনটি তাওফিকপ্রাপ্ত লোকেরা যাচাই করে পেয়েছেন। আর যে ব্যক্তি ওয়াসওয়াসাকে পাত্তা দিবে এবং সে অনুযায়ী কাজ করবে সে ব্যক্তির ওয়াসওয়াসা বাড়তেই থাকবে; এক পর্যায়ে তাকে পাগলের কাতারে নিয়ে পৌঁছাবে কিংবা পাগলের চেয়েও নিকৃষ্ট পর্যায়ে পৌঁছাবে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এর সর্বোত্তম প্রতিকার হচ্ছে– বেশি বেশি আল্লাহর যিকির করা, لَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ اِلَّا بِاللهِ পড়া, আউযুবিল্লাহ্ পড়া তথা বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করা।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;اَلْحَمْدُ لِلهِ الَّذِىْ رَدَّ اَمْرَهُ عَلَى الْوَسْوَسَة&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সমস্ত প্রশংসা ওই আল্লাহর যিনি শয়তানের বিষয়টি কুমন্ত্রণা পর্যন্ত সীমাবদ্ধ রেখেছেন।’ (নাসাঈ)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইবনে হাজার আল-হাইতামি রহ. বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;له دواء نافع وهو الإعراض عنها جملة كافية ، وإن كان في النفس من التردد ما كان&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওয়াসওয়াসার কার্যকরী চিকিৎসা হল, একে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া; এমনকি মনের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও।’ (আল-ফাতাওয়া আল-ফিকহিয়্যা আল-কুবরা ১/১৪৯)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে তো আপনাকে উস্তায উত্তর ইতি পূর্বে দিয়েছেন। &lt;/div&gt;&lt;div&gt;“আপনার সবগুলো প্রশ্ন আমরা পড়েছি। প্রশ্নগুলোর আলোকে আমরা বলবো যে, আপনার সংসার চালিয়ে যেতে কোনো সমস্যা হবে না।”&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরো জানুন - &lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/136199/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/136199/&lt;/a&gt;  &lt;/div&gt;&lt;div&gt;আর আপনি সব রকম ওয়াসওয়াসা পরিহার করে চলবেন। কারণ, ওয়াসওয়াসার কার্যকরী চিকিৎসা হল, একে সম্পূর্ণরূপে এড়িয়ে যাওয়া; এমনকি মনের মধ্যে কোন দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা সত্ত্বেও।’ (আল-ফাতাওয়া আল-ফিকহিয়্যা আল-কুবরা ১/১৪৯)&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144087/?show=144124#a144124</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 05:54:52 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বোনটির এখন কি করা উচিত</title>
<link>https://ifatwa.info/144121/?show=144122#a144122</link>
<description>&lt;div&gt;ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/4541/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4541/&lt;/a&gt;  নং ফাতাওয়াতে আমরা বলেছি, যে,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিয়ের আগে পাত্রপাত্রীর যে বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হবে তার মধ্যে ‘কুফু’ অন্যতম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আরবি ‘কুফু’ শব্দের অর্থ সমতা, সমান, সাদৃশ্য, সমকক্ষ, সমতুল্য ইত্যাদি।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;বিয়ের ক্ষেত্রে বর-কনের দ্বীনদারি, সম্পদ, বংশ, সৌন্দর্যতা সব কিছু সমান সমান বা কাছাকাছি হওয়াকে ইসলামী পরিভাষায় কুফু বলে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের রুচি, চাহিদা, অর্থনৈতিক অবস্থান খুব বেশি ভিন্ন হলে সেখানে সুখী দাম্পত্যজীবন প্রতিষ্ঠা কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। একজন উচ্চ শ্রেণীর ছেলেমেয়ের চাহিদা-রুচির সাথে একজন দরিদ্র বা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়ের রুচিবোধের মিল না থাকাটাই স্বাভাবিক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবার একজন দ্বীনদার পাত্রপাত্রীর সাথে একজন ধর্মবিষয়ে উদাসীন পাত্রপাত্রীর জীবনাচার নাও মিলতে পারে। দ্বীনদার চাইবে সব কিছুতে ধর্মের ছাপ থাকুক। আর দীনহীন চাইবে সব কিছু ধর্মের আবরণমুক্ত থাকুক। সুতরাং এ দুইয়ের একত্রে বসবাস কখনো শান্তি-সুখের ঠিকানা হতে পারে না। তাই পবিত্র কুরআনও বিয়ের ক্ষেত্রে দ্বীনদারিতে সমতা রক্ষার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছে।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আল্লাহ বলেন, ‘দুশ্চরিত্রা নারী দুশ্চরিত্র পুরুষদের জন্য; দুশ্চরিত্র পুরুষ দুশ্চরিত্রা নারীর জন্য; সচ্চরিত্রা নারী সচ্চরিত্র পুরুষদের জন্য এবং সচ্চরিত্র পুরুষ সচ্চরিত্রা নারীর জন্য উপযুক্ত।’ (সূরা নূর : ২৬)।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অন্য আয়াতে আল্লাহ বলেন, ‘ব্যভিচারী পুরুষ যেন ব্যভিচারিণী বা মুশরিক নারী ছাড়া কাউকে বিয়ে না করে। আবার ব্যভিচারিণী নারী যেন ব্যভিচারী পুরুষ বা মুশরিক পুরুষ ছাড়া কাউকে বিয়ে না করে। মুমিনদের জন্য এ ধরনের চরিত্রের নারী-পুরুষকে হারাম করা হয়েছে।’ (সূরা নূর : ৩)।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কুরআনের পাশাপাশি রাসূল সা:-এর পবিত্র হাদিস শরিফেও ‘কুফু’ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা পাওয়া যায়।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;রাসূল সা: ‘কুফু’র বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَابُورَ الرَّقِّيُّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ سُلَيْمَانَ الْأَنْصَارِيُّ أَخُو فُلَيْحٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَجْلَانَ عَنْ ابْنِ وَثِيمَةَ النَّصْرِيِّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا أَتَاكُمْ مَنْ تَرْضَوْنَ خُلُقَهُ وَدِينَهُ فَزَوِّجُوهُ إِلَّا تَفْعَلُوا تَكُنْ فِتْنَةٌ فِي الْأَرْضِ وَفَسَادٌ عَرِيضٌ&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের নিকট এমন কোন ব্যক্তি বিবাহের প্রস্তাব নিয়ে এলে, যার চরিত্র ও ধর্মানুরাগ সম্পর্কে তোমরা সন্তুষ্ট, তার সাথে (তোমাদের মেয়েদের) বিবাহ দাও। তোমরা যদি তা না করো, তাহলে পৃথিবীতে বিপর্যয় ও ব্যাপক বিশৃংখলা ছড়িয়ে পড়বে। (ইবনে মাজাহ ১৯৬৭,তিরমিযী ১০৮৪, ইরওয়াহ ১৮৬৮, সহীহাহ ১০২২।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا الْحَارِثُ بْنُ عِمْرَانَ الْجَعْفَرِيُّ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَخَيَّرُوا لِنُطَفِكُمْ وَانْكِحُوا الْأَكْفَاءَ وَأَنْكِحُوا إِلَيْهِمْ&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)  থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম মহিলা গ্রহণ করো এবং সমতা (কুফু) বিবচেনায় বিবাহ করো, আর বিবাহ দিতেও সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখো। (ইবনে মাজাহ ১৯৬৮)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হাদীস শরীফে এসেছে-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;وَعَنْ أَبِىْ هُرَيْرَةَ قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ : «تُنْكَحُ الْمَرْأَةُ لِأَرْبَعٍ : لِمَالِهَا وَلِحَسَبِهَا وَلِجَمَالِهَا وَلِدِينِهَا فَاظْفَرْ بِذَاتِ الدَّيْنِ تَرِبَتْ يَدَاكَ»&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (মূলত) চারটি গুণের কারণে নারীকে বিবাহ করা হয়- নারীর ধন-সম্পদ, অথবা বংশ-মর্যাদা, অথবা রূপ-সৌন্দর্য, অথবা তার ধর্মভীরুর কারণে। (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন) সুতরাং ধর্মভীরুকে প্রাধান্য দিয়ে বিবাহ করে সফল হও। আর যদি এরূপ না কর তাহলে তোমার দু’ হাত ধূলায় ধূসরিত হোক (ধর্মভীরু মহিলাকে প্রাধান্য না দিলে ধ্বংস অবধারিত)! সহীহ : বুখারী ৫০৯০, মুসলিম ১৪৬৬, নাসায়ী ৩২৩০, আবূ দাঊদ ২০৪৭, ইবনু মাজাহ ১৮৫৮, আহমাদ ৯৫২১, ইরওয়া ১৭৮৩, সহীহ আল জামি‘ ৩০০৩।)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;কুফু সম্পর্কে বিস্তারিত জানুনঃ  &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/4541/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4541/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইস্তেখারার নামাজ সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন- &lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/14451/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/14451/&lt;/a&gt; &lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;★ সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;,&lt;/div&gt;&lt;div&gt;তিনি আবার ইস্তেখারাহ করে ও তার পরিবারের সাথে পরামর্শ করে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারেন।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ইস্তেখারাহ করার সময় স্বপ্নেই দেখতে হবে বিষয়টা এমন না।  উপরোক্ত সব কিছু যদি ঠিক থাকে এবং ঐ প্রস্তাবের দিকে মন টানে তাহলেও ঐ বিয়ের দিকে অগ্রসর হওয়া যেতে পারে।&lt;/div&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144121/?show=144122#a144122</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 05:42:07 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: আসসালামু আলাইকুম। দুইটা প্রশ্নের উত্তর জানতে চাই</title>
<link>https://ifatwa.info/144084/?show=144119#a144119</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
আল্লাহর নিকট সাহায্য কামনা করুন।আল্লাহ অবশ্যই বিহিত একটা ব্যবস্থা করবেন। হযরত আনাস রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;br&gt;
عن أنس - رضي الله عنه - قال: قال رسول الله: &quot; «ليسأل أحدكم ربه حاجته كلها، حتى يسأله شسع نعله إذا انقطع» &quot;&lt;br&gt;
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, মানুষ যেন সকল বিষয়ে তার রবের নিকট দু'আ করে,এমনকি যদি তার জুতার ফিতা ছিড়ে যায়, তখনও যেন সে এ সম্পর্কে (প্রথমে) আল্লাহর নিকট সাহায্য চায়(অতঃপর ফিতা লাগানোর চেষ্টা করে)। (মিশকাতুল মাসাবিহ-২২৫১) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/987&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/987&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
(১) উদ্ভট এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পেতে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন। আল্লাহ অবশ্যই সাহায্য করবেন।আপনাকে ইতিবাচক ও শান্তিময় পরিবেশ ও পরিস্থিতি দান করবেন।&lt;br&gt;
(২) আল্লাহর কাছে সাহায্য চান।বিশেষত তাহাজ্জুদ নামায পড়ে সাহায্য প্রার্থনা করুন।&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144084/?show=144119#a144119</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 03:44:46 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>বিবাহ নবায়ন ও টাকা কি হালাল হয়েছে?</title>
<link>https://ifatwa.info/144118/</link>
<description>আস সালামু আলাইকুম।&lt;br /&gt;
১. কোনো মহিলার ইমান হারাল, এর কারনে বিবাহ ভেঙে গেল। ইমান নাবায়ন করার পরপর ই কি বিবাহ নবায়ন করতে পারবে নাকি ইদ্দত পালন করতে হবে?&lt;br /&gt;
২. সরকারী অফিসে কারো কোনো কাজ যদি করে দেই, আর ঘুষ বা দালালী না চাইলে ও যদি খুশি হয়ে কিছু দেয়, সেই টাকা কি হালাল হবে? উল্লেখ্য, &amp;nbsp;ওই কাজ অন্য কাউকে দিয়ে করাতে ও দালালী দিতে হত।</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144118/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 03:12:48 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>এসব বিষয়ে কেউ যদি স্বামীকে না জানালে কোন কি সমস্যা হয়?</title>
<link>https://ifatwa.info/144117/</link>
<description>&lt;a href=&quot;https://ifatwa.info/142077/&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://ifatwa.info/142077/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;
&lt;br /&gt;
আর কাযআন হলে দিয়ানাতান না হলে কোন স্বামী এসব তালাকের বিষয়ে কিছু না জানলে কিন্তু সংসার করতে চায়লে আর স্ত্রীও সংসার করতে চায়লে এতে সংসার করা যায়? আর এসব তালাকের বিষয়ে বিস্তারিত না জানালে স্বামীকে মানে কাযআন কি দিয়ানাতান কি কোন গুণাহ হবে? যদি স্বামী নিজে যদি বলে তালাকের নিয়তে কিছু বলে নি বলবেও না তাহলে আর এসব বিষয়ে বিস্তারিত না জানালে কি গুণাহ হয়?আর কোন স্বামী নিয়ত নিয়ে জিজ্ঞেস করায় রেগে যাওয়ার স্বভাব থাকলে তাকে জিজ্ঞেস না করলে কি কোন সমস্যা হয়? সে যদি বলে থাকে কেন বার বার কর আমার তহ মনে হয় সংসার করতে চাও না স্বামী এভাবে বললে আর জিজ্ঞেস না করলে বা না জানালে দিয়ানাতান কি কা্যআন কি তাহলে কি কোন সমস্যা হয়?</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144117/</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 02:54:03 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: বিনা অনুমতিতে অন্যের BIN ব্যবহার করে ভ্যাট ফাঁকি দিয়ে ফেসবুকে ব্যবসা করা প্রসঙ্গে</title>
<link>https://ifatwa.info/144088/?show=144114#a144114</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,&lt;br&gt;
عن ﺃﺑﻲ ﻫﺮﻳﺮﺓ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ قال،قال رسول اللّٰه &lt;br&gt;
ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ : ( ﻣَﻦْ ﻏَﺶَّ ﻓَﻠَﻴْﺲَ ﻣِﻨِّﻲ )&lt;br&gt;
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,যে ব্যক্তি ধোকা দিবে সে আমার উম্মতভূক্ত নয়।(সহীহ মুসলিম-১০২)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/539&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/539&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
(১) অন্যের এই ১৩ সংখ্যার BIN তাদের অনুমতি ছাড়া বেচাকেনা করা জায়েয হবে না।&lt;br&gt;
(২) অন্যের BIN এভাবে ব্যবহার করা জায়েয হবে না। ব্যবহার করলে ব্যবসা ও উপার্জন হারাম না হলেও পদ্ধতি হারাম বলে বিবেচিত হবে।&lt;br&gt;
(৩) অন্যের BIN নিজের ফেসবুক অ্যাড অ্যাকাউন্টে যুক্ত করে ভেরিফাই করে নিলে পরে আর BIN রিমুভ/পরিবর্তন করা যায় না। আপনি যদি করে ফেলেন, তাহলে এই আইডি আর ব্যবহার করবেন না। &lt;br&gt;
(৪) এই কৌশল অবলম্বন করার ফলে সরকার ট্যাক্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, এতে করে আপনার ধোকার গোনাহ হবে। তবে অসহনীয় পর্যায়ের হলে তখন ভিন্ন কথা।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৫) সহনীয় পর্যায়ের হলে আপনাকে অবশ্যই কর দিতে হবে। আপনাকে সরকারি অনেক সুবিধা গ্রহণ করতে হচ্ছে। তাই আপনাকে দিতে হবে।&lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>ব্যবসা ও চাকুরী (Business &amp; Job)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144088/?show=144114#a144114</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 02:11:47 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কিছু মাসআলা জানতে চাই হুজুর</title>
<link>https://ifatwa.info/144092/?show=144113#a144113</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
(১) মানুষকে চড় দেওয়া তো হারাম হবেই।&lt;br&gt;
(২) টাখনুর নিচে প্যান্ট পড়াও হারাম।&lt;br&gt;
(৩) বগলের লোম উপড়ে ফেলা মুস্তাহাব। তবে কাচি দিয়ে ফেলা যাবে বা মুন্ডানোও যাবে।&lt;br&gt;
(৪) নামাযে সিজদাহ্ তে যাওয়ার সময় হাত হাটুতে লাগানো থাকবে। হাতের আঙুল ফাকা থাকবে।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৫) &lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;মুল্লা আলী ক্বারী রাহ উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,&lt;br&gt;
(والاستحداد) : أي حلق العانة، وهو استفعال من الحديد، وهو استعمال الحديد من نحو الموسى في حلق العانة ذي الشعر الذي حوالي ذكر الرجل وفرج المرأة. زاد ابن شريح: وحلقة الدبر، فجعل العانة منبت الشعر مطلقا، والمشهور الأول، فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة. كذا في شرح المشارق، ويجب أن يعلم أنه لا يقطع شيئا من شعر وهو جنب.&lt;br&gt;
ইস্তেহদাদ অর্থ হলো,নাভীর নীচ কে খুর ইত্যাদি দ্বারা পরিস্কার করা। পুরুষাঙ্গ ও যোনিপথের আশপাশের সবকিছুকে খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।ইবনে শুরাইহ বলেন, মলমূত্রত্যাগের স্থানকেও খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।উনি নাভীর নীচের সকল চুলকে তাতে শামিল রাখেন তা যেখানেই হোকনা কেন।তবে প্রথম মতটাই অধিক প্রসিদ্ধ।যদি কেউ খুর ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা নাভীর চুলকে পরিস্কার করে,তাহলে সেটা সুন্নত অনুযায়ী হবে না।(শরহে মাশারিক্ব) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1427&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1427&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
বর্তমান যুগে কোনটা করলে সুন্নাত হবে? প্রশ্নটা সম্পূর্ণ ভুল ও অযাচিত। সুন্নত সর্বদাই সুন্নত। তখনো সুন্নত হবে এবং এখনো সুন্নত থাকবে। &lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৬) নামাযে সুরাতে যে যে জায়গায় টান দিতে হবে ১/২/৩/৪ আলিফ অইখানে টান না দিলে নামাযও হবে। যেমন -সুরা ফাতিহা তে শেষ এর লাইন এ ৪ আলিফ টান।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৭) ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144092/?show=144113#a144113</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 02:03:33 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: ওযু করে সালাতে দাড়ালেই সাদা স্রাব নির্গত হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে করনীয়</title>
<link>https://ifatwa.info/144093/?show=144112#a144112</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
শরীয়তে ইসলামি সহজতার উপর নির্ভরশীল। শরীয়ত চায় না মানুষ কষ্টে নিপতিত হোক।আল্লাহ তা'আলা বলেন,&lt;br&gt;
يُرِيدُ اللَّهُ بِكُمُ الْيُسْرَ وَلَا يُرِيدُ بِكُمُ الْعُسْرَ &lt;br&gt;
আল্লাহ তোমাদের জন্য সহজ করতে চান; তোমাদের জন্য জটিলতা কামনা করেন না(সূরা বাক্বারা-১৮৫)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,&lt;br&gt;
(إِنَّ الدِّينَ يُسْرٌ)&lt;br&gt;
নিশ্চয় দ্বীনে ইসলাম সহজ।(সহীহ বুখারী-৩৯)&lt;br&gt;
 &lt;br&gt;
আপনার প্রশ্ন থেকে আমরা যা বুঝেছি,আপনার এ বিষয়টা হয়তো মনস্তাত্ত্বিক। এটা শয়তানের পক্ষ্য থেকে ওয়াসওয়াসা।যাতে করে শয়তান আপনাকে কষ্টে নিপতিত করে।এবং শেষ পর্যন্ত ইবাদতকে আপনার নিকট অসহনীয় ও কষ্টকর করে তুলতে পারে।সুতরাং এমন পর্যায়ের কাউকে আবার ওজু করার নির্দেশ দেয়া হবে না।এবং খুজতে আদেশ করা হবে না যে,কিছু বের হল কি না? বরং তার উপর দায়িত্ব হল সে প্রথমে ইস্তেঞ্জা করবে,তারপর লজ্জাস্থানে পানি ছিটিয়ে দিবে।যাতেকরে তার সামনে ওয়াসওয়াসার দরজা সমূলে ধংশ হয়ে যায়।অতঃপর সে অজু করবে এবং নামায পড়বে।সে শয়তানের প্ররোচনার দিকে ভ্রুক্ষেপ করবে না যে,কিছু বের হয়েছে কি না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;কিন্তু যদি কারো ঈয়াকিন বা পূর্ণ বিশ্বাস হয় যে,কিছু বের হয়েছে,তাহলে এমতাবস্থায় সে আবার অজু করতে হবে।সেজন্য আপনি রোমাল বা টিস্যু ইত্যাদি লজ্জাস্থানে রেখে তারপর পবিত্র হওযার চেষ্টা করবেন।&lt;br&gt;
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/4271&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4271&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
আপনি সন্দেহকে কোনো পাত্তাই দিবেন না। পাত্তা না দিয়ে নামায পড়বেন। দেখবেন ধীরে ধীরে সন্দেহপ্রবনতা চলে গেছে। নামাযের পূর্বে প্যাড খুলে ফেলে দিয়ে অজু করে নামায পড়বেন। যদি নামায পড়া সম্ভব না হয়, তাহলে মা'যুর কি না? সেটা যাচাই-বাছাই করে দেখবেন। মা'যুরের বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1746&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1746&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
মা'যুর কি না তা পরীক্ষা করার পর যদি দেখা যায় যে, আপনি মা'যুর। তাহলে প্রতি ওয়াক্তের জন্য একটি অজুই যথেষ্ট হিসেবে বিবেচিত হবে। নতুবা বারংবার অজু করে নামায আদায় করতে হবে।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144093/?show=144112#a144112</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 01:51:29 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: একাধিক কসমের কাফফারা ও আদায়ের পদ্ধতি</title>
<link>https://ifatwa.info/144090/?show=144111#a144111</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
কসম দুই প্রকারঃ (১) আল্লাহ বা তার সিফাতের উল্লেখপূর্বক কসম করা (২) আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কিছু দ্বারা কসম করা। আর তা হচ্ছে, শর্ত ও জাযা । &lt;br&gt;
আল্লাহ ব্যতীত ভিন্ন কিছু দ্বারা কসম করা আবার দুই প্রকার। যথাঃ (১) বাপ,দাদা ও নবী এবং নামায রোযা ইত্যাদির নাম উল্লেখপূর্বক কসম করা। এটা নাজায়েয। (২) শর্ত এবং জাযা উল্লেখপূর্বক কসম করা। তা আবার দুই প্রকার, যথা- (ক) যেখানে জাযা কোনো প্রকার ইবাদত থেকে হবে, যেমন যদি আমি ঐ কাজ করি, তাহলে আমার উপর রোযা ওয়াজিব। (খ) অথবা জাযা ইবাদতের মধ্য থেকে হবে না। যেমন, আমি যদি ঐ কাজ করি তাহলে আমার স্ত্রী তালাক বা আমার গোলাম আযাদ।  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/3101&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/3101&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;কসম করার পর ভঙ্গ করা অতঃপর পরপর আরো তিনবার কসম করা এবং ভঙ্গ করা। এখানে সর্বমোট ৪ টি কসমের কাফফারা দিতে হবে। কাফফারার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1808&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1808&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
১০ জন মিসকিনের প্রত্যেককে ৪ টি ফিতরা সমপরিমাণ টাকা দিয়ে দিলে কাফফারা আদায় হয়ে যাবে।&lt;br&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144090/?show=144111#a144111</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 01:36:55 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: এমন কোনো চিত্রর বা ডায়াগ্রাম এর দিকে কী দৃষ্টিপাত করা জায়েজ হবে?</title>
<link>https://ifatwa.info/144094/?show=144110#a144110</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;br&gt;
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
এক মহিলার সামনে আরেক মহিলার সতর কতটুকু এ সম্পর্কে ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়াতে বর্ণিত আছে,&lt;br&gt;
এক মহিলার সামনে অন্য মহিলার সতরঃ&lt;br&gt;
نظر المرأة إلى المرأة كنظر الرجل إلى الرجل، كذا في الذخيرة. وهو الأصح، هكذا في الكافي. ولا يجوز للمرأة أن تنظر إلى بطن امرأة عن شهوة، كذا في السراجية. ولا ينبغي للمرأة الصالحة أن تنظر إليها المرأة الفاجرة؛ لأنها تصفها عند الرجال فلا تضع جلبابها، ولا خمارها عندها، ولا يحل أيضا لامرأة مؤمنة أن تكشف عورتها عند أمة مشركة أو كتابية إلا أن تكون أمة لها، كذا في السراج الوهاج&lt;br&gt;
এক মহিলা অন্য মহিলার ঐ সমস্ত অঙ্গের দিকে দৃষ্টিপাত করতে পারবে,যা এক পুরুষ অন্য পুরুষের দিকে পারে।যখিরা নামক কিতাবে বর্ণিত আছে।এবং এটাই বিশুদ্ধ মত।(পুরুষের সামনে পুরুষের সতর কতটুকু সেটা পরে আসছে)কোনো মহিলার জন্য জায়েয নয় যে,সে আরেক মহিলার পেঠের  দিকে কামভাব নিয়ে তাকাবে।নেককার মহিলার জন্য উচিৎ নয় যে,তার দিকে কোনো বদকার মহিলা দৃষ্টি দিবে।কেননা ঐ বদকার মহিলা তার স্বামীর কাছে গিয়ে ঐ নেককার মহিলার শরীরের বর্ণনা দিবে।সুতরাং নেককার মহিলা, বদকার মহিলার সামনে নেকাব এবং উড়না খুলবে না।&lt;br&gt;
ঠিকতেমনি কোনো কিতাবি বা মুশরিক মহিলার সামনে নেককার মহিলার জন্য সতর খুলা জায়েয হবে না।তবে নিজের বাদীর সামনে জায়েয রয়েছে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/2461&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/2461&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!&lt;br&gt;
(১) প্রশ্নে উল্লেখিত ঐ সব ছবির দিকে দৃষ্টি পাত করা জায়েয হবে না।&lt;br&gt;
(২) প্রাইভেট পার্টস রিলেটেড এমন কোনো ডায়াগ্রাম এর দিকে দৃষ্টিপাত করা জায়েয হবে না। &lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144094/?show=144110#a144110</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 01:30:44 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হুজুর আগের একটা বিষয়ে জানার ছিল</title>
<link>https://ifatwa.info/144086/?show=144108#a144108</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&lt;/p&gt;&lt;div&gt;&lt;div&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;জবাবঃ-&lt;/div&gt;&lt;div&gt;আলহামদুলিল্লাহ!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;ওযর বিল জাহালত গ্রহণযোগ্য। চায় এ'তেকাদি মাসাঈল সম্পর্কিত হোক বা ফেকহী শাখাপ্রশাখাগত মাসাঈল সম্পর্কিত হোক।&lt;/div&gt;&lt;div&gt;যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt; ( رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا )&lt;/div&gt;&lt;div&gt;হে আমাদের পালনকর্তা, যদি আমরা ভুলে যাই কিংবা ভুল করি, তবে আমাদেরকে অপরাধী করো না।(সূরা বাকারা-২৮৬)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;অন্য এক আয়াতে আল্লাহ তা'আলা বলেন,&lt;/div&gt;&lt;div&gt; (وَلَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ فِيمَا أَخْطَأْتُمْ بِهِ وَلَكِنْ مَا تَعَمَّدَتْ قُلُوبُكُمْ وَكَانَ اللَّهُ غَفُورًا رَحِيمًا)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ ব্যাপারে তোমাদের কোন বিচ্যুতি হলে তাতে তোমাদের কোন গোনাহ নেই, তবে ইচ্ছাকৃত হলে ভিন্ন কথা। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।(সূরা আহযাব-৫)&lt;/div&gt;&lt;div&gt;এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a href=&quot;https://www.ifatwa.info/4560&quot; rel=&quot;nofollow&quot; target=&quot;_blank&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/4560&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;&lt;br&gt;&lt;/div&gt;&lt;div&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;/div&gt;&lt;div&gt;প্রশ্নের বিবরণমতে কোনো সমস্যা হবে না।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144086/?show=144108#a144108</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 01:11:14 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: শায়েখ এ বিষয়টা একটু ক্লেয়ার হওয়ার ছিল।</title>
<link>https://ifatwa.info/144074/?show=144107#a144107</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।&lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
الظِّهَارُ هُوَ تَشْبِيهُ الزَّوْجَةِ أَوْ جُزْءٍ مِنْهَا شَائِعٍ أَوْ مُعَبَّرٍ بِهِ عَنْ الْكُلِّ بِمَا لَا يَحِلُّ النَّظَرُ إلَيْهِ مِنْ الْمُحَرَّمَةِ عَلَى التَّأْبِيدِ وَلَوْ بِرَضَاعٍ أَوْ صِهْرِيَّةٍ كَذَا فِي فَتْحِ الْقَدِيرِ سَوَاءٌ كَانَتْ الزَّوْجَةُ حُرَّةً أَوْ أَمَةً أَوْ مُكَاتَبَةً أَوْ مُدَبَّرَةً أَوْ أُمَّ وَلَدٍ أَوْ كِتَابِيَّةً&lt;br&gt;
স্ত্রীকে মাহরামে আবদি যেমন মা,বোন ইত্যাদি ব্যক্তিবর্গের উল্লেখযোগ্য কোনো অঙ্গের দিকে বা এমন কোনো অঙ্গের সাথে তুলনা করা যেই অঙ্গের দিকে দৃষ্টি দেওয়া হারাম।মাহরামে আবদি দুধ সম্পর্কের কারণে হোক বা বৈবাহিক সম্পর্কের কারণে হোক। এবং স্ত্রী চায় আযাদ হোক বা বাদি হোক কিংবা মুকাতাব বা উম্মে ওলাদ হোক।জিহার হবে।ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৫০৬)&lt;br&gt;
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/60982&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/60982&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
নিজ স্ত্রীর কোমরকে শাশুড়ির কোমরের সাথে তুলনা করলে জিহার হবে। কেননা শাশুড়ি মাহরামে আবদী এর অন্তর্ভুক্ত। তবে তুলনা না করলে বা তুলনা করা উদ্দেশ্য না হলে,  তখন জিহার হবে না। &lt;br&gt;
&lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144074/?show=144107#a144107</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 01:05:24 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: সরকারি গাছের ফল খাওয়া,সরকারের আইন মানা,ব্যাংক সম্পর্কে</title>
<link>https://ifatwa.info/144078/?show=144106#a144106</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
অন্যর মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত কারো জন্য হালাল হয় না।  &lt;br&gt;
হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত,&lt;br&gt;
عن ابن عباس قال;قال رسول اللّٰه صلى اللّٰه عليه و سلم ﻻ ﻳﺤﻞ ﻣﺎﻝ ﺍﻣﺮﺉ ﻣﺴﻠﻢ ﺇﻻ ﺑﻄﻴﺐ ﻧﻔﺲ ﻣﻨﻪ &quot; &lt;br&gt;
নবী কারীম সাঃ বলেনঃ&quot;কোন মুসলমানের জন্য  অন্য কোনো মুসলমানের মাল তার অন্তরের সন্তুষ্টি ব্যতীত হালাল হবে না। (তালখিসুল হাবীর-১২৪৯) আরো জানুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1364&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1364&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
কলেজ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ব্যতিত কলেজের গাছের ফল খাওয়া  জায়েয হবে না। তবে পরিস্কার অনুমোদন থাকলে, তখন উক্ত ফলফলাদি খাওয়া যাবে । কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে থেকে সরাসরি জিজ্ঞাসা করে জেনে নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/9408&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/9408&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
(১) যেহেতু মেডিকেল কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ক্ষমতা রয়েছে, যা বাংলাদেশ আইন অনুযায়ী সিদ্ধ। সুতরাং কলেজ কর্তৃপক্ষের নির্দেশের উল্টো গমন করা আপনার জন্য জায়েয হবে না। &lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(২) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জারিকৃত আইন যদি কুরআন সুন্নাহ বিরোধী না হয়, তাহলে শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে সেই আইন মান্য করা জরুরী।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৩)  ইসলামী ব্যংক হোক বা সুদি ব্যাংক হোক, সুদি কাজে সহায়তা করা হবে, এমন কোনো ডিপার্টমেন্টে চাকুরী করা জায়েয হবে না। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/398&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/398&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৪) আইনজীবি বা বিচারপতি হওয়া কি জায়েয?  এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/598&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/598&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>হালাল ও হারাম (Halal &amp; Haram)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144078/?show=144106#a144106</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 00:53:45 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: Bie nie proshno</title>
<link>https://ifatwa.info/144075/?show=144105#a144105</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
মাতাপিতার সম্মতি ব্যতীত কখনো কোনো মুসলমান যুবক যুবতীর জন্য কোর্ট মেরেজ করা সমীচীন হবে না,মঙ্গলজনক হবে না।মাতাপিতাকে না জানিয়ে বালিগ ছেলে মেয়ের বিবাহ নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে।উনেক উলামায়ে কেরাম অভিভাবকহীন বিয়েকে বাতিল বলে মনে করেন।হানাফি মাযহাব মতে কু'ফু হিসেবে ছেলেটি যদি মেয়ের সমকক্ষ বা বেশী মর্যাদার অধীকারী হয়, কেবল তখনই বিয়ে শুদ্ধ হয়ে যাবে।নতুবা মেয়ের অভিভাবকের অনুমতির উপর বিয়ে মওকুফ থাকবে। &lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;লক্ষণীয় যে,&lt;br&gt;
হানাফি ফিকহের এই মাস'আলার সুযোগ নিয়ে অবৈধ প্রেম ভালবাসাকে গোপন বিয়ের মাধ্যমে হালাল করার অপচেষ্টা বর্তমানে চলছে। এত্থেকে অবশ্যই দূরে থাকতে হবে। গোপন বিবাহ দ্বারা কোনো কল্যাণই দৃষ্টিগোচর হয়না। শয়তানের পদাঙ্ক অনুসরণ এবং জৈবিক চাহিদা পূরণের মত ঘৃণ্য কাজই তাতে পরিলক্ষিত হয়। এবং এই ঘৃণ্য ও জগণ্য চাহিদা পূরণই এই অমসৃণ পথে পা বাড়াতে উদ্বুদ্ধ করে থাকে।&lt;br&gt;
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/2730&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/2730&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
ঐ বোনের প্রথম বিয়েটি বিশুদ্ধ ছিল। এখন যে করেই হোক, বোনটি তার প্রথম স্বামীর কাছ থেকে যেভাবেই হোক তালাক নিবে। চায় আফোসে হোক বা কোর্টের মাধ্যমে হোক। মৌখিক তালাকই যথেষ্ট। প্রথম স্বামীর কাছ থেকে তালাক গ্রহণ ব্যতিত ঐ বোনটি অন্য কোথাও বিয়ে বসতে পারবে না।&lt;/p&gt;</description>
<category>পরিবার,বিবাহ,তালাক (Family Life,Marriage &amp; Divorce)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144075/?show=144105#a144105</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 00:33:20 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: কাযআন ও দিয়ানাতান নিয়ে জানার ছিল</title>
<link>https://ifatwa.info/144072/?show=144104#a144104</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
&quot;(قَوْلُهُ: وَهِيَ حَالَةُ مُذَاكَرَةِ الطَّلَاقِ) أَشَارَ بِهِ إلَى مَا فِي النَّهْرِ مِنْ أَنَّ دَلَالَةَ الْحَالِ تَعُمُّ دَلَالَةَ الْمَقَالِ قَالَ: وَعَلَى هَذَا فَتُفَسَّرُ الْمُذَاكَرَةُ بِسُؤَالِ الطَّلَاقِ أَوْ تَقْدِيمِ الْإِيقَاعِ كَمَا فِي اعْتَدِّي ثَلَاثًا وَقَالَ قَبْلَهُ الْمُذَاكَرَةُ أَنْ تَسْأَلَهُ هِيَ أَوْ أَجْنَبِيٌّ الطَّلَاقَ&quot;&lt;br&gt;
( كتاب الطلاق، بَابُ الْكِنَايَاتِ، ٣ / ٢٩٧)&lt;br&gt;
মুযাকারায়ে তালাকের অর্থ হল, স্ত্রীর পক্ষ থেকে স্বামীর নিকট তালাকের আবেদন করা ,অথবা তৃতীয় কোনো ব্যক্তির পক্ষ থেকে স্বামীর নিকট তালাকের আবেদন এবং তামান্না করা। এই উভয় প্রকারকে 'মুতালাবায়ে তালাক বা মুযাকারায়ে তালাক' নামে অভিহিত করা হয়।তাছাড়া স্বামী যদি ইতিপূর্বে স্ত্রীকে এক বা দুই তালাক দিয়ে থাকে,তাহলে এদ্বারাও মুযাকারায়ে তালাক প্রমাণিত হবে।এই তৃতীয় প্রকারকে  তাকদীমূল ঈ'কা বলা হয়ে থাকে।(রদ্দুল মুহতার-৩/২৯৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/1049&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/1049&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;কাযাআন ও দিয়ানাতান এর ব্যখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/531&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/531&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
তালাক চাওয়ার পর বা তালাকের মজলিশে কেনায়া শব্দ বললে নিয়ত ছাড়া দিয়ানাতান তালাক হবে না। এটাই চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত। হ্যা, প্রথমে সংক্ষেপে বলা হত। এখন যেহেতু এসম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরী হচ্ছে, তাই ব্যখ্যা সহ উল্লেখ করা হচ্ছে। &lt;/p&gt;</description>
<category>বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144072/?show=144104#a144104</guid>
<pubDate>Wed, 13 May 2026 00:24:47 +0000</pubDate>
</item>
<item>
<title>Answered: হালাল হারাম সংমিশ্রণজাত টাকা দ্বারা কুরবানি করা যাবে কি?</title>
<link>https://ifatwa.info/144071/?show=144102#a144102</link>
<description>&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। &lt;br&gt;
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।&lt;br&gt;
জবাবঃ-&lt;br&gt;
আলহামদুলিল্লাহ!&lt;br&gt;
বর্তমান সময়ে বাসায় টাকা-পয়সা রাখা অনেকটা অনিরাপদ।অন্যদিকে সুদ হারাম,এবং সুদী কাজে সাহায্য করাও হারাম।&lt;br&gt;
তাই বলা যায় যে,এসমস্ত ব্যাংকে সেভিংস একাউন্টে টাকা রাখা যাবে না। কেননা তখন ব্যাংক কর্তৃত আইনগতভাবে উক্ত টাকা সুদী কারবারে ব্যবহৃত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যদিও ব্যাংক চাহিবামাত্র গ্রাহককে উক্ত টাকা দিতে বাধ্য থাকে। এজন্যই উলামায়ে কেরাম পরামর্শ দেন যে,উক্ত ব্যাংক সমূহে কারেন্ট একাউন্ট খুলে টাকা রাখতে হবে। কেননা কারেন্ট একাউন্টের টাকা আইনগতভাবে ব্যাংক ব্যবহার করতে পারেনা। যদি কোনো কারণে ঐ সব সুদী ব্যাংক সমূহে কারেন্ট একান্ট খুলা দুস্কর হয়ে যায়, তাহলে সুদ গ্রহণ না করার শর্তে তাতে সেভিংস একাউন্ট খুলে  টাকা রাখা যাবে।উলামায়ে কেরাম এ অনুমোদন দিয়েছেন।সুদী ব্যাংকে একাউন্ট খুলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-&lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/753&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/753&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সুপ্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন!&lt;br&gt;
বর্তমান সময়ে প্রয়োজন বিবেচনায় ব্যাংকে একাউন্ট খুলার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে সুদ যা আসবে, তা সদকাহ করতে হবে। তবে মূলধন হালাল থাকবে।(শেষ)&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;&quot;إن خلط الغاصب المال المغصوب أو الحرام بمال نفسه الحلال، فالصحيح فى مذهب الحنفية أنه يجوز له الانتفاع من المخلوط بقدر حصته فيه، وكذلك يجوز للآخذ منه هبة أو شراء أو إرثا أن ينتفع به بذلك القدر&quot; ( فقہ البیوع2/1054 ط: مکتبۃ معارف القرآن)&lt;br&gt;
এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/98444&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/98444&lt;/a&gt;&lt;br&gt;&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!&lt;br&gt;
(১) এই লভ্যাংশ ব্যবহার করা জায়েয হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(২) উনি কতটাকা জমা রেখেছেন এবং কতটাকা লাভ পেয়েছেন,তার কোনো হিসাব যদি উনার নিকট না থাকে, তাহলে তিনি ব্যাংককে জিজ্ঞাসা করে জেনে নিবেন। যদি জানার কোনো উপায় না থাকে, তাহলে অধিকাংশ ধারণার উপর আমল করবেন। যদি অধিকাংশ ধারণা হয় যে, ব্যাংকে জমাকৃত মূলধন দ্বারা কুরবানির জন্তু পাওয়া যাবে, তাহলে ঐ টাকা দ্বারা কৃত কুরবানি জায়েয হবে। নতুবা কুরবানি করা জায়েয হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৩) যদি জায়েয না হয়, তাহলে কারো কাছ থেকে কর্যে হাসানা নিয়ে কুরবানি করে পরবর্তীতে ডিপোজিটের টাকা থেকে পরিশোধ করলে হবে না।&lt;/p&gt;
&lt;p dir=&quot;ltr&quot;&gt;(৪) যদি ওনি এসব মানতে না চায়, এই টাকা দিয়ে কুরবানী দিয়ে থাকে তাহলে ওনার সন্তানের এই খাবার খাওয়া জায়েজ হবে না। বিস্তারিত জানুন- &lt;a rel=&quot;nofollow&quot; href=&quot;https://www.ifatwa.info/2362&quot;&gt;https://www.ifatwa.info/2362&lt;/a&gt;&lt;/p&gt;</description>
<category>কুরবানী (Slaughtering)</category>
<guid isPermaLink="true">https://ifatwa.info/144071/?show=144102#a144102</guid>
<pubDate>Tue, 12 May 2026 20:43:28 +0000</pubDate>
</item>
</channel>
</rss>