তাহলে দেখে পরীক্ষা দেওয়ার পর, কেউ যদি বলে "আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলাম,আল্লাহ কবুল করেছেন পরীক্ষা ভালো হয়েছে "
এগুলো বলা কি কুফর হবে ্???
দলিল সহ বিস্তারিত জানতে চাই, কুফর না হলে তার কারণ ও জানতে চাই
পরীক্ষায় ভালো ফলাফলের পর কেউ যদি বলে, "আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলাম, আল্লাহ কবুল করেছেন, পরীক্ষা ভালো হয়েছে," তাহলে এটি কুফর নয়, বরং এটি একজন মুমিনের জন্য উত্তম ও প্রশংসনীয় কথা। কারণ এতে আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও তাঁর ক্ষমতার স্বীকৃতি প্রকাশ পায়। কুফর তখনই হয় যখন কেউ আল্লাহর অনুগ্রহ অস্বীকার করে বা অন্য কারো প্রতি সেটি আরোপ করে। এখানে তো স্পষ্টভাবে আল্লাহর দিকে ফলাফল সম্পর্কিত করা হয়েছে, যা ঈমানের দাবি।
দলিল:
কুরআন ও হাদিসে দোয়া করার এবং আল্লাহর কবুল করার প্রতি উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। আল্লাহ বলেন:
"তোমরা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দেব।" (সূরা গাফির, ৪০:৬০)
এছাড়া রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: "দোয়াই হলো ইবাদত।" (সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৩৭২)
কেউ দোয়া করে ফল পেলে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে কবুল হওয়া এবং তা বলা ঈমানের অংশ, কুফর নয়।
সংশ্লিষ্ট ফতোয়া:
ইসলামী ফিকহের আলোকে, কেউ যদি দোয়া করার পর আল্লাহর কাছে ফলাফল পাওয়ার কথা বলে, তাহলে তা শিরক বা কুফর নয়, বরং এটি তাওহীদের পরিপন্থী নয়। বরং এটি আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও নির্ভরতার বহিঃপ্রকাশ। (মারাকিল ফালাহ, পৃষ্ঠা ২৩৪; শামী, ১/৪২)
যদি কেউ মনে করে যে, দোয়া ছাড়া নিজের প্রচেষ্টায় ফল হয়েছে, বা অন্য কারো কারণে হয়েছে, তাহলে সেটি শিরক হতে পারে। কিন্তু এখানে স্পষ্টভাবে আল্লাহর প্রতি দোয়া ও তাঁর কবুলের কথা বলা হয়েছে, যা সম্পূর্ণ বৈধ।
মূল কথা:
উক্ত বাক্যটি কুফর নয়। বরং এটি মুমিনের বিশ্বাসের প্রতিফলন। কারণ দোয়া করা এবং তা কবুল হওয়া আল্লাহর ইচ্ছা ও ক্ষমতার ওপর নির্ভরশীল। তাই এ কথা বলা ইসলাম বিরোধী নয় বরং প্রশংসনীয়।
উৎস:
- ifatwa.info এর ফতোয়া: [দোয়া কবুল হওয়া ও আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা কুফর নয়](https://ifatwa.info/10725/)
- কুরআন: সূরা গাফির, ৪০:৬০
- হাদিস: সুনান আত-তিরমিজি, হাদিস নং ৩৩৭২
উত্তর:
প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি কুফর নয়। কারণ এটি আল্লাহর প্রতি দোয়া ও তাঁর কবুলের স্বীকৃতি, যা ঈমানের অংশ।
সূত্র: ifatwa.info ও হানাফি কিতাবের রেফারেন্স।
Model: deepseek-v4-flash | Token: 1845 | Input: 242 | Output: 1603 | Cost: $0.000505 | Cost BDT: ৳0.07