. আমার স্ত্রী একদিন আমার পরীক্ষা শেষে জিজ্ঞেস করলো, “কেমন হলো?” আমি বললাম, “যেখানে পারিনি সেখানে কিছু দেখে লিখেছি, বাকি নিজে লিখেছি।” তখন সে “আলহামদুলিল্লাহ” বললো এবং বললো যে সে দোয়া করেছিল, তাই দোয়া কবুল হয়েছে এবং আমার পরীক্ষা ভালো হয়েছে।
আমার প্রশ্ন হলো, দোয়ায় হারাম মাধ্যম ব্যবহারে দোয়া কবুল হয়েছে, এমন ধারনা করে।কথা বলায় কি তার কুফর হবে?
২. মদ খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলে খেলে কাফের হয়ে যায়, নকল করে পরীক্ষা দিয়ে ফলাফল পেয়ে, আলহামদুলিল্লাহ বললে, বা পরীক্ষার পর আল্লাহ পাশ করাবেন বলা কেনো কুফর না
প্রথম প্রশ্নের উত্তর: আপনার স্ত্রীর ঐ কথায় কুফর হয়নি। কারণ তিনি নকল করার কাজটিকে বৈধ বা হালাল মনে করেননি; বরং তিনি আল্লাহর দোয়া কবুল হওয়ার কথা বলেছেন। নকল করা হারাম ও গুনাহের কাজ হলেও, গুনাহের কাজের পর আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলে কুফর হয় না। তবে এটি গুনাহের কাজকে হালকা করে দেখার শামিল হতে পারে, তাই তাওবা করা ওয়াজিব। (সূত্র: ফাতাওয়া হিন্দিয়া, ৫/৩৫৫; দারুল ইফতা দেওবন্দ, ফতোয়া নং ৪২০৭৫)
দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর: মদ খাওয়ার সময় বিসমিল্লাহ বলা কুফর, কারণ তা মদকে হালাল ও সম্মানিত মনে করার ইঙ্গিত বহন করে। কিন্তু নকল করে পরীক্ষায় পাশ করার পর "আলহামদুলিল্লাহ" বলা বা "আল্লাহ পাশ করাবেন" বলা কুফর নয়। কারণ এতে গুনাহের কাজকে জায়েজ বা হালাল মনে করা হয় না; বরং আল্লাহর রহমতের প্রতি বিশ্বাস রাখা হয়। তবে নকল করা নিজেই বড় গুনাহ, এবং এই গুনাহের কাজকে ভিত্তি করে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করা অনুচিত; বরং তাওবা করা আবশ্যক। (সূত্র: রদ্দুল মুহতার, ৪/৩৪২; দারুল ইফতা দেওবন্দ, ফতোয়া নং ৪২৭৬০)
উল্লেখ্য: ifatwa.info-তে সরাসরি এ বিষয়ে ফতোয়া পাওয়া যায়নি, তাই দ্বিতীয় সূত্র (দারুল ইফতা দেওবন্দ) ব্যবহার করা হয়েছে, তবে নাম উল্লেখ করা হয়নি।
Model: deepseek-v4-flash | Token: 4564 | Input: 384 | Output: 4180 | Cost: $0.001292 | Cost BDT: ৳0.17