সুদের টাকা দিয়ে বাসা বাউন্ডারি দেয়া যাবে?
না, সুদের টাকা দিয়ে বাসা বাউন্ডারি (সীমানা প্রাচীর) নির্মাণ করা জায়েজ নয়। কারণ সুদ (রিবা) স্পষ্টভাবে হারাম এবং নাজস (অপবিত্র) অর্থ। এই অর্থ দিয়ে কোনো ব্যক্তিগত সম্পদ বা স্থায়ী নির্মাণ কাজ করা অনুমোদিত নয়, বরং তা থেকে বেরিয়ে আসা ওয়াজিব।
হাদিসের প্রমাণ:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, «لَعَنَ اللَّهُ آكِلَ الرِّبَا وَمُؤْكِلَهُ وَشَاهِدَهُ وَكَاتِبَهُ»
"সুদখোর, সুদদাতা, তার সাক্ষী ও লেখক—সবার উপর আল্লাহর লানত।"
(সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ১৫৯৮)
ফিকহি নির্দেশনা:
হানাফী ফিকহের কিতাবসমূহে এসেছে, হারাম মাল ব্যক্তিগত প্রয়োজনে বা স্থায়ী নির্মাণে ব্যবহার করা বৈধ নয়; বরং তা ফেলে দেওয়া বা কোনো নেক কাজের নিয়ত না করে গরিব-মিসকীনকে দিয়ে দেওয়া উচিত (যাতে তা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যায়) তবে সওয়াবের আশা করা যাবে না। (দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়া নং: ১৪৪১৫০১০১০০০১০_২)
তাই সুদের টাকা দিয়ে বাউন্ডারি নির্মাণ করা জায়েজ নয়। টাকাটি যদি ফেরত দেওয়া সম্ভব হয় তবে মূল মালিককে ফিরিয়ে দিন; অন্যথায় কোনো পাবলিক কল্যাণমূলক কাজে (যেমন: রাস্তা, মসজিদের পায়খানা ইত্যাদি) সওয়াবের আশা ছাড়া ব্যবহার করুন, তবে নিজের বা পরিবারের জন্য নয়।
সূত্র লিংক:
https://ifatwa.info/3615/ (যদি ওয়েবসাইট কার্যকর না হয়, তবে দারুল উলুম দেওবন্দের ফতোয়াও প্রযোজ্য)
উপসংহার: সুদের টাকা দিয়ে ব্যক্তিগত কোনো নির্মাণ কাজ (বাউন্ডারি দেওয়াসহ) বৈধ নয়। তা থেকে সম্পূর্ণরূপে পরিত্রাণ পাওয়ার চেষ্টা করুন।
Model: deepseek-v4-flash | Token: 1795 | Input: 90 | Output: 1705 | Cost: $0.000521 | Cost BDT: ৳0.07