রমজানে যে রোজা রাখা হয়নি ওই ডোজা কি কয় টক দিন পর পর রেখে দিলে হবে?
মানে কিছু দিন রোজা রাখার পর আবার কিছু দিন না রাখলে কিছু হবে?
হ্যাঁ। হানাফি ফিকহ অনুসারে রমজানে যেসব রোজা বাদ পড়েছে সেগুলো একে একে বা বিরতিতে (অন্তর রেখে) পূরণ করা যাবে — বাধ্যতামূলকভাবে ধারাবাহিকভাবে রাখতে হবে না। যদি কোনো ٹھوس শর্ত (যেমন অসুখ, ভ্রমণ ইত্যাদি) না থাকে এবং আপনি সক্ষম হন, তবে তাড়াতাড়ি তা পূরণ করা উত্তম; কিন্তু সাময়িক অক্ষমতার কারণে পরে কিছুদিন বাদ দিয়ে করতে পারলে তাতেও কোনো গুনাহ নেই। আর যদি স্থায়ীভাবে রোজা রাখা সম্ভব না হয় (দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা ইত্যাদি), তাহলে হানিফী উস্তাদদের মতে কফারা/ফিদিয়া দেওয়া উচিত।
তথ্যসূত্র (হানাফি কিতাব ও রায়):
- আল-হিদায়া, কিতাবাস-সাওম, বব্ ‘ফি কাদা’র আলোচনা — (Al-Hidayah, Kitab al-Sawm, Bab al-Qada)।
- রাদ্দুল-মুত্তার (ইবন আবিদীন), হাশিয়া, কিতাবাস-সাওম — রোজা বাদ পড়লে কাদা ও ফিদিয়া সম্পর্কিত ফতবা (Radd al-Muhtar, Hashiya ‘ala Durr al-Mukhtar, Kitab al-Sawm)।
- ফতাওয়া আল-হিন্দিয়া / ফতাওয়ায়ে আলামগীরী, কিতাবাস-সাওম — রোজা কাদার নিয়মাবলি।
(উপরের কিতাবগুলোতে “রোজা কাদা” বিষয়ক অধ্যায়ে একই রায় এবং বিস্তারিত ব্যাখ্যা রয়েছে।)