সৌন্দর্যের জন্য নখ বড় রাখা জায়েজ কিনা?
iftawa.info (হানাফি মত) অনুযায়ী সংক্ষিপ্ত উত্তর—
- পুরুষদের জন্য: সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে নখ দীর্ঘ রাখা জায়েজ নয়। নখ কাটা (ক্লিপ করা) fitrah (স্বাভাবিক শিষ্টাচার)–এর অংশ; রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: “পাঁচটি জিনিস fitrah‑র মধ্যে: মুঢা কাটা, নখ কাটা, মূখ সাক (খেঁচানো দাড়ি/দাঁত পরিষ্কার) ইত্যাদি।” (সহীহ মুসলিম — হাদিস নং 257)। এছাড়া পুরুষের পক্ষ থেকে নারীর মত সাজসজ্জা অনুকরণ করা হারাম/নাগাদ (দেখার জন্য: “মহিলাদের অনুকরণ করে পুরুষদের অভিশাপ” — সুনান আবী দাউদ, হাদিস حوالি)।
- নারীদের জন্য: স্বামীর ইজ্জত-সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে নখ সামান্য দীর্ঘ রাখা সাধারণত জায়েজ; কিন্তু ইসলামী শুদ্ধতা শর্ত মানতে হবে — নখ এত সহজ লম্বা নয় যে ওযু/গুসল‑এ পানি চামড়ায় পৌঁছাতে না পারে। যদি নখে রং/পলিশ বা এত লম্বা হওয়ায় পানি ছিঁড়ে না পৌঁছায়, তাহলে তা সরাতে হবে; নখ‑এর নিচে পানি পৌঁছানো জরুরি। এই ন্যায্যতা ও ওযু‑এর শর্ত সংক্রান্ত মূল নির্দেশনাটি fitrah‑সংক্রান্ত হাদিস দ্বারা মূলত নিহিত (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং 257) এবং ফিকহে মাসলাহত অনুযায়ী বিবেচিত।
সংক্ষিপ্ত নোট: বিস্তারিত পরিস্থিতি (পুরুষ না মহিলা, ওযু‑সংক্রান্ত জটিলতা, নখে পলিশ ইত্যাদি) অনুযায়ী ফিকহি বিবেচনা পরিবর্তিত হতে পারে; উপরে উল্লিখিত মূল হাদিস‑সংখ্যা ভিত্তি হিসেবে দেখুন — সহীহ মুসলিম হাদিস নং 257 (fitrah: নখ কাটা) এবং সহীহ/সুন্নাহ‑সংক্রান্ত ইতালিক হাদিস‑রেফারেন্স (সুনান আবী দাউদ) যার মাধ্যমে পুরুষদের নারীর অনুকরণ সম্পর্কে সতর্কতা আছে।