0 votes
86 views
in সালাত(Prayer) by (2 points)
1.Assalamu alaikum
Jodi namaz a sahu sijdah deyar kotha kintu ami bhule durud porjonto pore felesi arpor jodi dan pashe salam firiye sijdah kore tashahhud,durud,dua masura pore namaz shesh kori namaz ki hobe?

Naki abar porte hobe?

2.jodi tashahhud,durud,dua masura pore 2 pashe salam firiye arpor khali 2 ta sijdah kore sathe sathe namaz theke uthe jai abar tashahhud,durud na pore abhabe o bole sijdah sahu hoy...niyom ta ki ashole e thik?

3.onek somoy dekha jay je ranna ghor moyla thamo,poka marar oshudh dea thake,rannaghor ta porishkar lage na nijer kase,monehoy je pore jaoya khabar dhule o moyla jabe na tokhon o ki niche pore jaoya khabar na khele gunah hobe?

1 Answer

0 votes
by (49,760 points)
বিসমিহি তা'আলা

ভূমিকা-
সাহু সেজদার উত্তম পদ্ধতি সম্পর্কে ফুকাহায়ে কেরামদের অনেক মতবিরোধ রয়েছে।তন্মধ্যে সর্বোত্তম পদ্ধতি সম্পর্কে  ফাতওয়ায়ে হিন্দিয়াতে অত্যান্ত সারগর্ভ আলোচনা করা হয়েছে।

নিম্নে তা উল্লেখ করা হল......
وَالصَّوَابُ أَنْ يُسَلِّمَ تَسْلِيمَةً وَاحِدَةً وَعَلَيْهِ الْجُمْهُورُ وَإِلَيْهِ أَشَارَ فِي الْأَصْلِ، كَذَا فِي الْكَافِي وَيُسَلِّمُ عَنْ يَمِينِهِ، كَذَا فِي الزَّاهِدِيِّ وَكَيْفِيَّتُهُ أَنْ يُكَبِّرَ بَعْدَ سَلَامِهِ الْأَوَّلِ وَيَخِرَّ سَاجِدًا وَيُسَبِّحَ فِي سُجُودِهِ ثُمَّ يَفْعَلَ ثَانِيًا كَذَلِكَ ثُمَّ يَتَشَهَّدَ ثَانِيًا ثُمَّ يُسَلِّمَ، كَذَا فِي الْمُحِيطِ.
وَيَأْتِي بِالصَّلَاةِ عَلَى النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ -
অর্থাৎ-সেজদায়ে সাহুর সর্বোত্তম পদ্ধতি হচ্ছে, শেষ বৈঠকে তাশাহুদ পড়ার পর এক সালাম ডানদিকে ফিরাবে, অতঃপর আল্লাহু আকবর বলে সেজদায় চলে যাবে, এবং সেথায় (নামাযের সেজদার তাসবীহের মত)তাসবীহ পাঠ করবে,এবং এভাবে দ্বিতীয় সেজদাও আদায় করবে,অতঃপর তাশাহুদ ও দরুদ শরীফ পড়ে সালাম ফিরাবে,।

দরুদ শরীফও দু'আয়ে মাছুরা কখন পড়বে?
সেজদায়ে সাহু দেয়ার পূর্বে দরুদ শরীফ ও অন্যান্য দু'আয়ে মাছুরা পড়বে নাকি সেজদায়ে সাহু দেয়ার পরে পড়বে? এ ব্যাপারে উত্তম কি?

এ সম্পর্কে ফাতওয়ায়ে  হিন্দিয়াতে বর্ণিত আছে.....
وَالدُّعَاءِ فِي قَعْدَةِ السَّهْوِ هُوَ الصَّحِيحُ وَقِيلَ: يَأْتِي بِهِمَا فِي الْقَعْدَةِ الْأُولَى، كَذَا فِي التَّبْيِينِ. وَالْأَحْوَطُ أَنْ يُصَلِّي-
দরুদ ও দু'আ সমূহ সেজদায়ে সাহু দেয়ার পরে পড়াই উত্তম এবং এটাই বিশুদ্ধ অভিমত। তবে কেউ কেউ সেজদায়ে সাহুর পূর্বে নামাযের বৈঠকেও পড়ার অভিমত ব্যক্ত করে থাকেন(এবং কেউ কেউ উভয় বৈঠকে)।
তবে সর্বোচ্ছ সতর্কতাজনক পদক্ষেপ হল, সময়-সুযোগ থাকলে পূর্ণ নামাযকে আবার প্রথম থেকে দোহরিয়ে পড়া।(ফাতাওয়া হিন্দিয়া-১/১২৫)(দারুল ফিকর (বাইরুত) মাকতাবা থেকে ৬ খন্ডে ১৩১০হিজরীতে প্রকাশিত)আরও বর্ণিত রয়েছে,
আল মুহিত বুরহানী১/৪৯৯

এবার মূল আলোচনায় আসা যাক-
জবাবঃ-
(১)
নামাযে অনিচ্ছাকৃত কয়েকবার ভূল হলে(ওয়াজিব ছুটে গেলে) কয়েকটা সেজদায়ে সাহু আসবে না বরং অনেকবার ভূলের জন্য শুধুমাত্র একটি সেজদায়ে সাহু-ই যথেষ্ট হবে।
সুতরাং আপনার বর্ণনাকৃত সূরতে নামায বিশুদ্ধ হয়ে যাবে।

হযরত আয়েশা রাযি থেকে বর্ণিত,
عائشة رضي الله عنها قالت: قال رسول الله يَةُ: « سجدتا السهو تجزئان من كل زيادة ونقص
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, দু'টি সাহুর সেজদা নামাযে সকল রকম 'কমবেশ' এর জন্য যথেষ্ট হবে।(সুনানে কুবরা- বায়হাক্বী-৩৯৬৭)

(২)
মুস্তাহাব পদ্ধতি হল,
প্রথমে তাশাহুদ পড়া পর ডান দিকে এক সালাম ফিরিয়ে দু'টি সেজদা দেয়ার পর আবার বৈঠক করে তাশাহুদ ও দুরুদ শরীফ পড়ে দুই সালাম ফিরিয়ে নামাযকে সম্পন্ন করা।

কেউ যদি সেজদায়ে সাহু দেয়ার পর আর বৈঠক না করে,বরং সাথে সাথে উঠে চলে যায়,তাহলে এক্ষেত্রে তার নামায ফাসেদ হবে না। যদিও সেটা মুস্তাহাবের খেলাফ হয়েছে।

ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়ায় বর্ণিত রয়েছে,
القعدة بعد سجدتي السهو ليست بركن وإنما أمر بها بعد سجدتي السهو ليقع ختم الصلاة بها حتى لو تركها فقام وذهب لا تفسد صلاته، كذا قاله الحلواني، كذا في السراج الوهاج.
সেজদায়ে সাহুর পর বৈঠক করা(তাতে তাশাহুদ এবং দুরুদ শরীফ পড়া) কোনো রুকুন নয়।তবে এর নির্দেশ দেয়া হয়েছে যাতেকরে নামাযের শেষ অধিবেশনটা তাশাহুদ এবং দুরুদ শরীফের দ্বারা সম্পন্ন হয়।সুতরাং কেউ যদি সেজদায়ে সাহু পরবর্তী বৈঠক-কে তরক করে ফেলে,এবং সাথে সাথে সে দাড়িয়ে যায়,এবং নামাযকে ত্যাগ করে চলে যায়,তাহলে এমতাবস্থায় তার নামায ফাসিদ হবে না।হুলওয়ানী রাহ এমনটাই বলেছেন।(আস-সিরাজুল ওয়াহহাজ) ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/১২৬

হানাফি মাযহাবে এক সালাম ফিরিয়ে দু'টি সেজদায়ে সাহু দেয়ার বিধান  মূলত পরস্পর বিরোধী হাদীসকে একত্রিত করার স্বার্থেই দেয়া হয়েছে।কেননা কোনো কোনো হাদীসে সালামের পূর্বে এবং কোনো হাদীসে সালামের পর সেজদায়ে সাহুর কথা উল্লেখাত রয়েছে।এই উভয় প্রকার হাদীসের মধ্যে সামঞ্জস্যতা সৃষ্টি করতেই এমন বিধান দেয়া হয়েছে।(কিতাবুন-নাওয়াযিল-৩/৬০৫)

(৩)
পরে যাওয়া খাদ্যকে তুলে খাওয়া সম্পর্কে হাদীসে বর্ণিত রয়েছে-

হযরত জাবের রাযি থেকে বর্ণিত-
عنْ ﺟَﺎﺑِﺮٍ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﻠﻪ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ :
( ﺇِﻥَّ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻳَﺤْﻀُﺮُ ﺃَﺣَﺪَﻛُﻢْ ﻋِﻨْﺪَ ﻛُﻞِّ ﺷَﻲْﺀٍ ﻣِﻦْ ﺷَﺄْﻧِﻪِ ، ﺣَﺘَّﻰ ﻳَﺤْﻀُﺮَﻩُ ﻋِﻨْﺪَ ﻃَﻌَﺎﻣِﻪِ ، ﻓَﺈِﺫَﺍ ﺳَﻘَﻄَﺖْ ﻣِﻦْ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﺍﻟﻠُّﻘْﻤَﺔُ ﻓَﻠْﻴُﻤِﻂْ ﻣَﺎ ﻛَﺎﻥَ ﺑِﻬَﺎ ﻣِﻦْ ﺃَﺫًﻯ ، ﺛُﻢَّ ﻟﻴَﺄْﻛُﻠْﻬَﺎ ﻭَﻟَﺎ ﻳَﺪَﻋْﻬَﺎ ﻟِﻠﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ ، ﻓَﺈِﺫَﺍ ﻓَﺮَﻍَ ﻓَﻠْﻴَﻠْﻌَﻖْ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌَﻪُ ؛ ﻓَﺈِﻧَّﻪُ ﻟَﺎ ﻳَﺪْﺭِﻱ ﻓِﻲ ﺃَﻱِّ ﻃَﻌَﺎﻣِﻪِ ﺗَﻜُﻮﻥُ ﺍﻟْﺒَﺮَﻛَﺔُ )
শয়তান তোমাদের নিকট সর্বাবস্থায় উপস্থিত থাকার চেষ্টা করে।এমনকি তোমাদের খাদ্যগ্রহণের সময় ও সে উপস্থিত হয়।যখন তোমাদের কারো খাদ্যর কোনো লুকমা পড়ে যায়। তখন ব্যক্তি যেন তার উপরে থাকা ধুলো-বালুকে পরিস্কার করে নেয়, অতঃপর সে যেন তা খেয়ে নেয়। শয়তানের জন্য যেন সে উক্ত খাবারকে ছেড়ে না দেয়। অতঃপর যখন খাওয়াকে শেষ করে নেবে,তখন যেন সে আঙ্গুলকে চেটে চেটে খেয়ে নেয়, কেননা সে তো জানেনা তার খাদ্যর কোন স্থানে বরকত রয়েছে।(সহীহ মুসলিম-২০৩৩)

হযরত আনাস রাযি থেকে বর্ণিত,
ﻭﻋَﻦْ ﺃَﻧَﺲٍ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ : ( ﺃَﻥَّ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﻛَﺎﻥَ ﺇِﺫَﺍ ﺃَﻛَﻞَ ﻃَﻌَﺎﻣًﺎ ﻟَﻌِﻖَ ﺃَﺻَﺎﺑِﻌَﻪُ ﺍﻟﺜَّﻠَﺎﺙَ ، ﻗَﺎﻝَ ﻭَﻗَﺎﻝَ : ﺇِﺫَﺍ ﺳَﻘَﻄَﺖْ ﻟُﻘْﻤَﺔُ ﺃَﺣَﺪِﻛُﻢْ ﻓَﻠْﻴُﻤِﻂْ ﻋَﻨْﻬَﺎ ﺍﻟْﺄَﺫَﻯ ﻭَﻟْﻴَﺄْﻛُﻠْﻬَﺎ ﻭَﻟَﺎ ﻳَﺪَﻋْﻬَﺎ ﻟِﻠﺸَّﻴْﻄَﺎﻥِ ، ﻭَﺃَﻣَﺮَﻧَﺎ ﺃَﻥْ ﻧَﺴْﻠُﺖَ ﺍﻟْﻘَﺼْﻌَﺔَ ، ﻗَﺎﻝَ : ﻓَﺈِﻧَّﻜُﻢْ ﻟَﺎ ﺗَﺪْﺭُﻭﻥَ ﻓِﻲ ﺃَﻱِّ ﻃَﻌَﺎﻣِﻜُﻢْ ﺍﻟْﺒَﺮَﻛَﺔُ )
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেছেন, যখন কেউ খাদ্য গ্রহণ করে তখন যেন সে তার আঙ্গুল গুলো তিনবার চেটে খায়।অতঃপর তিনি বলেন,যখন তোমাদের কারো খাদ্যর কোনো লুকমা পড়ে যাবে। তখন যেন সে উক্ত খাদ্যর উপরে থাকা ধুলো-বালুকে পরিস্কার করে তা খেয়ে নেয়।শয়তানের জন্য যেন সে উক্ত খাদ্যকে না ছাড়ে। এবং রাসূলুল্লাহ সাঃ আমাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন,যেন আমরা বরতন কে ছেটে খাই।অতঃপর তিনি বলেন,তোমরা জাননা তোমাদের কোন খাদ্যর মধ্যে রবেকত রয়েছে।(সহীহ মুসলিম-২০৩৪)

ইমাম নববী রাহ উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন-
" ﻣﻌﻨﺎﻩ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻋﻠﻢ : ﺃﻥ ﺍﻟﻄﻌﺎﻡ ﺍﻟﺬﻯ ﻳﺤﻀﺮﻩ ﺍﻹﻧﺴﺎﻥ ﻓﻴﻪ ﺑﺮﻛﺔ ، ﻭﻻ ﻳُﺪﺭﻯ ﺃﻥ ﺗﻠﻚ ﺍﻟﺒﺮﻛﺔ ﻓﻴﻤﺎ ﺃﻛﻠﻪ ، ﺃﻭ ﻓﻴﻤﺎ ﺑﻘﻲ ﻋﻠﻰ ﺃﺻﺎﺑﻌﻪ ، ﺃﻭ ﻓﻲ ﻣﺎ ﺑﻘﻲ ﻓﻲ ﺃﺳﻔﻞ ﺍﻟﻘﺼﻌﺔ ، ﺃﻭ ﻓﻰ ﺍﻟﻠﻘﻤﺔ ﺍﻟﺴﺎﻗﻄﺔ ، ﻓﻴﻨﺒﻐﻲ ﺃﻥ ﻳﺤﺎﻓﻆ ﻋﻠﻰ ﻫﺬﺍ ﻛﻠﻪ ﻟﺘﺤﺼﻞ ﺍﻟﺒﺮﻛﺔ ، ﻭﺃﺻﻞ ﺍﻟﺒﺮﻛﺔ ﺍﻟﺰﻳﺎﺩﺓ ﻭﺛﺒﻮﺕ ﺍﻟﺨﻴﺮ ﻭﺍﻹﻣﺘﺎﻉ ﺑﻪ ، ﻭﺍﻟﻤﺮﺍﺩ ﻫﻨﺎ ﻭﺍﻟﻠﻪ ﺃﻋﻠﻢ : ﻣﺎ ﻳﺤﺼﻞ ﺑﻪ ﺍﻟﺘﻐﺬﻳﺔ ، ﻭﺗﺴﻠﻢ ﻋﺎﻗﺒﺘﻪ ﻣﻦ ﺃﺫﻯ ، ﻭﻳُﻘَﻮِّﻱ ﻋﻠﻰ ﻃﺎﻋﺔ ﺍﻟﻠﻪ ﺗﻌﺎﻟﻰ ﻭﻏﻴﺮ ﺫﻟﻚ " ﺍﻧﺘﻬﻰ
হাদীসের সারাংশ হল,
প্রত্যেক খাদ্যেই বরকত বিদ্যমান রয়েছে। তবে কেউ জানে না যে, তার খাদ্যর কোন অংশে বরকত বিদ্যমান রয়েছে। সে যা খেয়ে শেষ করেছে, তাতে? নাকি যা তার অঙ্গুলিতে অবশিষ্ট রয়েছে, তাতে?না বরতনের তলায় যা অবশিষ্ট রয়েছে,তাতে? না মাঠিতে পড়ে যাওয়া খাদ্যে বরকত বিদ্যমান রয়েছে? সে জন্য তার উচিৎ, বরকত হাসিলের জন্য সমস্ত খাদ্যেকে করায়ত্ত করা,গ্রহণ করা।
বরকত দ্বারা মূলকথা হল, অতিরিক্ততা ও উত্তমতা প্রমাণিত হওয়া,এবং পাথেয় হিসেবে বিদ্যমান থাকা।এখানে বরকত দ্বারা উদ্দেশ্য হল, যা দ্বারা শারিরিক উপাদান অর্জিত হবে। নিজেকে শারিরিক দুর্বলতা থেকে বাছিয়ে রাখা,এবং আল্লাহর হুকুম অনুসরণে শক্তি অর্জন করা সহ আরো অনেক কিছু।(আল-মিনহাজ-১৩/২০৬।)আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, IOM.
পরিচালক
ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন।

Related questions

+1 vote
1 answer 21 views
0 votes
1 answer 77 views
...