0 votes
52 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (21 points)
১) আমার হায়েয ১০দিনের মধ্যেই হয়। ১০দিন ক্রস করেনা।

কিন্তু হায়েয থেমে থেমে প্রবাহিত হয়।

৫ম দিন হয়ে, ৬ষ্ঠ দিন হয়ত সারাদিনই অফ থাকে বা ৫-৬ঘন্টা একদম অফ থাকে। আবার ৭ম দিন থেকে হায়েয শুরু হয়। এরকম হয়ত অনেকবার হয়। ৭-৮দিনেই সাদাস্রাবের দেখা পেয়ে যাই ও ফরজ গোসল করি এরপর। নিচের মাসআলাগুলো নতুন শিখেছি, কিন্তু আমি শিওর যে আমার বোঝায় কোথাও ভুল হয়েছে। একটার সাথে একটা মিলছে না। এতদিনের জানা ফিকহে প্যাচ লেগে গেছে। একটু শিওর হতে চাই তাই শায়খ।
মাসআলাগুলোঃ

ক. ৫ দিন হায়েয হয়ে যদি মাঝে ১দিন অফ থেকে আবার ৭ম দিন থেকে হায়েয শুরু হয় তাহলে দেখতে হবে এমন কি সারাবছর (সবসময়ই) হচ্ছে? যদি হয় তবে এটা ইস্তিহাজা (!) (কিন্তু হায়েযের সর্বোচ্চ মেয়াদ ১০দিন জেনে এতদিন আমি ৮ম দিনে ফরজ গোসল করে এসেছি)

খ. আর যদি এরকম থেমে থেমে হায়েয হয়, আর এটা মাঝেমাঝে হয়, সারাবছর না তাহলে এটা হায়েয।  (কত মাস এমন হতে পারবে বড়জোড় তাও বুঝা গেল না?)

গ. হায়েয এর পর সাদাস্রাব দেখা গেল, তারপর আবার হায়েয আসলে তা ইস্তিহাজা। (এখানে এটা ১০দিনের মধ্যে যদি হয়? তাহলে??)

1 Answer

0 votes
by (30.9k points)
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-
(وأما) صاحبة العادة في الحيض إذا كانت عادتها عشرة فزاد الدم عليها فالزيادة استحاضة، وإن كانت عادتها خمسة فالزيادة عليها حيض معها إلى تمام العشرة لما ذكرنافي المبتدأة بالحيض، وإن جاوز العشرة فعادتها حيض، وما زاد عليها استحاضة
সাহেবে আদত তথা যার হায়েয সারা বৎসর একি নিয়মে হয়।

কোনো সাহেবে আদত মহিলার যদি ১০দিন হায়েয হওয়ার আদত থাকে।কিন্তু এখন যদি দশকে ছাড়িয়ে যায়,তাহলে ১০ এর অতিরিক্ত দিনগুলোকে ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য করা হবে।

আর যদি কোনো সাহেবে আদত মহিলার ৫দিন হায়েয হওয়ার আদত থাকে।কিন্তু এখন ৫দিন কে ছাড়িয়ে যায়,তাহলে হায়েযের সর্বোচ্ছ মেয়াদ ১০দিন পর্যন্ত হায়েযই গণ্য হবে।তবে যদি ১০কেও ছাড়িয়ে যায়,তাহলে ৫দিন পর্যন্তই হায়েয হবে।এবং পাঁচের অতিরিক্ত দিনগুলোকে ইস্তেহাযা হিসেবে গণ্য করা হবে।(বাদায়ে সানায়ে-১/৪১)

প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী বোন!
উপরোক্ত আলোচনা থেকে বুঝে নিতে পারেন।

আর হ্যা আপনি কোথায় থেকে জেনেছেন?
এবং কি জেনেছেন?পরিস্কার করে কমেন্টে উল্লেখ করবেন।
জাযাকুমুল্লাহ।আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, Iom.

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...