0 votes
21 views
in Halal & Haram by (6 points)
assalamu alaikum.

ami jodi kono bandar name a gibot kore thaki ba tar name a mittha opobad diye thaki kintu pore nijer bhul bujhte pere allahr kase touba kori ar take khoma kore deyar jonno shob somoy allahr kase doa kori karon tar kase maf chaite gele sob kisu thik moto bola sombhob na.abar amon o hote pare she hashbe,amar name a manushke bolbe je ami pagol. tahole ki hobe na?

ak lok jini 100'jon ke hotta koresilen unake jodi allah khoma korte paren,abu sufiyan to koto sahabider shohid hoyar pisone silen.kintu arpor uni khoma peyesilen kintu unara kibhabe maf  pelo karon tara to hotta koresilo ar oi manush gulir kase to ar khoma chaoya sombhob silo na.

tahole ami jodi ar gibot na korar cheshta kori tar akhirat a bhalor jonno doa kori tar name a joto tuku sombhob sadaka kori mosjid a tahole ki hobena?

1 Answer

0 votes
by (14.3k points)
বিসমিহি তা'আলা

সমাধানঃ-

আল্লাহ ইচ্ছা করলে যে কাউকে ক্ষমা করে দিতে পারেন।আল্লাহ সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।আল্লাহ তা'আলা কোনো নিয়মনীতি বা সাংবিধানিক ধারার পাবন্দী নয়।বরং সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা যে কোনো সময় যেকোনো ধরণের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

কিন্তু আল্লাহ তা'আলা সাধারণত কিছু নিয়ম করে দিয়েছেন।এর অর্থ এ নয় যে এ নিয়মই সর্বশেষ সিদ্ধান্ত।বরং এ সাধারণ নিয়ের খেলাফ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার ক্ষমতা ও অধিকার আল্লাহ তা'আলার রয়েছে।মোটকথাঃ আল্লাহ চাইলে যে কাউকে যেকোনো গোনাহ থেকে ক্ষমা করে দিতে পারেন।

গীবত করলে বান্দার হক্ব নষ্ট হয়।আর কেউ বান্দার হক্ব নষ্ট করলে আল্লাহ তা'আলা ততক্ষণ পর্যন্ত ক্ষমা করবেন না যতক্ষণ না  উক্ত বান্দা ক্ষমা করে দিচ্ছে।

কিন্তু যদি হক্ব নষ্ট কারী  ঐ বান্দা পরবর্তীতে খালিছ নিয়তে তাওবাহ করে ফেলে।এবং আল্লাহর দয়া হয়ে যায়।তাহলে আল্লাহ তা'আলা সে বান্দা কে খুশী করে দিবেন যার হক্ব দুনিয়াতে নষ্ট হয়েছিলো।

এবং আল্লাহ তা'আলা উক্ত বান্দাকে সেই হক্ব নষ্টের গোনাহ থেকে ক্ষমা করে দিবেন।তখন আর সেই বান্দা আল্লাহ কাছে বিচার দায়ের করবে না।

এখন কথা হলো খালিছ নিয়তে বিশুদ্ধ তাওবাহ করার পদ্ধতি বা সূরত কি?

তাওবাহ কবুল হওয়ার শর্ত হলো,আল্লাহর হক্ব সম্ভলিত বিষয় হলে আল্লাহর নিকট অনুনয় বিনয় করে আহাজারি করা, মিনতি করা।

আর বান্দার হক্ব হলে, সেই হক্ব কে আদায় করে দেয়া বা তার কাছ থেকে ক্ষমা চেয়ে নেয়া।সেজন্য এর পিছনে সাধ্যমত আপ্রাণ চেষ্টা করা।যদি নিজ সাধ্যমত আপ্রাণ চেষ্টা করার পরও উক্ত বান্দার হক্বকে আদায় করা সম্ভব না হয়,বা ক্ষমা না পাওয়া যায়,তাবে আল্লাহর নিকট নিজ সেই চেষ্টার কথা তুলে ধরে সমাধান চাওয়া।এবং ভবিষ্যতে কোনো বান্দার হক্ব নষ্ট না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়া।

নিয়ত বিশুদ্ধ থাকলে অবশ্যই আল্লাহ তাওবাহকে কবুল করে নেবেন এবং উক্ত গোনাহ থেকে ক্ষমা করে দিবেন।

গীবতের মাধ্যমে কারো হক্ব নষ্ট করলে এভাবেও তার নিকটে গিয়ে ক্ষমা চাইতে পারেন যে,

শরয়ী দিবস যেমন ঈদ, আশুরা,ইত্যাদিতে তার নিকট গিয়ে বলা।

ভাই/বোন!
আমরা এক সাথে চলাফেরা করেছি।ইসলাম সম্পর্কে পুরোপুরি জ্ঞান না থাকায় আমাদের চলাফেরায় একজন অন্যজনের কত হক্বই না নষ্ট করেছি।আপনি না করলেও আমি অবশ্যই করেছি।দয়া করে আজকের এই পবিত্র দিনে আমাকে যাবতীয় হক্ব নষ্ট করার গোনাহ থেকে ক্ষমা করে দিন।

এভাবে ক্ষমা করিয়ে নিবেন।হ্যা ভবিষ্যতে আর এরকম কাজ কখনো করবেন না।তবেই আল্লাহ ক্ষমা করে দিবেন।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

পরামর্শ প্রদাণে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

354 questions

332 answers

36 comments

224 users

20 Online Users
0 Member 20 Guest
Today Visits : 399
Yesterday Visits : 5511
Total Visits : 315812
...