0 votes
20 views
in হালাল ও হারাম (Halal & Haram) by (41 points)
edited by
১.বিয়ের সময় মেয়ের পক্ষের সাক্ষী দুজনের মধ্যে একজনের ইনকাম সম্পূর্ণ হারাম আর অন্যজনের ইনকাম হালাল তবে তিনি অনেকের কাছে ঋণী, কিস্তিতে বিভিন্ন সামগ্রী কেনেন এবং কুরবানীও দেন; উভয়ই মেয়ের মাহরাম, এমতাবস্হায় কি সে মেয়ের বিয়ে সহীহ হবে?

পারিবারিকভাবে বিয়ের ক্ষেত্রে কারা সাক্ষী হওয়া উত্তম?

২.কোনো মহিলা যিনি চাকরি করেন তবে পর্দা করেন না; তার ইনকাম কি হালাল? তার টাকায় কেনা খাবার বা পোশাক কি হালাল?

৩.বাড়িতে আলোকসজ্জা করা আয়ত্ত্বের ভিতর, এটা কি অনুচিত কাজ?

৪. ইনকাম হালাল তবে তিনি অনেকের কাছে ঋণী, কিস্তিতে বিভিন্ন সামগ্রী কেনেন এবং কুরবানীও দেন; তার বাসায় খাবার খাওয়া কি জায়েজ হবে?

৫.এক মেয়ে অপর মেয়ের কতটুকু অংশ দেখতে পারে? থাই কি টিপে দিতে পারে?

৬.মেয়েদের রোজা রাখা ফরজ কত বছর থেকে? মাসিকের পর থেকেই কি ফরজ হয়?

৭.বাথরুম(টয়লেট এটাস্ড) এ বালতিভর্তি পানি খোলা অবস্থায় সারারাত থাকলে সে পানি কি নাপাক হবে? উযু-গোসল করা হলে সেগুলো কবুল হবে না?

যদি এই ভরা বালতির পানি কারো হাতের স্পর্শে(ফজরে ঘুম থেকে উঠলে) নাপাক হয়েছে কি না জানা না থাকে(হবার সম্ভাবনাও থাকে) তবে কি উযু-গোসল করা উচিত হবে?

৮.দুপুরে খাবার পরে ঘুমিয়ে উঠে বালতির পানির মধ্যে হাত দিলে পানি কি নাপাক হবে?

৯.অতিরিক্ত পরিমাণ ঘুমালে কি গুনাহ হবে?  ঘুমের কারণে নামাজ কাজা হয় না কিন্তু শরীর দূর্বল থাকায় ঘুম বেশি হয় এজন্য পিতামাতা উভয়ই নারাজ আমার উপর।

১০.পিরিয়ড চলাকালীন কি বিয়ে করা জায়েজ?

1 Answer

0 votes
by (502,120 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
আপনার প্রশ্নের জবাব প্রস্তুত হচ্ছে।ইনশাআল্লাহ অচিরেই জবাব পেয়ে যাবেন। ধর্য সহকারে অপেক্ষার জন্য আন্তরিক অভিবাদন। জাযাকুমুল্লাহ।

প্রথমে নিম্নোক্ত বিষয়গুলোকে একটু মন দিয়ে পড়ার চেষ্টা করেন-
ফতোয়া আরবী শব্দ এবং কুরআন-সুন্নাহ ও ইসলামী শরীয়তের একটি মর্যাদাপূর্ণ পরিভাষা। বিস্তারিত আলোচনার পূর্বে ‘ফতোয়া’ সংক্রান্ত আরো কিছু শব্দের অর্থ জেনে নেওয়া আবশ্যক। যথা : ইস্তিফতা, মুসতাফতী, মুফতী, ইফতা ও দারুল ইফতা। কুরআন-সুন্নাহ ও দ্বীনী ইলমের মাহির আলিমের নিকট কোনো দ্বীনী বিষয়ে ইসলামী শরীয়তের বিধান জিজ্ঞাসা করাকে ‘ইস্তিফতা’ বলে। প্রশ্নকারীকে ‘মুস্তাফতী’ বা ‘সাইল’ বলে। বিশেষজ্ঞ আলিম শরীয়তের দলীলের আলোকে যে বিধান বর্ণনা করেন তাকে ‘ফতোয়া’ বলে। বিধান বর্ণনাকারী আলিমকে মুফতী এবং তার এই কাজ অর্থাৎ প্রশ্নকারীর প্রশ্নের উত্তরে শরীয়তের বিধান বর্ণনা করাকে ‘ইফতা’ বলে। যে প্রতিষ্ঠান এই দায়িত্ব পালন করে তাকে ‘দারুল ইফতা’ বলে। 


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করলে ভালো হয়। অন্যদিকে প্রতিমাসে একাধিকবার আমাদের মুফতি সাহেবগন জুমের মাধ্যমে সরাসরি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন। সেই ক্লাসগুলোতেও জয়েন করার জন্য অনুরোধ করা গেল। ক্লাসের সিডিউল: fb.com/iomedu.org

Related questions

...