+1 vote
17 views
in Salah (Prayer) by
closed
১/ নামাজের মধ্যে সূরা ফাতিহার পরে অন্য সূরা পড়ার সময় কি সূরা মিলিয়ে পড়তে হবে? যেমন ১ম রাকাতে সূরা কাউসার পড়লে কি পরের রাকাতে সূরা কাফিরুন পড়তে হবে? আর এটা কি ফরয নামাজের জন্য নাকি সুন্নাত, নফল, ওয়াজিব নামাজের জন্যও? শরীয়তের বিধান কি? আর এভাবে সিরিয়ালি না পড়লে নাকি নাকি নামাজ মাকরূহ হয়ে যায়?
২/ আমি যদি ১ম রাকাতে সূরা নাসের ১ম তিন আয়াত এবং ২য় রাকাতে বাকি তিন আয়াত পড়ি নামাজ কি হবে?

৩/ আর আমি যদি সূরা কাউসারের পরে সূরা কাফিরুন না পড়ে সূরা নাসর পড়ি তাহলে কি নামাজ মাকরূহ হবে?
দুঃক্ষিত, একসাথে এতগুলো প্রশ্ন করার জন্য।
closed

1 Answer

0 votes
by (7k points)
 
Best answer
বিসমিহি তা'আলা

১/

নামাযের মধ্যে পঠিত সূরার সমূহের ধারাবাহিকতা(কুরআনে বিদ্যমান বিন্যাস) রক্ষা করা ওয়াজিব।তবে কোনো কারণে যদি উক্ত ওয়াজিব তরক হয়ে যায় তবে সেজাদায়ে সাহু আসবে না,এবং নামাযকে দোহরাতে ও হবে না।

বরং নামায আদায় হয়ে যাবে।

কিতাবুল ফাতাওয়া-২/২০৩

ইচ্ছাকৃতভাবে ধারাবাহিকতা রক্ষা না করে ক্বেরাত পড়া মাকরুহ। তবে অনিচ্ছায় হলে মাকরুহ হবে না।

যেমন রদ্দুল মুহতারে বর্ণিত রয়েছে,

ﻭَﻳُﻜْﺮَﻩُ اﻟْﻔَﺼْﻞُ ﺑِﺴُﻮﺭَﺓٍ ﻗَﺼِﻴﺮَﺓٍ ﻭَﺃَﻥْ ﻳَﻘْﺮَﺃَ ﻣَﻨْﻜُﻮﺳًﺎ

وفي الشامية تحت قوله(و يكره..........و يتم)

ﺃَﻓَﺎﺩَ ﺃَﻥَّ اﻟﺘَّﻨْﻜِﻴﺲَ ﺃَﻭْ اﻟْﻔَﺼْﻞَ ﺑِﺎﻟْﻘَﺼِﻴﺮَﺓِ ﺇﻧَّﻤَﺎ ﻳُﻜْﺮَﻩُ ﺇﺫَا ﻛَﺎﻥَ ﻋَﻦْ ﻗَﺼْﺪٍ، ﻓَﻠَﻮْ ﺳَﻬْﻮًا ﻓَﻼَ ﻛَﻤَﺎ ﻓِﻲ ﺷَﺮْﺡِ اﻟْﻤُﻨْﻴَﺔِ.

রদ্দুলমুহতার১/৫৪৭

বিঃদ্রঃ

ক্বেরাতের ধারাবাহিকতা রক্ষার করার বিধান শুধুমাত্র ফরয নামাযের ক্ষেত্রে। নফলের ক্ষেত্রে উক্ত বিধান প্রযোজ্য নয়।

যেমন দুর্রুল মুখতার গ্রন্থে বর্ণিত রয়েছে,

ﻭَﻻَ ﻳُﻜْﺮَﻩُ ﻓِﻲ اﻟﻨَّﻔْﻞِ ﺷَﻲْءٌ ﻣِﻦْ ﺫَﻟِﻚ

ভাবার্থঃ

নফল নামাযে ধারাবাহিতা রক্ষা না করে পড়া মাকরুহ নয়।

১/৫৪৭

২/

জ্বী নামায হবে।তবে প্রত্যেক রাকা'তে পূর্ণ সুরা পড়াই উত্তম।

৩/

ইচ্ছাকৃত ধারাবাহিকতা রক্ষা না করে ক্বেরাত পড়া মাকরুহ।অনিচ্ছায় হলে মাকরুহ হবে না।

ফাতাওয়ায়ে উসমানি-১/৪৩২

কিতাবুল ফাতাওয়া-২/২০৫

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ
ইসলামিক ফতোয়া ওয়েবসাইটটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত। যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
...