0 votes
11 views
in Death & Funeral by (15 points)
আমি জানি রসুলুল্লাহ সঃ কবরে খেজুর গাছের ডালা ভেঙে লাগিয়ে দিতেন। এটা উনি ব্যক্তিগতভাবে করতেন। এটা কাউকে করার জন্য বলা হয়নি। আমি কি কারো কবরে ফুল গাছ লাগাতে পারব? বিশেষ করে কোন শিশু বাচ্চার কবরে। ফুল গাছ যদি লাগানো যায় তাহলে লাগানোর মূল উদ্দেশ্য কী হওয়া উচিত?

1 Answer

0 votes
by (4.9k points)
বিসমিহি তা'আলা

সমাধানঃ-

আপনার বর্ণিত ঘটনার সম্ভলিত হাদীস নিম্নরূপ।

হযরত ইবনে আব্বাস রাযি থেকে বর্ণিত,তিনি বলেন,

ﻋَﻦْ ﺍﺑْﻦِ ﻋَﺒَّﺎﺱٍ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ ﻗَﺎﻝَ : ﻣَﺮَّ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ ﺑِﺤَﺎﺋِﻂٍ ﻣِﻦْ ﺣِﻴﻄَﺎﻥِ ﺍﻟْﻤَﺪِﻳﻨَﺔِ ﺃَﻭْ ﻣَﻜَّﺔَ ، ﻓَﺴَﻤِﻊَ ﺻَﻮْﺕَ ﺇِﻧْﺴَﺎﻧَﻴْﻦِ ﻳُﻌَﺬَّﺑَﺎﻥِ ﻓِﻲ ﻗُﺒُﻮﺭِﻫِﻤَﺎ ، ﻓَﻘَﺎﻝَ ﺍﻟﻨَّﺒِﻲُّ ﺻَﻠَّﻰ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ : ( ﻳُﻌَﺬَّﺑَﺎﻥِ ، ﻭَﻣَﺎ ﻳُﻌَﺬَّﺑَﺎﻥِ ﻓِﻲ ﻛَﺒِﻴﺮٍ ، ﺛُﻢَّ ﻗَﺎﻝَ : ﺑَﻠَﻰ ، ﻛَﺎﻥَ ﺃَﺣَﺪُﻫُﻤَﺎ ﻻ ﻳَﺴْﺘَﺘِﺮُ ﻣِﻦْ ﺑَﻮْﻟِﻪِ ، ﻭَﻛَﺎﻥَ ﺍﻵﺧَﺮُ ﻳَﻤْﺸِﻲ ﺑِﺎﻟﻨَّﻤِﻴﻤَﺔِ ، ﺛُﻢَّ ﺩَﻋَﺎ ﺑِﺠَﺮِﻳﺪَﺓٍ ﻓَﻜَﺴَﺮَﻫَﺎ ﻛِﺴْﺮَﺗَﻴْﻦِ ، ﻓَﻮَﺿَﻊَ ﻋَﻠَﻰ ﻛُﻞِّ ﻗَﺒْﺮٍ ﻣِﻨْﻬُﻤَﺎ ﻛِﺴْﺮَﺓً . ﻓَﻘِﻴﻞَ ﻟَﻪُ : ﻳَﺎ ﺭَﺳُﻮﻝَ ﺍﻟﻠَّﻪِ ، ﻟِﻢَ ﻓَﻌَﻠْﺖَ ﻫَﺬَﺍ ؟ ﻗَﺎﻝَ : ﻟَﻌَﻠَّﻪُ ﺃَﻥْ ﻳُﺨَﻔَّﻒَ ﻋَﻨْﻬُﻤَﺎ ﻣَﺎ ﻟَﻢْ ﺗَﻴْﺒَﺴَﺎ ، ﺃَﻭْ ﺇِﻟَﻰ ﺃَﻥْ ﻳَﻴْﺒَﺴَﺎ ) .

ﻭﻓﻲ ﺭﻭﺍﻳﺔ ﻟﻤﺴﻠﻢ ( ﻻ ﻳَﺴْﺘَﻨْﺰِﻩُ ﻋَﻦْ ﺍﻟْﺒَﻮْﻝِ ﺃَﻭْ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﺒَﻮْﻝِ ) .

ﻭﻓﻲ ﺭﻭﺍﻳﺔ ﻟﻠﻨﺴﺎﺋﻲ ( ﻻ ﻳَﺴْﺘَﺒْﺮِﺉُ ﻣِﻦْ ﺑَﻮْﻟِﻪِ )

সহীহ বুখারী-২১৬

সহীহ মুসলিম-২৯২

সুনানে নাসাঈ-২০৬৮

এটা হুজুর সাঃ এর সাথে খাছ ছিলো।বৃক্ষরোপণ করলেই যে কবরের আযাব হালকা হয়ে যাবে সেটা নিশ্চিত কোনো বিষয় না।রাসূলুল্লাহ সাঃ কে অহীর মাধ্যমে উক্ত কবরের আযাব হালকা করণের কথা জানিয়ে দেয়া হয়েছিলো।

বর্তমান ফিতনার সময়ে কবরে বৃক্ষরোপণ বা ফুল ছিটিয়ে দেয়া কখনো উচিৎ হবে না।

কিতাবুন-নাওয়াযিল-১/৬৮২

তবে যদি কারো অন্তর বেদআত-রুসুমাত থেকে পবিত্র থাকে, তাহলে তার জন্য রাসূলুল্লাহ সাঃ এর পদ্ধতির অনুসরণ মূলক সে বৃক্ষরোপণ করতে পারে।বিশেষ করে যদি নিজস্ব পারিবারিক কোনো কবরস্থান থাকে।যেমনটা কোনো কোনো স্থানে বর্ণিত রয়েছে।তবে ফুলের অনুমতি কখনো গ্রাহ্য হবে না।

হ্যা সর্বাবস্থায় পরিত্যাগই শ্রেয়।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ।
ইসলামিক ফতোয়া ওয়েবসাইটটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত। যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
...