0 votes
14 views
in Qurbani (Slaughtering) by
১. এক ব্যক্তি কিছু ক্রয় করার উদ্দেশ্যে টাকা জমাচ্ছিলেন, যার পরিমাণ সর্বনিম্ন দরের রূপার বাজারদর হিসেবে সাড়ে বায়ান্ন তোলার দামের পরিমাণ, অর্থাৎ ১২ হাজার টাকার উপর। এই অর্থ কুরবানী ঈদের তিন দিন তার কাছে থেকে যাবে, এবং সেই নির্ধারিত বস্তু ক্রয়ের সম্ভাবনা ঈদের পর।

এই অবস্থায় কি তার উপর কুরবানী ওয়াজিব?

এই অর্থ ১ বছর সঞ্চিত থাকলে যাকাতও কি ফরজ?

২. একজনের সঞ্চিত সোনার গয়নার পরিমাণ ৫ ভরির কম। তার কোন সঞ্চিত ক্যাশ নেই। তার গয়নার বাজারমূল্য নিসাব পরিমাণ রূপার মূল্য হতে বেশি। তার উপর কি যাকাত আর কুরবানী আবশ্যক?

যদি তার পরিবার তার পক্ষ থেকে সেই কুরবানী আদায় করে দেয় তাতে কি হয়ে যাবে? নাকি উল্লেখিত সোনা বিক্রি করে তার নিজেরই কুরবানী আদায় করতে হবে? যেহেতু তার ক্যাশ নেই হাতে।

1 Answer

0 votes
by (4.9k points)

বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

কার উপর কুরবানি ওয়াজিব?

৫২ভড়ি রূপা বা ৭.৫ ভড়ি সোনা অথবা এ দু-য়ের যেকোনো একটির পরিমাণ টাকা বা ব্যবসার মাল বা প্রয়োজন অতিরিক্ত জিনিষ/ঘরোয়া সামান কারো নিকট থাকলে, তার উপর কুরবানি ওয়াজিব।

যাকাতের মত উক্ত মালের জন্য এক বৎসর অতিবাহিত হওয়া শর্ত নয়।

(১)

যদি উক্ত জিনিষ নিত্যপ্রয়োজনীয় হয় তথা এমন জিনিষ যা ব্যতীত জীবনযাপন করা দুরহ ও কষ্টকর, তাহলে উক্ত ব্যক্তির উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে না।নতুবা কুরবানি ওয়াজিব হবে।

(২)

যদি কারো নিকট স্বর্ণ থাকে,যা নেসাবের চেয়ে কম।এবং তার নিকট উক্ত স্বর্ণ ব্যতীত আর কিছুই নেই।

এবং প্রয়োজন অতিরিক্ত কোনো জিনিষও নেই তাহলে তার উপর কুরবানি ওয়াজিব হবে না।

আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

আহসানুল ফাতাওয়া;৭/৫০৮

জা'মেউল ফাতাওয়া;৮/১৪৮

আবকে মানাঈল আউর উনকা হল;৪/১৭৯

উত্তর লিখনে
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ, IOM.
পরিচালক
ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ
ইসলামিক ফতোয়া ওয়েবসাইটটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত। যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।
...