0 votes
27 views
in Halal & Haram by
reopened
একটা এক্সিডেন্টের কারণে হঠাৎ করেই আব্বুকে দেশে চলে আসতে হলো। কোন পুঁজি ছিলো না। সংসারে আব্বু-আম্মু ছাড়াও আমরা দু'ভাইবোন। ভাই ছোট, আমি বড়। জীবিকার জন্য আব্বু একটা খাবারের হোটেল করতে চাইলেন। কোন পুঁজি না  থাকায় একটা বিশাল অংকের টাকা ঋণ করে এটা শুরু করতে হয়েছিলো। বেচা-কেনা কখনও ভালো আবার কখনও খুব খারাপ। যে টাকা হতো সেটা দিয়ে ঋণ শোধ করা আর সংসার চালানো খুব কঠিন হয়ে যায়। এর মধ্যে দিয়ে আমার অনার্স শেষ হয় এ বছর। চেয়েছিলাম যত কষ্টই হোক না কেন, চাকরিজীবনে পা রাখবো না। যখন থেকে দ্বীনি বুঝ আল্লাহ্ পাক দিয়েছেন, কিছুটা হেদায়াতের আলো পেয়েছি আর এটাও বুঝেছি আমার ঈমান এতোটা মজবুত না যে যেকোন পরিস্থিতিতে টিকে থাকতে পারবো তখন থেকেই ঠিক করেছিলাম এসব জটিলতার মধ্যে যাবো না। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি এমন হয়েছে যে, চারিদিক থেকে ঋণের বোঝা বেড়েই চলেছে। আব্বুর বয়স হয়ে যাওয়ায় তার কষ্ট হয়ে যায় অনেক, ভাই এখনও ছোট। নিজের দায়িত্ব বা পরিবারের দায়িত্ব নেয়ার মত অবস্থা এখনও হয়নি ওর৷ নিজেদের বিশেষ কোন জায়গা-জমি বা ঘর-বাড়িও নেই যে সেটার মাধ্যমে কিছু করা যেতে পারে৷ বাসা ভাড়া, ভাইয়ের স্কুল/ব্যাচের বেতন সময়মত দিতে না পারায় সেখানেও টাকা জমছে দিনকে দিন৷ যদিও দুটো টিউশন করাচ্ছি কিন্তু সেটাও পর্যাপ্ত না৷
এমতাবস্থায় কি করবো, কি করবোনা বুঝে উঠতে পারছি না৷ একজন মুমিনের সর্বাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসা করা উচিত। এটাই ঈমানের দাবি। কিন্তু আমি বুঝতে পারছি না তাওয়াক্কুলের তরীকা কোনটা হবে বা কেমন হবে?!

1 Answer

0 votes
by (4.9k points)
edited by
বিসমিহি তা'আলা

জবাবঃ-

হযরত মিক্বদাম ইবনে মা'দি কারুবা রাযি থেকে বর্ণিত

 ﻋَﻦِ اﻟْﻤِﻘْﺪَاﻡِ ﺑْﻦِ ﻣَﻌْﺪِﻱ ﻛَﺮِﺏَ - ﺭَﺿِﻲَ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻨْﻪُ: ﻗَﺎﻝَ: ﻗَﺎﻝَ ﺭَﺳُﻮﻝُ اﻟﻠَّﻪِ - ﺻَﻠَّﻰ اﻟﻠَّﻪُ ﻋَﻠَﻴْﻪِ ﻭَﺳَﻠَّﻢَ - " «ﻣَﺎ ﺃَﻛَﻞَ ﺃَﺣَﺪٌ ﻃَﻌَﺎﻣًﺎ ﻗَﻂُّ ﺧَﻴْﺮًا ﻣِﻦْ ﺃَﻥْ ﻳَﺄْﻛُﻞَ ﻣِﻦْ ﻋَﻤَﻞِ ﻳَﺪَﻳْﻪِ، ﻭَﺇِﻥَّ ﻧَﺒِﻲَّ اﻟﻠَّﻪِ ﺩَاﻭُﺩَ - ﻋَﻠَﻴْﻪِ اﻟﺴَّﻼَﻡُ - ﻛَﺎﻥَ ﻳَﺄْﻛُﻞُ ﻣِﻦْ ﻋَﻤَﻞِ ﻳَﺪَﻳْﻪِ» ". ﺭَﻭَاﻩُ اﻟْﺒُﺨَﺎﺭِﻱُّ.

রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,

নিজ হাতের উপার্জন হতে অধিক উত্তম রিজিক কেউ কখনো আহার করেনি।

আর আল্লাহর নবী হযরত দাউদ আঃ নিজ হাতের উপার্জন দ্বারাই দিনাতিপাত করতেন।

মিশকাত-২৭৫৯

সর্বোত্তম রিযিক নিজ হাতের কামাই।

আপনি হালাল চাকুরী করুন।

সামর্থ্যানুযায়ী হালাল উপার্জন করে নিজ ও নিজ ফ্যামিলি কে লালন পালন করা পর্যায়ভেদে মানুষের উপর ফরয।

রাসূলুল্লাহ সাঃ খাদিজার রাযি এর ব্যবসার দেখভাল করেছেন।

সমস্যা আসবে।এ সমস্যা থেকে বাঁচার নামই কামিয়াবি।এ দুনিয়াটা পরীক্ষা কেন্দ্র।

আল্লাহ আপনাকে হেফাজত করুক।আমিন।

আল্লাহ ভালো জানেন।

উত্তর লিখনে

মুফতী ইমদাদুল হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ
ইসলামিক ফতোয়া ওয়েবসাইটটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত। যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

Related questions

...