বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
মৃত্যু পরবর্তী সম্পদকে আল্লাহ তা'আলা নিজেই বন্টন করে দিয়েছেন।তাই কারো মৃত্যুর পর আল্লাহ তা'আলা প্রদত্ত বিধি-বিধানের আলোকেই তার সম্পদ বন্টন করতে হবে।এক্ষেত্রে কোনো ওয়ারিছকে তার নির্ধারিত অংশ ব্যতীত অতিরিক্ত কিছু দেয়া যাবে না বা তার ওসিয়ত করা যাবে না। জায়েয হবে না।তবে বাকী সমস্ত ওয়ারিছদের সম্মতিতে কোনো এক ওয়ারিছকে সমস্ত সম্পত্তি বা তার নির্ধারিত অংশের চেয়ে বেশী দেয়া যাবে। মৃত্যুর সময় এক তৃতীয়াংশ সম্পত্তিকে ওয়ারিছ ব্যতীত অন্য যে কারো জন্য ওসিয়ত করা জায়েয আছে।সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/343
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মানুষ তার জীবদ্দশায় সম্পূর্ণ টাকার সে একচ্ছত্র মালিক। যেকোনো প্রয়োজনে ও কাজে সে ব্যয় করতে পারবে। এবং দান সদকাহও করতে পারবেন। তবে তার মৃত্যুর পর ঐ টাকা শরীয়তের বিধানের আলোকেই বন্টিত হবে।
(১) জীবিত থাকাবস্থায় ভিটার জমি থেকে, বড় ছেলেকে যেই আধা বিঘা, এবং মেয়েকে আধা বিঘা ও স্ত্রীকে ৫ বিঘা জমি লিখে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে অপর ছেলেকে কোনো কিছু লিখে দেওয়া হয় নাই।
এখানে বাবা যদি সম্পদ বন্টন অনুসারে এক ছেলে,এক মেয়ে এবং স্ত্রীকে লিখে দিয়ে থাকেন, তাহলে তারা এই লিখে দেওয়া সম্পত্তির মালিক হবে। অন্য ছেলে কিছুই না দেয়ার জন্য বাবা গোনাহগার হবেন।
(২) অন্য জায়গায় যে ১২ বিঘা জমি আছে। (আগে সেখানেই ২০ বিঘা জমি ছিল; তন্মধ্যে ৪ বিঘা মেয়ের পড়াশোনা বাবদ বিক্রি করে খরচ করেছেন;আর ৪ বিঘা নিজ প্রয়োজনে বিক্রি করেছেন।)
সেখানে ছেলে মেয়ে এবং স্ত্রী সবাই শরীক থাকবে। যেহেতু সেখানে কারো নাম উল্লেখ করে যাননি। তবে যদি বাবার উদ্দেশ্য হয়, যাকে লিখে দেওয়া হয় নাই, সেই শুধু পাবে, তাহলে অন্যরা পাবে না। নতুবা সবাই এখানে শরীক থাকবে।