ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত।
مرقاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح (8 / 3161):
"وعن جابر عن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: " «من اعتذر إلى أخيه فلم يعذره، أو لم يقبل عذره ; كان عليه مثل خطيئة صاحب مكس»". رواه البيهقي في " شعب الإيمان " وقال: المكاس: العشار.
তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজের কোন মুসলিম ভাইয়ের কাছে ওযর-আপত্তি করে এবং সে মুসলিম যদি তাকে অপারগ বা ওযরযোগ্য মনে না করে অথবা যদি তাকে ক্ষমা না করে, তবে যালীম তহসীলদারের মতো পাপী হবে। [বায়হাক্বী’র ’’শু’আবুল ঈমান’’;[ইবনু মাজাহ ৩৭১৮, শু‘আবুল ঈমান ৮৩৩৪, আল মু‘জামুল আওসাত্ব ৮৬৪৪, আল মু‘জামুল কাবীর ২১১৩, য‘ঈফ আত্ তারগীব ১৬৬৯]
وفى فتاوی رشیدیة :
’’اگر معافی چاہنے والے کو معاف نہ کرے تو یہ معاف نہ کرنے والا خاطی ہے۔‘‘ (فتاوی رشیدیہ ص : 466)
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কেউ কোনো অপরাধ করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির কাছে ক্ষমা চাওয়া তার দায়িত্ব ও কর্তব্য। ক্ষমা চাওয়ার পরও যদি কেউ ক্ষমা না করে, অথবা মুখে ক্ষমা করে কিন্তু অন্তর দ্বারা ক্ষমা না করে, তাহলে ক্ষমা না করার কাণে ঐ ব্যক্তির গোনাহ হবে। হ্যা, ইজ্জত আব্রুর বা মাল সম্পদের ক্ষতি করলে সেগুলো পুষিয়ে তারপরই ক্ষমা চাওয়া শর্ত।