আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসা মূলত জীন ও শয়তানের প্রভাবে হয়, যার জন্য রুকিয়া করা প্রয়োজন। রুকইয়াহ ফ্রি সেশনের জন্য… এখানে ক্লিক করুন

0 votes
30 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (59 points)
reshown ago by
১।আমার ১৯ বছর বয়স থেকে চুল পাকা শুরু হইছে এখন ৩০ বছর অনেক চুল পেকে গেছে। আমার ভাই আমার থেকে ৮ বছরের বড় অপরিচিত কেউ দেখলে আমাকে বড় বলে চুল পাকার কারনে নাকি আমি মোটা হওয়ার কারনে আমাকে বড় বলে জানিনা। আমার বয়স লোকানো উদ্দেশ্য না আমার প্রকৃত বয়স থেকে বেশি দেখা যায় কিনা  আবার ১৯ বছর বয়স থেকে চুল পাকা শুরু হইছে। আমিকি কালো রঙ করতে পারবো?
২।হাদিসে কালো রং  নিষেধ করা হয়েছে কি কারনে যাতে বয়স লোকানো না হয় ধোকা দিতে না পারে এইজন্য নাকি। যদি একারনে হয়ে থাকে আমারতো চুল পাকার বয়সের আগেই চুল পেকে গেছে। আমার থেকে বড় যাদের বয়স  ৩৪- ৩৫ বা তার উপরে তাদের অল্প কিছু চুল পাকছে আর আমার অনেক বেশি। আমার দাড়ি একটাও পাকেনাই চুল পেকে গেছে।আমার তো বয়স লোকানো উদ্দেশ্য না আমার বয়স বেশি দেখা যায় সেজন্য করতে চাই তাহলে কি করা যাবে গেলে কত বছর বয়স পর্যন্ত করা যাবে?

1 Answer

0 votes
by (804,660 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
ফুকাহায়ে কেরামদের আলোচনা থেকে বুঝা যায় যে,কালো কলপ বিশেষ কিছু শ্রেণী ব্যতীত একদমই দেওয়া যাবে না।(জাওয়াহিরুল ফিকহ, ৭/১৫৯
মাকতাবাতু দরুল উলূম করাচী)


কালো কলপ ব্যতীত চুলে যেকোনো কালার দেয়া যেতে পারে যদি তা কাফিরগণ কে অনুসরণ করে না করা হয়।এবং পরপুরুষ কে দেখানোর উদ্দেশ্য না থাকে।(যেব ও যি-নত কে শরয়ী আহকাম-৭১)

হরমোনাল কারণে যদি স্বাভাবিক চুল পাকার বয়সের পূর্বে চুল পেকে যায়,তাহলে কালো খেযাব দেয়া যাবে। কেননা এখানে তো ধোঁকা দেয়া হচ্ছে না।অথচ ধোঁকা হওয়া দরুণই মূলত চুলে কালো খেযাব দেওয়ার বিধান মাকরুহে তাহরীমি ছিলো। 

কেননা হাদীসে বর্ণিত রয়েছে,
হযরত আবু হুরায়রা রাযি থেকে বর্ণিত,
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَرَّ عَلَى صُبْرَةِ طَعَامٍ فَأَدْخَلَ يَدَهُ فِيهَا، فَنَالَتْ أَصَابِعُهُ بَلَلًا فَقَالَ: «مَا هَذَا يَا صَاحِبَ الطَّعَامِ؟» قَالَ أَصَابَتْهُ السَّمَاءُ يَا رَسُولَ اللهِ، قَالَ: «أَفَلَا جَعَلْتَهُ فَوْقَ الطَّعَامِ كَيْ يَرَاهُ النَّاسُ، مَنْ غَشَّ فَلَيْسَ مِنِّي»
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন,যে ব্যক্তি ধোকা দিবে সে আমার উম্মতভূক্ত নয়।(সহীহ মুসলিম-১০২)

সাজগোছ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন-https://www.ifatwa.info/761


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...