আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
14 views
ago in সালাত(Prayer) by (24 points)
আসসালামু আলাইকুম
ওস্তাদ, আমাদের এলাকাগুলোতে দোয়া ইউনুস নামে পরিচিত যে দোয়াটা; অর্থাৎ  ইউনুস আলাইহিস সাল্লাম যেটা পড়েছিলেন। ওইটা ১ লক্ষ ২৫ হাজার বার পরে খতম করা হয়। এটাকে বলা হয় খতমে ইউনুস।
ওস্তাদ, আমি জানি এটা বিদআত। কিন্তু যারা এটা করে তারা কি কোন জাল হাদিসের ভিত্তিতে এটা করে? ওস্তাদ  যদি কোনো জাল হাদিসের ভিত্তিতে তারা করে ওই হাদিসটা উল্লেখ করার অনুরোধ রইল ইনশাআল্লাহ। এবং এটা যদি বিদআত হয়ে থাকে তাহলে যারা এটা করতেছে তাদেরকে আমি কিভাবে বা কোন দলিল বা কোন যুক্তি দিয়ে  বোঝাতে পারি যে এটা বিদআত,?
জাযাকাল্লাহ খইর।

1 Answer

0 votes
ago by (737,820 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
কিছু দু'আ র বেলায় হাদীসে সংখ্যার উল্লেখ রয়েছে।সুতরাং সেগুলোকে উক্ত সংখ্যায় পড়াই সুন্নাত।অন্যদিকে কিছু দু'আ এমন রয়েছে যেগুলোতে সংখ্যার উল্লেখ আসেনি। সুতরাং সেগুলো কোনো বিশেষ সংখ্যা দ্বারা আখ্যায়িত করা,বা উক্ত সংখ্যার সাথে জরুরী মনে করা ঠিক হবে না।এমনকি বাড়াবাড়ি করলে বেদ'আত হবে। হ্যা পূর্ববর্তী কিছু নেককার বান্দাগণ তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু সংখ্যার পরামর্শ দেন,সেগোলো জরুরী বা সুন্নত মনে না করে আ'মলে নেয়া যেতে পারে। তবে এক্ষেত্রে এমন মনোভাব রাখতে হবে যে, উক্ত সংখ্যা আমাদের উদ্দেশ্য নয় বরং আমরা বেশী করে পড়তে চাই। কিন্তু কতটুকু পড়ালে বেশী হবে?সেটা আমরা জানিনা। তাই নেককার বান্দাদের পরামর্শকৃত একটা সংখ্যাকে বেশীর মানদন্ড ধরে নিলাম। এবং সাথে সাথে নিজেকে খালিছভাবে আল্লাহর সামনে উপস্থাপন করবো। হয়তো এই বেশী পড়ার মনোভাব থাকায় আল্লাহ আমাদের দু'আ কে কবুল করে নিতে পারেন।
সম্মিলিত ভাবে পড়া সম্পর্কে বলা যায় যে,
এটা কে সুন্নত মনে করা যাবে না। তবে যদি কোথাও সম্মিলিতভাবে পড়া হয়,তাহলে যেন এমনভাবে পড়া হয় যে,একজনের আওয়াজ অন্যজনের কানে না পৌছায়। বরং দূরত্ব বজায় রেখে পড়া হয়। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/1145

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
সংখ্যা নির্দিষ্ট না করে খতমে ইউনুস পড়া যাবে। বিদ'আত হবে না। তবে সংখ্যা নির্দিষ্ট করা বা নির্দিষ্ট কোনো পদ্ধতিতে পড়াকে জরুরী বিবেচনা করা জায়েয  হবে না বরং বিদআত হিসেবে বিবেচিত হবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...