আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
22 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (2 points)
যতটুকু আমার মনে আছে যতটুকুই বলছি।
একটা রাস্তায় আমিসহ আরও অনেক মানুষ দেখা যাচ্ছিল। সাধারণ ভাবেই হাঁটছিল যে যার মতো। আর হঠাৎ তিনটা লোক সামনের দিকে থেকে এসে সবাইকে ধরছিল। তিনজনের মধ্যে একজন বলছিল ওকে ধর ও আগে বলেছে। আর বাকি দুজন দৌড়ে ধরছিল।

যেই একটা বাক্য বলছিল তাকেই। কোনো একটা বিশেষ বাক্য। আমার মনে নেই সেটা। যেই সেটা বলছিল তাকেই আগে ধরছিল। এরকম ধরতে ধরতে এক পর্যায়ে আমি সহ আর তিনজন বাকি রইলাম। তখন আমাকে এসে ধরলো। আর জিজ্ঞেস করলো আমি বলেছি কিনা। তখন আমি বললাম, না আমি বলিনি। ডিরেকশন দেওয়া লোকটাও বলল হ্যাঁ ও বলে নি। ওকে ছাড় বাকি দুজনকে ধর। তখন আমি ভাবলাম আমাকে যেহেতু ছেড়ে দিয়েছে,হয়তো আর ধরবে না।

আমি হেঁটে হেঁটে সামনে এগোতেই। আমার দিকে দৌড়ে এসে আমাকেও ধরলো। আবার আমাকে বলল আমি বলেছি কিনা। আমি বলি যে, না আমি বলিনি।

এরপর লোকটা বললো আর কেউ বাকি নেই। ওকেও ধর। এরপর সবাইকে কোনো এক জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়।

আমি চোখ খুলে দেখি যে, আমি অনেক বিশাল একটা গোডাউন জাতীয় পুরোনো একটা রুম এ। আমার আসে পাশে আরও অনেক অনেক মেয়ে। বিভিন্ন বয়সের। কেউ মায়ের বয়সী কেউ আমার থেকে একটু ছোট।
তাদের মধ্যে অনেকে চিৎকার করছিল। অনেকে কান্না করছিল জোরে জোরে। আমি বসা থেকে উঠে দাঁড়িয়ে আসে পাশে দেখতে লাগলাম।

দেখি যারা আমাদের ধরে এনেছে,তারা একটু দূরে আরেক রুমে বসে আছে। তারা নিজেদের মধ্যে কথা বলছে। আর বাইরে যাওয়ার দরজাতে পাহারাদার। দরজায় তালা নেই। তবে কড়া দিয়ে আটকানো আর দারোয়ান ভিতরেই দরজার পাশে।

আমি সামনের দিকে আরেকটা মাঝারি আকারের রুম দেখি, যেখানে বেঞ্চ ছিল কিছু। একজন বোন আমাকে বললো, ওখানে নিয়ে গিয়ে মেয়েদের নির্যাতন করা হয়।

আমি ভয় পেয়ে গেলাম। এখান থেকে কিভাবে বের হবো সেটা নিয়েও টেনশনে পড়ে গেলাম, এটা আমি কোথায় আটকে গেলাম। পরে আমি দরজার দিকে তাকিয়ে ছিলাম। মন চাচ্ছিল খুলে দৌড় দিই। কিন্তু ভয়ের জন্য পারছিলাম না। তখন হঠাৎই একজন বোন দরজা খুলে দেয়, এটা দেখে আমি না থেমেই অনেক জোরে দৌড় দিয়ে বেরিয়ে যাই। বেরোনোর পর আমার মায়ের মতো একটা কন্ঠ শুনি ভেতর থেকে। দরজাটা উনিই খুলে দিয়েছিলেন। আর কেউই বের হওয়ার সুযোগ পায়নি। আমার মনে হচ্ছিল ওনাকে ছেড়ে কিভাবে যাই। পরে ভাবলাম আমি বাঁচলে ওদেরও বাঁচাতে পারবো।
আমার খুব কষ্ট লাগছিল ভিতরে আটকা বোনদের জন্য। আমি তখন যেতে যেতে মনে মনে বললাম আমি ওদের বাঁচাতে হবে বা বাঁচাতে আসবো। এরকম কিছু একটা বলেছি হয়তো।
স্বপ্ন টা দেখার পর থেকেই আমার বার বার ওই বোনদের বাঁচাতে হবে এটা মনে পড়ছে। ওদের কান্না, চিৎকার মনে পড়ছে বার বার।  এই স্বপ্ন টার কি কোনো ব্যাখ্যা আছে? আমার খুব জানতে ইচ্ছে হচ্ছে। আর মন খুব খারাপ ওই বোনদের জন্য, যদিও তারা স্বপ্নে ছিল।

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
خير لنا و شر علي أعدائنا والحمدلله رب العالمين
(ভালো আমাদের জন্য,খারাপ আমাদের শত্রুদের জন্য,সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা'আলার।)
আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّه عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَال: (الرُّؤْيَا ثَلاثٌ : فَبُشْرَى مِنَ اللَّهِ ، وَحَدِيثُ النَّفْسِ ، وَتَخْوِيفٌ مِنَ الشَّيْطَانِ فَإِنْ رَأَى أَحَدُكُمْ رُؤْيَا تُعْجِبُهُ فَلْيَقُصَّ إِنْ شَاءَ وَإِنْ رَأَى شَيْئًا يَكْرَهُهُ فَلا يَقُصَّهُ عَلَى أَحَدٍ وَلْيَقُمْ يُصَلِّي ) 
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ স্বপ্ন তিনি প্রকার। (১) আল্লাহর পক্ষ থেকে সুসংবাদ, (২) বান্দার মনের খেয়াল এবং (৩)শয়তানের পক্ষ থেকে ভীতি প্রদর্শনমূলক কিছু। অতএব তোমাদের কেউ পছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে তা ইচ্ছা করলে অপরের কাছে ব্যক্ত করতে পারে। আর সে অপছন্দনীয় কিছু স্বপ্নে দেখলে যেন তা ব্যক্ত না করে এবং উঠে নামায পড়ে।( সহীহ বুখারী-৭০১৭) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/734


আপনার প্রতি নসিহা হল,আপনি ফরয ওয়াজিব বিধানকে গুরুত্বসহকারে পালন করবেন।সামর্থ্যানুযায়ী গরীব-মিসকিনকে কিছু দান করবেন। আর নিম্নোক্ত দুআ পড়বেন। "আল্লাহুম্মা ইন্না নাজআলুকা ফি নুহুরিহিম,ওয়া নাউযুবিকা মিন শুরুরিহিম।" ঘরোয়াভাবে নিজে নিজে রুকইয়াহ করবেন। https://www.ifatwa.info/3469


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
আপনি ও আপনার পরিবারের সামনে কিছুটা মুশকিল ও কঠিন সময় আসবে। ইনশাআল্লাহ এক সময় তা কেটে যাবে। আল্লাহ কবুল করুক।আমীন।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...