আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
26 views
in ঈমান ও বিশ্বাস (Faith and Belief) by (4 points)
শায়েখ আসসালামু আলাইকুম
শায়েখ আমার স্ত্রী বোরখা পরে কিন্তু মুখ খোলা রাখে, একদিন ঘুরতে যাওয়ার সময় বলি মুখ ডাকলে ঘুরতে নিয়ে যাব।
তাকে বুঝাচ্ছিলাম নামাজ যেমন ফরজ, পর্দা করাও ফরজ। সেও সেটা জানে বিশ্বাস করে। কিন্তু মজা করে বলছে নামাজ ভালো,  পর্দা ফরজ না। পরে তাকে জিজ্ঞেস করি এটা কেন বললা সে বলে মজা করে বলছি সত্যি সত্যি বলিনি তো।
১..তার এই কথার জন্য কি ইমান ভঙ্গ হয়েছে?
২..ইমান ভঙ্গ হলে কি আবার বিবাহ পড়িয়ে নিতে হবে?  বিবাহ পরানোর জন্য কি তিন হায়েজ পর্যন্ত অপেক্ষার দরকার আছে নাকি এখনই পড়ানো যাবে?

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
মুখ পর্দার ভিতরে।বিনা জরুরতে গায়রে মাহরামের সামনে মুখ খোলা নাজায়েয।সুতরাং গায়রে মাহরাম আত্মীয়র সামনে মুখ খোলা রেখো যাওয়া যাবে না বা কুশল বিনিময়ও করা যাবে না।

আল্লাহ তা'আলা বলেন,
يا ايها النبى قل لازواجك وبناتك ونساء المؤمنين ...
হে নবী! আপনি আপনার স্ত্রীগণকে, কন্যাগণকে ও মুমিনদের নারীগণকে বলুন, তারা যেন তাদের চাদরের কিয়দংশ নিজেদের উপর টেনে দেয়। এতে তাদের চেনা সহজ হবে। ফলে তাদের উত্যক্ত করা হবে না। আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আহযাব : ৫৯)

আবদুল্লাহ ইবনে আববাস রা. উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেছেন, আল্লাহ তাআলা মুমিন নারীদেরকে আদেশ করেছেন যখন তারা কোনো প্রয়োজনে ঘর থেকে বের হবে তখন যেন মাথার উপর থেকে ওড়না/চাদর টেনে স্বীয় মুখমন্ডল আবৃত করে। আর (চলাফেরার সুবিধার্থে) শুধু এক চোখ খোলা রাখে।(ফাতহুল বারী ৮/৫৪) এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/572

সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
মুখ পর্দার অন্তর্ভুক্ত কি না? তা নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। সিংহভাগ উলামাদের মতে মুখ পর্দার অন্তর্ভুক্ত। এবং মুখ ঢাকা ফরয। কোনো বিধানে উলামাদের মতবিরোধ থাকলে সেই বিধানকে অস্বীকার করলে কেউ কাফির হয় না। সুতরাং আপনার স্ত্রীর বক্তব্য 'নামাজ ভালো,পর্দা ফরজ না' এ কথার দ্বারা আপনার স্ত্রীর ঈমান চলে যাবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...