১) একজন অমুসলিম, গায়রে মাহরাম এর হিদায়াতের জন্য দুয়া করা যাবে? তার সাথে আমার দেখাও হয় না, কথাও হয় না। জন্য দুয়া করা যাবে? তার সাথে আমার দেখাও হয় না, কথাও হয় না। আমি তার সাথে দাওয়াহ-র উদ্দেশ্যেও কথা বলি না।
২) দুনিয়াবি পড়াশুনাকে ইবাদতে পরিণত করার উপায় কী?
৩) ক্লাস 4-5 এ থাকতে আমি ক্লাসমেটদের মারপিঠ করার স্বভাব ছিল। ছোটবেলার একাজের জন্য কি গুনাহ হবে?(নামাজ ফরজ হওয়ার বয়সে)
তখন যাদের সাথে এরকম করেছিলাম ওদের থেকে কী মাফ চেয়ে নিতে হবে? ওরা কে কোথায় আছে আমি জানি না।তাদের সাথে দেখা হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই বললেই চলে।এদের মধ্যে কেউ বর্তমানে আমার গায়ের মাহরামও হয়। এমতাবস্থায় করণীয় কী?
৪) আমি ছোটবেলা থেকেই সহশিক্ষায় পড়ছি। পর্দার বুঝ হওয়ার পর ছেলে সহপাঠীদের সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছি।হাই স্কুলে পর্দা শুরু করলেও পূর্ণ সহীহ পর্দা মেইনটেইন কখনো করতে পারি নি।কিন্তু এখন আমি খেয়াল করলাম,আমার পুরুষ শিক্ষকদের সাথে (পড়ালেখা সংক্রান্ত), ছেলে সহপাঠীর সাথে ( প্রয়োজনে), পুরুষ আত্মীয়দের সাথে কথা বলতে গেলে কোনো জড়তা কাজ করে না, কথা বলার সময় চেহারার দিকে তাকাতে ইতস্তত বোধ হয় না,কণ্ঠস্বরের পর্দার ব্যাপারে খেয়াল ছুটে যায়। এসব ভাবলে খারাপ লাগে,মনে হয় আমি হিদায়াত হারিয়ে ফেলছি, আমার পর্দা শুধুমাত্র পোশাকি,নামে মাত্র, হায়া যেন চলে গিয়েছে। নিজের এ অবস্থা সংশোধনের জন্য কী করা উচিত? পর্দার বিঝ আসার পর যেভাবে স্ট্রিক্টলি মেনে চলার চেষ্টা করতাম সেই মনোভাব ফিরে পাবো কীভাবে?
৫) ফি দিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করেছি এমন প্রতিযোগিতার প্রাইজ মানি বাবদ কিছু টাকা আছে।এতগুলো টাকা সাওয়াবের উদ্দেশ্য ছাড়া কোথায় দিব বুঝতে পারছি না।এই টাকা দিয়ে কোচিং-এ ভর্তি হওয়া এবং দুনিয়াবি বই কেনা কি জায়েজ হবে?