আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
17 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (11 points)
আসসালামু আলাইকুম । আমি একজন মেয়ে । আমার বয়স 18 বছর। আমার বাবা মা 2 জনেই ব্যাংক এর চাকরি করত। আলহামদুলিল্লাহ্ আমার মা এর বুঝতে পারে যে এই পথ হারাম। তাই তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। আমার বাবা তার 4 বছর পর চাকরি ছাড়েন।  তারপর  আমাদের সাথে কথা বলেন  এর পর কি করা যায়। তখন আমি বলি যে ব্যবসা তে বারাকাহ বেশি ।তখন তিনি ব্যবসা শুরু করেন  কিন্তু আমার বাবা ব্যাংক  থেকে যে পেনশন এর টাকা পাইসিলেন ঐটা দিয়ে শুরু করেন। যা হালাল না। ছোট বেলা থেকেই এই ব্যাংক থেকে উপর্জিত অর্থ দিয়েই আমার বাবা আমাদের ভরণ পোষণ দেন।  তাহলে বলা যায় আমার তো শরীরের সব কোষ ও হারাম খাবার খেয়ে বেড়ে উঠেছে। যদিও তাদের হারাম আমার কাছে হালাল ছিল।
১. তাদের হারাম উপার্জন আমার কাছে যদিও হালাল ছিল। এর সূত্র তো হারাম । এ ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব কি পড়বে না আমার জীবনে?
২. আমি তো এখন বড় হয়েছি। আমার বয়স 18। মেয়ে হওয়ার কারণে আমি বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারব না। আমাকে এখনও আমার বাবার অধীনেই থাকতে হয়। এখনো তো আমি ওই হারাম রিযিক ই গ্রহণ করছি। এতে আমার পাপ হচ্ছে না? হারাম রিযিক এর জন্যে তো দুআ,নামাজ ও কবুল হয় না। তাহলে এখন আমার কি করা উচিৎ?
3. আমি অনেকবার চেষ্টা করেছি যে বাড়িতে বসে অনলাইনে কিছু একটা করে হালাল উপার্জন করব। আর নিজের খরচ নিজে চালাবো। কিন্তু কোনো বারেই সফল হই নি। এখন আমার পরিবারে এমন অবস্থা  হয়তো খুঁজলেও 1 টাকা হালাল পাওয়া যাবে । কারণ আমার বাবার আর অন্য কোনো আয়ের পথ নেই। আর কেউ হালাল টাকা দিয়ে সাহায্য করবে এমন ও নেই। আমার পরিবারে হারাম রিযিক এর পরিণতি যে কতখানি সেই বিষয় এ খুব বেশি বুঝে না। আমি বুঝাইতে গেলেও বুঝে না। আমার মনে হয় যে আমার এই হারাম রিযিক এর জন্য আমার নামাজে খুশু খুজু নেই। সব এলোমেলো। আল্লাহ ভালো জানেন। এ রকম সমস্যা তো অনেকের ক্ষেত্রে। আমি ছেলে হলে বাইরে গিয়ে কাজ করতে পারতাম । এখন কি করব? আমার বাবার দেওয়া ভরণপোষণ এগুলা কি এখনো আমার জন্য হালাল ? আমি তো বড় হয়েছি।

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
হারাম মূল দ্বারা যদি কেউ হালাল উপায়ে কিছু উপার্জন করে, যে উপার্জনের তার শ্রমও থাকবে, ফুকাহায়ে কেরামের মতে এখানে মূলধন হারাম থাকার কারণে ঐ ব্যক্তির উপার্জন হারাম হবে না। বরং হালালই থাকবে। কেননা এখানে তার হালাল শ্রম রয়েছে। এবং পদ্ধতিও হালাল ছিল। হ্যা, তার উপর ওয়াজিব,সে ঐ হারাম মূলধনকে তার মালিকের নিকট ফিরিয়ে দিবে বা সওয়াবের নিয়ত ব্যতীত সদকাহ করে দিবে। কারো সামর্থ্য থাকাবস্থায় হারাম মূলধন দ্বারা ব্যবসা করা কখনো জায়েয হবে না।এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/2941


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
(১) প্রশ্নের বিবরণমতে এক্ষেত্রে আপনার উপর  কোনো প্রভাব পড়বে না।

(২) আপনি যেহেতু একজন নারী তাই আপনার ইবাদত কবুল হতে কোনো সমস্যা হবে না।

(৩) আপনি যেহেতু একজন নারী তাই আপনার ইবাদত কবুল হতে কোনো সমস্যা হবে না। বিস্তারিত জানুন- https://www.ifatwa.info/2362


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...