আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
28 views
in পবিত্রতা (Purity) by (20 points)
ফরজ গোসলের পর দেখা গেলো কলমের কালি নখের ভিতর নখ বড় ছিলো। ময়লা পরিষ্কার করার সময় কলম দিয়া গুতাইছি। ওয়েবসাইট এ দেখলাম কলমের কালি পানি প্রতিবন্ধক না। ওরা ওজু হয় বললো গোসল এর কথা বলে নাই ১। তাহলে গোসল কি হবে?  ধরে নিলাম হবে না তাহলে তার পর ডলে উঠাইলাম নখ ও কাটলাম ধুইলাম এর পর মনে হয় হালকাচিকন  কালি দেখা যায়৷ অতটুকু এর কারনে গোসল হবে?
ফরজ গোসলে গোপনাংগের নিচে পানি দিয়া ডললেও ননে হয় ভিজে নাই। কারন জায়গা টা তো দেখা যায় না ২৷ ইসলামী কোন নিয়ম কি আছে যার মাধ্যমে বুঝা যাবে যে ওই জায়গা ভিজছে।
রাসুল স।এর গোসল তো অনেক কম পানি দিয়া করতো ৩৷ তাহলে কি অল্প পানি দিয়া গোসল হয়?
৪৷ নখ বড় হলে কি চামড়া টান দিয়া পানি ঢুকাইতে হবে?  ৫। পায়ু পথে  পানি ঢুকানোর জন্য উৎ হইতে হবে

1 Answer

0 votes
by (701,850 points)
জবাবঃ-
وعليكم السلام ورحمة الله وبركاته 
بسم الله الرحمن الرحيم 

পবিত্রতা (অযু/গোসল) ব্যতীত নামাজ কবুল হবে নাঃ

 عَنْ اَبِى الْمَلِيْحِ عَنْ اَبِيْهِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّي اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم: لَا يَقْبَلُ اللهُ صَلَاةً بِغَيْرِ طُهُوْرٍ وَلَا صَدَقَةً مِنْ غُلُوْلٍ 

– অর্থঃ হযরত আবূ মালিহ তাঁর পিতা (উসামা রাযি.) থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:- আল্লাহ্ তা’আলা পবিত্রতা ব্যতীত নামাজ কবুল করবেন না এবং অবৈধ সম্পদের সাদকাও কবুল করবেন না। (সুনানে নাসাঈ হাদীস নং-০৬)

অজুর ক্ষেত্রে অজুর অঙ্গগুলো এবং ফরজ গোসলের ক্ষেত্রে পুরো শরীর পরিপূর্ণভাবে পানি দ্বারা ভেজানো আবশ্যক।
যদি কোনো অংশ না ভিজে,তাহলে অযু,গোসল হবেনা।

আল্লামা মুহাম্মদ বিন সালেহ আল উসাইমিন (রহ.) বলেন, ‘মানুষ যদি পবিত্রতা অর্জনের অঙ্গে তৈলাক্ত বস্তু (তেল, ক্রিম) ব্যবহার করে, তাহলে দেখতে হবে যদি উক্ত তৈলাক্ত বস্তুটি জমাট বাঁধা ও আবরণবিশিষ্ট হয়, তাহলে পবিত্রতা অর্জনের পূর্বে অবশ্যই তা দূর করতে হবে। যদি তৈলাক্ত বস্তু সেভাবেই জমাট বাঁধা অবস্থায় থেকে যায়, তাহলে তা চামড়া পর্যন্ত পানি পৌঁছতে বাধা দেবে। এতে করে তখন পবিত্রতা শুদ্ধ হবে না।

কিন্তু যদি তৈলাক্ত বস্তুটির কোনো আবরণ না থাকে কিন্তু পবিত্রতার অঙ্গগুলোর ওপর সেগুলোর চিহ্ন অবশিষ্ট থেকে যায়, তাহলে তাতে কোনো ক্ষতি নেই। কিন্তু এ অবস্থায় ওই অঙ্গের ওপর হাত ফিরিয়ে দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কেননা সাধারণত তৈলাক্ত বস্তু থেকে পানি আলাদা থাকে। সুতরাং হতে পারে, পবিত্রতার ক্ষেত্রে পুরো অঙ্গে পানি পৌঁছবে না।’ (ফাতাওয়ায়ে তাহারাহ, পৃষ্ঠা : ১৭৪)

বিস্তারিত জানুনঃ 


★সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনি ভাই/বোন,
(০১)
প্রশ্নের বিবরণ মতে আপনার গোসল হয়ে যাবে।

(০২)
অঙ্গের উপর আপনি পানি ভালোভাবে ঢেলে দিয়ে সামান্য ডললেই সেটি ভিজে গিয়েছে বলে গণ্য হবে। হ্যাঁ যদি সেই অংশ তৈলাক্ত হয় বা এমন খসখসে ভাব হয় যে পানি ঢেলে দিলেও তা ভালোভাবে না ভিজে, সেক্ষেত্রে হাত দিয়ে ভালোভাবে ডলে ডলে ধৌত করবেন।

(০৩)
হ্যাঁ, হয়।ভালোভাবে ডলে ডলে ধৌত করতে হয়।

(০৪)
সেখানে পানি দিয়ে আঙ্গুল দিয়ে ভালোভাবে ডললেই পানি নখের নিচে পৌঁছে যাবে।

(০৫)
না, সেখানে পানি ঢেলে হাতের আঙ্গুল দ্বারা কচলিয়ে ধোয়া হলেই সেই স্থান পাক হয়ে যাবে।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

------------------------
মুফতী ওলি উল্লাহ
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

by
নখে তো আমরা এত সচেতন ভাবে পামি দি না । ওজু করার সময় কবজি ধুই ততটুক ই। পরে ধুইলেও হবে?
by (701,850 points)
এতেই মূলত পানি সেখানে পৌঁছে যায়।

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

...