আইফতোয়াতে ওয়াসওয়াসা সংক্রান্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হবে না। ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা ও করণীয় সম্পর্কে জানতে এখানে ক্লিক করুন

0 votes
27 views
in বিবিধ মাস’আলা (Miscellaneous Fiqh) by (5 points)
edited by
আসসালামু আলাইকুম উস্তায।

প্রশ্ন-০১: বাড়িতে যদি কোনো পুরুষ মানুষ না থাকে তাহলে কি মহিলাদের হায়েজ অবস্থায় কি রুকইয়াহর পানি তৈরি করতে পারবে যদি সেই রুকইয়াহ মেথডে সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক,নাস সহ আরো কুরআনের অন্যান্য আয়াত এবং সূরা থাকে তারপর ও?

বিঃদ্রঃ নিয়মিত রুকইয়াহ না করলে জ্বীন-যাদুর প্রভাবে রোগীর অবস্থা অনেক বাজে হয়ে যায়।


প্রশ্ন-০২: কোনো মেয়ে যদি দুষ্টুমি করে তার মাকে বলে যে --- আমি তোরে বকা না দিলে কি তুই বাচবি?  বা আমি তোরে দেখাশুনা না করলে কি তুই বাচবি?


অতঃপর, মা ও যদি উত্তরে দুষ্টুমি করে বলে যে -- না বাচবো না। তাহলে কি এই কথার দ্বারা শির্ক হয়ে যায় এবং দুজনেরই ঈমান চলে যাবে?

1 Answer

0 votes
by (737,820 points)
ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু। 
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) বাড়িতে যদি কোনো পুরুষ মানুষ না থাকে তাহলে মহিলারা হায়েজ অবস্থায় রুকইয়াহর পানি তৈরি করতে পারবে যদি সেই রুকইয়াহ মেথডে সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সূরা ইখলাস, ফালাক,নাস সহ আরো কুরআনের অন্যান্য আয়াত এবং সূরা থাকে তারপরও।


(২) 
"الدر المختار " (4/ 224): 
"(وشرائط صحتها العقل) والصحو (والطوع) فلا تصح ردة مجنون، ومعتوه وموسوس، وصبي لايعقل وسكران ومكره عليها، وأما البلوغ والذكورة فليسا بشرط بدائع".
قال ابن عابدین رحمه الله:
" قال في البحر والحاصل: أن من تكلم بكلمة للكفر هازلاً أو لاعبًا كفر عند الكل ولا اعتبار باعتقاده، كما صرح به في الخانية. ومن تكلم بها مخطئًا أو مكرهًا لايكفر عند الكل، ومن تكلم بها عامدًا عالمًا كفر عند الكل، ومن تكلم بها اختيارًا جاهلاً بأنها كفر ففيه اختلاف. اهـ".
কুফরি কালিমা উচ্ছারণপূর্বক কাফির সাব্যস্তর জন্য শর্ত হল, জ্ঞান থাকা,সুস্থ মস্তিষ্ক হওয়া। সুতরাং কুফরি কালিমা উচ্চারণ করার দরুণ পাগল,অসুস্থ মস্তিষ্কের অধীকারি ব্যক্তি এবং ওয়াসওয়াসায় আক্রান্ত ব্যক্তি, নবালক সন্তান, নেশাগ্রস্ত এবং ঐ ব্যক্তি যার উপর বল প্রয়োগ হচ্ছে, তার  ঈমান নষ্ট হবে না। 
ইবনে আবেদীন রাহ বলেন, 
মোটকথা, যে ব্যক্তি রংতামাশা বশত কুফরি কালিমা উচ্চারণ করে নিল, তার ঈমান চলে যাবে। তার নিয়তেে দিকে দৃষ্টি দেয়া হবে না। আর যে ব্যক্তি ভুলে বা বল প্রয়োগের দরুণ কুফরি কালিমা উচ্চারণ করলো, তার ঈমানে কোনো সমস্যা হবে না।  তবে যেই ব্যক্তি জেনে বুঝে কুফরি কালিমা উচ্চারণ করবে, তার ঈমান চলে যাবে । কিন্তু যদি কেউ কুফরি সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরও অনিচ্ছায় মনের অজান্তে কুফরি কালিমা উচ্চারণ করে ফেলে, তাহলে তার ঈমান বাকী থাকবে কি না? এ নিয়ে উলামাদের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে....(রদ্দুল মুহতার-৪/২২৪)এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন- https://www.ifatwa.info/7748


সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
কোনো মেয়ে যদি দুষ্টুমি করে তার মাকে বলে যে --- আমি তোরে বকা না দিলে কি তুই বাচবি।বা আমি তোরে দেখাশুনা না করলে কি তুই বাচবি?

অতঃপর, মা ও যদি উত্তরে দুষ্টুমি করে বলে যে -- না বাচবো না। তাহলে এই কথার দ্বারা শিরক হবে না এবং ঈমান চলে যাবে না।


(আল্লাহ-ই ভালো জানেন)

--------------------------------
মুফতী ইমদাদুল হক
ইফতা বিভাগ
Islamic Online Madrasah(IOM)

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন। উত্তর না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনি প্রতিমাসে সর্বোচ্চ ৪ টি প্রশ্ন করতে পারবেন। এই প্রশ্ন ও উত্তরগুলো আমাদের ফেসবুকেও শেয়ার করা হবে। তাই প্রশ্ন করার সময় সুন্দর ও সাবলীল ভাষা ব্যবহার করুন।

বি.দ্র: প্রশ্ন করা ও ইলম অর্জনের সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হলো সরাসরি মুফতি সাহেবের কাছে গিয়ে প্রশ্ন করা যেখানে প্রশ্নকারীর প্রশ্ন বিস্তারিত জানার ও বোঝার সুযোগ থাকে। যাদের এই ধরণের সুযোগ কম তাদের জন্য এই সাইট। প্রশ্নকারীর প্রশ্নের অস্পষ্টতার কারনে ও কিছু বিষয়ে কোরআন ও হাদীসের একাধিক বর্ণনার কারনে অনেক সময় কিছু উত্তরে ভিন্নতা আসতে পারে। তাই কোনো বড় সিদ্ধান্ত এই সাইটের উপর ভিত্তি করে না নিয়ে বরং সরাসরি স্থানীয় মুফতি সাহেবদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Related questions

...