ওয়া আলাইকুমুস-সালাম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।
জবাবঃ-
আলহামদুলিল্লাহ!
(১) ফরয নামাযে বাংলাতে দু'আ করলে নামায ফাসিদ। যতগুলো নামায পড়া হয়েছে, সবগুলো নামাযকে আবার পড়তে হবে। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন-
https://www.ifatwa.info/185
(২) জ্বী, এটা দুনিয়াবী দোয়া হিসেবে বিবেচিত হবে।
(৩) নামাজে দাড়ানোর পর আল্লাহকে অনুভব করার কারণে বা দুনিয়াবী পেরেশনীর কারণে যদি কান্না করা হয় ( শব্দ না করে) তাহল নামাজ ফাসেদ হবে কি না?
(৪) প্রশ্নের বিবরণমতে উক্ত পদ্ধতি নামাজকে ত্রুটিযুক্ত করবে না।
নামাজে মনোযোগ রাখার জন্য সুরা -তাসবীহ পড়ার সময় সেগুলোর অর্থ মনের কল্পনাতে নিয়ে আসা যাবে তবে তিন তাসবিহ পরিমাণ চুপ থেকে কল্পনা করা যাবে না।
(৫) জ্বী, দুরুদ পড়তে হবে।প্রথমবার ওযাজিব।পরেরবার মুস্তাহাব ।
(৬)
যদি সন্দেহের ভিত্তিতে সাহু সিজদা (যা ওয়াজিব হয়নি) দুই সালাম ফিরিয়ে দেয়া হয়ে থাকে, তাহলে নামায হয়ে যাবে।আর যদি এক সালাম ফিরিয়ে দেয়া হয়, তাহলে উক্ত নামাযকে দোহড়াতে হবে (কিতাবুন-নাওয়যিল-৩/৬৩৯)"
সু-প্রিয় প্রশ্নকারী দ্বীনী ভাই/বোন!
নামাজে ওয়াজিব তরক হয়েছে সন্দেহের কারণে যদি সাহু সিজদা দেয়া হয়, এবং এক সালামের পর সাহু সিজদা দেয়া হয়,তাহলে এমনিতেই নামাযকে দোহড়াতে হবে।
যদি দুই সালাম ফিরানোর পর সাহু সিজদা দেয়া হয়,
এবং পরবর্তীতে পরে মনে পড়ে যে, তরক হয়নি তখন ঐ নামাজকে আবার পড়তে হবে না।