0 votes
134 views
in সালাত(Prayer) by (10 points)
শবে বরতে কি নামাজ আছে?

1 Answer

0 votes
by (30.9k points)

বিসমিহি তা'আলা

শবে বরাত প্রসঙ্গ।
হযরত আবু মুসা আশ'আরী রাযি থেকে বর্ণিত,
ﻋﻦ ﺃﺑﻲ ﻣﻮﺳﻰ ﺍﻷﺷﻌﺮﻱ ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ ﻋﻦ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ﻗﺎﻝ : ﺇﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟﻴﻄَّﻠﻊُ ﻓﻲ ﻟﻴﻠﺔِ ﺍﻟﻨِّﺼﻒِ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥَ ﻓﻴﻐﻔﺮُ ﻟﺠﻤﻴﻊِ ﺧﻠﻘِﻪ ﺇﻟَّﺎ ﻟﻤﺸﺮِﻙ ﺃﻭ ﻣﺸﺎﺣﻦٍ .
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন, আল্লাহ তা'আলা শা'বানের মধ্যরাত্রিতে মুশরিক এবং হিংসুক ব্যতীত সকল মু'মিন মুসলমানকে ক্ষমা করে দেন।(সুনানে ইবনে মা'জা-১৩৯০)

ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানি রাহ উক্ত হাদীসকে সহীহ বলেছেন।
যেমন বর্ণিত রয়েছে-
ﺇﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻟﻴﻄَّﻠﻊُ ﻓﻲ ﻟﻴﻠﺔِ ﺍﻟﻨِّﺼﻒِ ﻣﻦ
ﺷﻌﺒﺎﻥَ ﻓﻴﻐﻔﺮُ ﻟﺠﻤﻴﻊِ ﺧﻠﻘِﻪ ﺇﻟَّﺎ ﻟﻤﺸﺮِﻙ
ﺃﻭ ﻣﺸﺎﺣﻦٍ
ﺍﻟﺮﺍﻭﻱ : ﺃﺑﻮ ﻣﻮﺳﻰ ﺍﻷﺷﻌﺮﻱ
ﺍﻟﻤﺤﺪﺙ : ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ ﺍﻟﻤﺼﺪﺭ : ﺻﺤﻴﺢ ﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﻪ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺃﻭ ﺍﻟﺼﻔﺤﺔ : 1148 ﺣﻜﻢ ﺍﻟﻤﺤﺪﺙ : ﺣﺴﻦ

ﺇﻥَّ ﺍﻟﻠﻪَ ﻟَﻴَﻄَّﻠِﻊُ ﻓﻲ ﻟﻴﻠﺔِ ﺍﻟﻨِّﺼﻒِ ﻣﻦ
ﺷﻌﺒﺎﻥَ ، ﻓﻴَﻐﻔِﺮ ﻟﺠﻤﻴﻊِ ﺧﻠﻘِﻪ ﺇﻻ
ﻟﻤﺸﺮﻙٍ ﺃﻭ ﻣُﺸﺎﺣﻦٍ
ﺍﻟﺮﺍﻭﻱ : ﺃﺑﻮ ﻣﻮﺳﻰ ﺍﻷﺷﻌﺮﻱ
ﺍﻟﻤﺤﺪﺙ : ﺍﻷﻟﺒﺎﻧﻲ
ﺍﻟﻤﺼﺪﺭ : ﺍﻟﺴﻠﺴﻠﺔ ﺍﻟﺼﺤﻴﺤﺔ ﺍﻟﺠﺰﺀ ﺃﻭ ﺍﻟﺼﻔﺤﺔ : 1563 ﺣﻜﻢ ﺍﻟﻤﺤﺪﺙ : ﺫﻛﺮ ﻟﻪ ﺷﻮﺍﻫﺪ

ইমাম নাসিরুদ্দিন আলবানি রাহ উক্ত হাদীসকে সহীহ বলেছেন।
তিনি (সিলসিলাতুল আহাদিস-সাহিহাহ-৩/২১৮)এ উক্ত সনদের দুর্বলতা উল্লেখ পূর্বক হাদীসের অন্যান্য সনদের ভিত্তিতে হাদীসের মতন তথা হাদীসের শব্দ ও তার মর্মার্থর বিশুদ্ধতা প্রমাণ করে হাদীসকে সহীহ বলেছেন। যেমন বর্ণিত রয়েছে-
ﻭ ﺃﻣﺎ ﺣﺪﻳﺚ ﺃﺑﻲ ﻣﻮﺳﻰ : ﻓﻴﺮﻭﻳﻪ ﺍﺑﻦ ﻟﻬﻴﻌﺔ ﺃﻳﻀﺎً ﻋﻦ ﺍﻟﺰﺑﻴﺮ ﺑﻦ ﺳﻠﻴﻢ ﻋﻦ ﺍﻟﻀﺤﺎﻙ ﺑﻦ ﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﻋﻦ ﺃﺑﻴﻪ ﻗﺎﻝ : ﺳﻤﻌﺖ ﺃﺑﺎ ﻣﻮﺳﻰ ﻋﻦ ﺍﻟﻨﺒﻲ ﺻﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ ( ﻧﺤﻮﻩ ) .ﺃﺧﺮﺟﻪ ﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﻪ ( 1390 ) ﻭﺍﺑﻦ ﺃﺑﻲ ﻋﺎﺻﻢ ﺍﻟﻼﻟﻜﺎﺋﻲ .ﻗﻠﺖ : ﻭﻫﺬﺍ ﺇﺳﻨﺎﺩ ﺿﻌﻴﻒ ؛ ﻣﻦ ﺃﺟﻞ ﺍﺑﻦ ﻟﻬﻴﻌﺔ ، ﻭﻋﺒﺪ ﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ، ﻭﻫﻮ ﺍﺑﻦ ﻋﺮﺯﺏ ، ﻭﺍﻟﺪ ﺍﻟﻀﺤﺎﻙ : ﻣﺠﻬﻮﻝ ، ﻭﺃﺳﻘﻄﻪ ﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﻪ ﻓﻲ ﺭﻭﺍﻳﺔ ﻟﻪ ﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻟﻬﻴﻌﺔ .
" ﺍﻟﺴﻠﺴﻠﺔ ﺍﻟﺼﺤﻴﺤﺔ " ( 3 / 218 )

ফাতাওয়ায়ে শামীতে২/২৪-২৫ এ বর্ণিত রয়েছে-দুই ঈদের রাত এবং শা'বানের মধ্যরাত এবং রমজানের শেষ দশের রাতে জাগরিত থেকে ইবাদত বন্দেগী করা মুস্তাহাব। এই রজনী সমূহের সমস্ত অংশ বা অধিকাংশ অংশজুড়ে ইবাদত-বন্দেগী করা মুস্তাহাব।

এই রাত্রি সমূহে পূথক পূথক ভাবে ইবাদত-বন্দেগী করতে হবে।জামাত বন্দী হয়ে করা যাবে না।নফল ইবাদত করে তথা নামায,কুরআন তেলায়াত,হাদীস আলোচনা,তাসবিহ, দুরুদ ইত্যাদি পড়ে রাত্রি জাগরণ করা মুস্তাহাব।

দেখুন-
في الدر المختار.....
ﻭﺇﺣﻴﺎء ﻟﻴﻠﺔ اﻟﻌﻴﺪﻳﻦ، ﻭاﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ، ﻭاﻟﻌﺸﺮ اﻷﺧﻴﺮ ﻣﻦ ﺭﻣﻀﺎﻥ، ﻭاﻷﻭﻝ ﻣﻦ ﺫﻱ اﻟﺤﺠﺔ، ﻭﻳﻜﻮﻥ ﺑﻜﻞ ﻋﺒﺎﺩﺓ ﺗﻌﻢ اﻟﻠﻴﻞ ﺃﻭ ﺃﻛﺜﺮﻩ.

وفي رد المحتار......
ﻣﻄﻠﺐ ﻓﻲ ﺇﺣﻴﺎء ﻟﻴﺎﻟﻲ اﻟﻌﻴﺪﻳﻦ ﻭاﻟﻨﺼﻒ ﻭﻋﺸﺮ اﻟﺤﺠﺔ ﻭﺭﻣﻀﺎﻥ
(ﻗﻮﻟﻪ ﻭﺇﺣﻴﺎء ﻟﻴﻠﺔ اﻟﻌﻴﺪﻳﻦ) اﻷﻭﻟﻰ ﻟﻴﻠﺘﻲ ﺑﺎﻟﺘﺜﻨﻴﺔ: ﺃﻱ ﻟﻴﻠﺔ ﻋﻴﺪ اﻟﻔﻄﺮ، ﻭﻟﻴﻠﺔ ﻋﻴﺪ اﻷﺿﺤﻰ.
(ﻗﻮﻟﻪ ﻭاﻟﻨﺼﻒ) ﺃﻱ ﻭﺇﺣﻴﺎء ﻟﻴﻠﺔ اﻟﻨﺼﻒ ﻣﻦ ﺷﻌﺒﺎﻥ.
(ﻗﻮﻟﻪ ﻭاﻷﻭﻝ) ﺃﻱ ﻭﻟﻴﺎﻟﻲ اﻟﻌﺸﺮ اﻷﻭﻝ ﺇﻟﺦ. ﻭﻗﺪ ﺑﺴﻂ اﻟﺸﺮﻧﺒﻼﻟﻲ ﻓﻲ اﻹﻣﺪاﺩ ﻣﺎ ﺟﺎء ﻓﻲ ﻓﻀﻞ ﻫﺬﻩ اﻟﻠﻴﺎﻟﻲ ﻛﻠﻬﺎ ﻓﺮاﺟﻌﻪ.
(ﻗﻮﻟﻪ ﻭﻳﻜﻮﻥ ﺑﻜﻞ ﻋﺒﺎﺩﺓ ﺗﻌﻢ اﻟﻠﻴﻞ ﺃﻭ ﺃﻛﺜﺮﻩ) ﻧﻘﻞ ﻋﻦ ﺑﻌﺾ اﻟﻤﺘﻘﺪﻣﻴﻦ، ﻗﻴﻞ ﻫﻮ اﻹﻣﺎﻡ ﺃﺑﻮ ﺟﻌﻔﺮ ﻣﺤﻤﺪ ﺑﻦ ﻋﻠﻲ ﺃﻧﻪ ﻓﺴﺮ ﺫﻟﻚ ﺑﻨﺼﻒ اﻟﻠﻴﻞ ﻭﻗﺎﻝ " ﻣﻦ ﺃﺣﻴﺎ ﻧﺼﻒ اﻟﻠﻴﻞ ﻓﻘﺪ ﺃﺣﻴﺎ اﻟﻠﻴﻞ " ﻭﺫﻛﺮ ﻓﻲ اﻟﺤﻠﻴﺔ ﺃﻥ اﻟﻈﺎﻫﺮ ﻣﻦ ﺇﻃﻼﻕ اﻷﺣﺎﺩﻳﺚ اﻻﺳﺘﻴﻌﺎﺏ، ﻟﻜﻦ ﻓﻲ ﺻﺤﻴﺢ ﻣﺴﻠﻢ ﻋﻦ ﻋﺎﺋﺸﺔ ﻗﺎﻟﺖ " ﻣﺎ ﺃﻋﻠﻤﻪ - ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ - ﻗﺎﻡ ﻟﻴﻠﺔ ﺣﺘﻰ اﻟﺼﺒﺎﺡ " ﻓﻴﺘﺮﺟﺢ ﺇﺭاﺩﺓ اﻷﻛﺜﺮ ﺃﻭ اﻟﻨﺼﻒ، ﻟﻜﻦ اﻷﻛﺜﺮ ﺃﻗﺮﺏ ﺇﻟﻰ اﻟﺤﻘﻴﻘﺔ ﻣﺎ ﻟﻢ ﻳﺜﺒﺖ ﻣﺎ ﻳﻘﺘﻀﻲ ﺗﻘﺪﻳﻢ اﻟﻨﺼﻒ. اﻩـ.

ﻭﻓﻲ اﻹﻣﺪاﺩ: ﻭﻳﺤﺼﻞ اﻟﻘﻴﺎﻡ ﺑﺎﻟﺼﻼﺓ ﻧﻔﻼ ﻓﺮاﺩﻯ ﻣﻦ ﻏﻴﺮ ﻋﺪﺩ ﻣﺨﺼﻮﺹ، ﻭﺑﻘﺮاءﺓ اﻟﻘﺮﺁﻥ، ﻭاﻷﺣﺎﺩﻳﺚ ﻭﺳﻤﺎﻋﻬﺎ، ﻭﺑﺎﻟﺘﺴﺒﻴﺢ ﻭاﻟﺜﻨﺎء، ﻭاﻟﺼﻼﺓ ﻭاﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻰ اﻟﻨﺒﻲ - ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ - اﻟﺤﺎﺻﻞ ﺫﻟﻚ ﻓﻲ ﻣﻌﻈﻢ اﻟﻠﻴﻞ ﻭﻗﻴﻞ ﺑﺴﺎﻋﺔ ﻣﻨﻪ. ﻭﻋﻦ اﺑﻦ ﻋﺒﺎﺱ - ﺭﺿﻲ اﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ - ﺑﺼﻼﺓ اﻟﻌﺸﺎء ﺟﻤﺎﻋﺔ، ﻭاﻟﻌﺰﻡ ﻋﻠﻰ ﺻﻼﺓ اﻟﺼﺒﺢ ﺟﻤﺎﻋﺔ، ﻛﻤﺎ ﻗﺎﻟﻮﻩ ﻓﻲ ﺇﺣﻴﺎء ﻟﻴﻠﺘﻲ اﻟﻌﻴﺪﻳﻦ. ﻭﻓﻲ ﺻﺤﻴﺢ ﻣﺴﻠﻢ ﻗﺎﻝ ﺭﺳﻮﻝ اﻟﻠﻪ - ﺻﻠﻰ اﻟﻠﻪ ﻋﻠﻴﻪ ﻭﺳﻠﻢ - «ﻣﻦ ﺻﻠﻰ اﻟﻌﺸﺎء ﻓﻲ ﺟﻤﺎﻋﺔ ﻓﻜﺄﻧﻤﺎ ﻗﺎﻡ ﻧﺼﻒ اﻟﻠﻴﻞ، ﻭﻣﻦ ﺻﻠﻰ اﻟﺼﺒﺢ ﻓﻲ ﺟﻤﺎﻋﺔ ﻓﻜﺄﻧﻤﺎ ﻗﺎﻡ اﻟﻠﻴﻞ ﻛﻠﻪ» . اﻩـ.

[ ﺗﺘﻤﺔ]
ﺃﺷﺎﺭ ﺑﻘﻮﻟﻪ ﻓﺮاﺩﻯ ﺇﻟﻰ ﻣﺎ ﺫﻛﺮﻩ ﺑﻌﺪ ﻓﻲ ﻣﺘﻨﻪ ﻣﻦ ﻗﻮﻟﻪ ﻭﻳﻜﺮﻩ اﻻﺟﺘﻤﺎﻉ ﻋﻠﻰ ﺇﺣﻴﺎء ﻟﻴﻠﺔ ﻣﻦ ﻫﺬﻩ اﻟﻠﻴﺎﻟﻲ ﻓﻲ اﻟﻤﺴﺎﺟﺪ، ﻭﺗﻤﺎﻣﻪ ﻓﻲ ﺷﺮﺣﻪ، ﻭﺻﺮﺡ ﺑﻜﺮاﻫﺔ ﺫﻟﻚ ﻓﻲ اﻟﺤﺎﻭﻱ اﻟﻘﺪﺳﻲ. ﻗﺎﻝ: ﻭﻣﺎ ﺭﻭﻱ ﻣﻦ اﻟﺼﻠﻮاﺕ ﻓﻲ ﻫﺬﻩ اﻷﻭﻗﺎﺕ ﻳﺼﻠﻰ ﻓﺮاﺩﻯ ﻏﻴﺮ اﻟﺘﺮاﻭﻳﺢ.
রদ্দুল মুহতার২/২৪-২৫


সু-প্রিয় পাঠকবর্গ!
শা'বানের মধ্যরাত্র( শবে বরাত)এর ফযিলত সম্ভলিত হাদীস বর্ণিত রয়েছে। যেমন আমরা উপরে দেখতে পেরেছি। তবে শা'বানের মধ্যরাত্র কে উপলক্ষ্য করে কিছু বিদ'আতের উপদ্রব ও হয়েছে।যেমন সম্মিলিতভাবে বিশেষ কোনো নামায কে জামাতের সাথে আদায় করা,আতশবাতি প্রজ্বলন করা। কিংবা শিরণি পোলাও ইত্যাদিকে  জরুরী মনে করা।এসব বিদ'আত।এগুলোকে অবশ্যই বিসর্জন দিতে হবে।পরিহার করতে হবে। হ্যা সারা রাত্র বা রাতের অধিকাংশ অংশজুড়ে নিজেকে ইবাদত বন্দেগীতে ব্যস্ত রাখা হাদীস দ্বারা প্রমাণিত রয়েছে।এবং ইহা মুস্তাহাবও বটে।

শবে বরাতের আলাদা বিশেষ কোনো নামায বা তাসবীহ নেই।তবে এ রাতে রাসূলুল্লাহ সাঃ কবর যিয়ারত করেছেন, তাই বিশেষ গুরুত্ব সহকারে পৃথক পৃথকভাবে যিয়ারত করা যেতে পারে।
আল্লাহ-ই ভালো জানেন।

 

উত্তর  লিখনে

`````````````````

মুফতী  ইমদাদুল  হক

ইফতা বিভাগ, IOM.

পরিচালক

ইসলামিক রিচার্স কাউন্সিল বাংলাদেশ

ﻓَﺎﺳْﺄَﻟُﻮﺍْ ﺃَﻫْﻞَ ﺍﻟﺬِّﻛْﺮِ ﺇِﻥ ﻛُﻨﺘُﻢْ ﻻَ ﺗَﻌْﻠَﻤُﻮﻥَ অতএব জ্ঞানীদেরকে জিজ্ঞেস করো, যদি তোমরা না জানো। সূরা নাহল-৪৩

আই ফতোয়া  ওয়েবসাইট বাংলাদেশের অন্যতম একটি নির্ভরযোগ্য ফতোয়া বিষয়ক সাইট। যেটি IOM এর ইফতা বিভাগ দ্বারা পরিচালিত।  যেকোন প্রশ্ন করার আগে আপনার প্রশ্নটি সার্চ বক্সে লিখে সার্চ করে দেখুন উত্তর পাওয়া যায় কিনা। না পেলে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনার দ্বীন সম্পর্কীয় প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য রয়েছে আমাদের  অভিজ্ঞ ওলামায়কেরাম ও মুফতি সাহেবগনের একটা টিম যারা ইনশাআল্লাহ প্রশ্ন করার ২৪-৪৮ ঘন্টার সময়ের মধ্যেই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে থাকেন।

...